vlxxviet mms desi xnxx

কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

0

কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

মানব শরীরে রেচন তন্ত্র আছে। আর এর প্রধান অংশ হল কিডনি। মানব দেহের প্রতিটি অঙ্গই সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কিছু অঙ্গ প্রত্যঙ্গ আমাদের শরীর নামক মেশিন সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। কিডনি এর মদ্ধে অন্যতম। কিডনি আমাদের শরীরের রক্ত থেকে সমস্ত বর্জ্য পদার্থ ছেকে বের করে, রক্ত পরিশোধন করে। আমাদের শরীরে দুটি কিডনিতে প্রায় ২৪ লাখ ছাঁকনি থাকে।

মানব শরীরের যেসব প্রাণঘাতি রোগ আছে, যার কারণে মানুষ মারা যায় এর মদ্ধে কিডনির নানা জটিলতা ও রোগ অন্যতম। তাই নিজেদের সুস্থ রাখতে এবং সুন্দরভাবে বাঁচতে কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সমূহ জানা খুব জরুরী।

কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার জানার আগে আসুন জেনে নেই কিডনি কি? কিডনি কিভাবে কাজ করে? আমরা যখন একটা অঙ্গের কার্যপ্রক্রিয়া সম্পর্কে জানব, সেক্ষেত্রে সহজেই এর সাথে সম্পৃক্ত রোগ গুলোর কারণ ও সহজে প্রতিকার এর উপায়গুলো ও জানতে পারব।

কিডনি মূলত কি?

কিডনি হল লাল ও ব্রাউন রঙয়ের একটা অঙ্গ যার অবস্থান মেরুদন্ডের দুই পাশে। এর আকৃতি দেখতে অনেকটা শিমের মত। মানব শরীরে দুইটি কিডনি থাকে, এবং প্রতিটি কিডনি পেরীটোনিয়াম নামক এক ধরনের ঝিল্লি দ্বারা আবৃত থাকে।

কিভাবে কাজ করে?

আমাদের মানবশরীরে প্রতিনিয়িত অসংখ্য জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়। এসব বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন দূষিত পদার্থ রক্তের সাথে সংমিশ্রন হয়ে যায়। কিডনির কাজ হল রক্ত থেকে এইসব সমস্ত দূষিত পদার্থ ছেঁকে আলাদা করা রক্তকে পরিশোধিত করে। কিডনি প্রতিদিনে ৪০ বার আমাদের শরীরের সমস্ত রক্ত পরিশোধন করে থাকে।

এছাড়াও কিডনি দেহে সোডিয়াম এবং পটাসিয়াম সহ ইলেক্ট্রোলাইট এর ভারসাম্য বজায় রাখে।

এখন যেহেতু আমরা কিডনি কিভাবে কাজ করে জানি সেহেতু এখন কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকারগুলো আমরা সহজেই বুঝতে পারব। যা আমাদের সুস্থ রাখতে সহায়তা করবে।

কিডনি রোগের লক্ষণ কি? | Kidney Disease Symptoms

আলোচনার সুবিধার্থে আমরা প্রথমেই জানিয়ে রাখি কিডনি রোগকে বলা হয়ে থাকে নিরব ঘাতক কারণ অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় কোন উপসর্গ দেখা দেয়ার আগেই কিডনি ৫০% ড্যামেজ হয়ে যায়। আবার আরেকটা সমস্যা হচ্ছে অধিকাংশ সময়ই একসাথে দুইটা কিডনি ই ড্যামেজ হয়ে যায়। তাই আমাদের সবার উচিত কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সমূহ ভালোভাবে জেনে রাখা এবং ছোটখাটো কোন লক্ষণ নজরে আসলেই দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।

কিডনির অনেক রকমের রোগ হয়ে থাকে। রোগভেদে তাদের উপসর্গগুলো ও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই সচেতনতা অতীব জরুরী।

আরো দেখুনঃ পেটের গ্যাস কমানোর উপায়।

আমরা আগেই জেনেছি কিডনি রক্ত থেকে সমস্ত বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে ইউরিন এর মাধ্যমে শরীর থেকে নিষ্কাশন করে থাকে। অনেক সময় এইসব বর্জ্য পদার্থ কিডনিতে জমা হয়ে জমাট বাঁধতে শুরু করে। সাধারন ভাবে এগুলোকেই কিডনিতে পাথর বলা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে আমরা এখন পর্যন্ত যে রোগগুলোর কথা জানি এর মদ্ধে কিডনি পাথর অন্যতম।

এছাড়াও আছে গ্লোমারুলোন-ফ্রাইটিস, মুত্রনালীতে সংক্রমন, পলিসিস্টিক কিডনি রোগ সহ নানা ধরণের রোগ হয়ে থাকে।

১> কিডনি রোগের উপসর্গ গুলোর মদ্ধে অন্যতম হল স্বাভাবিক এর তুলনায় প্রস্রাব এর পরিমাণ কমে যাওয়া। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সাধারণত দেখা যায় ৫-৬ বছর বয়স এর পরেও বিছানায় প্রস্রাব করে দেয়া। আবার যাদের কিডনি তে পাথর থাকে তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় পস্রাবের সাথে কনার মত পাথর বের হওয়া। পস্রাব করার পর যদি অতিরিক্ত ফেনা হয়, তাহলে সেটিও কিডনি রোগের একটি লক্ষন হিসেবে ধরা হয়।

২> অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ অথবা রক্তচাপের পরিমান উঠানামা করাও কিডনি রোগের আরেকটি উপসর্গ।

৩> ঘুম থেকে উঠার পর আমাদের সবারই চোখ মুখ একটু ফোলা ফোলা লাগে। ব্রাশ করে, হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হলেই এই ফোলা ফোলা কেটে যায়। কিন্তু দিনের অন্যান্য সময়ও যদি দেখেন যে চোখের চারপাশ ও পায়ের গোড়ালি ফোলাফোলা লাগছে তাই দ্রুত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর পরামর্শ নিন।

৪> সাধারণত আমরা সবাই সারাদিনে ৫-৬ বার পস্রাব করলেও রাতে সর্বোচ্চ ১-২ বার পস্রাব করে থাকি। যে কোন ব্যক্তির যদি রাতে ঘুম কম পায়, নিদ্রাহীনতা অনুভব করেন এবং বারবার প্রস্রাবের বেগ পায় তাহলে তা কিডনি রোগের উপসর্গ হতে পারে।

৫> কিডনি রোগের লক্ষণ গুলোর মদ্ধে আরেকটি হল ক্ষুদা মন্দা তথা খিদা কম লাগা এবং বমি বমি ভাব থাকা। স্বাভাবিকভাবেই খিদা কম লাগা এবং কম খাওয়ার কারনে দ্রুতই শারীরিক দুর্বলতা ও অনুভব হওয়া শুরু করে।

৬> অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় মাথা ব্যথা থাকে। আবার কোন কোন রোগীর শরীরে এলার্জি বা চুলকানো অনুভূত হয়।

কিডনি রোগের প্রতিকার

১> সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন আমাদের ৮-১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। কিডনি রোগ প্রতিকার এর জন্য ও ডাক্তারগন নুন্ন্যতম ৮ গ্লাস বা ২ লিটার পানি পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে কেউ যদি শারীরিক পরিশ্রম বা খেলাধুলায় অংশগ্রহন করে থাকেন তাহলে আরও বেশী পানি পান করা উচিত।

২> সারাদিনে ১ ঘণ্টা সময় বরাদ্ধ রাখুন ব্যায়াম ও অন্যান্য শারীরিক পরিশ্রম এর জন্য। নিয়মিত শরীরচর্চার কোন বিকল্প নেই। ব্যায়াম ও শারীরিক পরিশ্রম করার সময় না পেলে চেষ্টা করুন রিকশায় না উঠে কিছু রাস্তা হাঁটতে। অফিস শেষে বাসায় ফেরার সময় বাস থেকে নেমে হেটেই বাসায় ফিরতে চেষ্টা করুন।

৩> ধূমপান অথবা যে কোন মাদক ও নেশা জাতীয় দ্রব্য পরিত্যাগ করতে হবে। এই ক্ষেত্রে অ্যালকোহল জাতীয় বিভিন্ন ড্রিঙ্কস ও পরিহার করার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে।

৪> ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ সবসময় চেকআপ করে তা নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে। 

কিডনি রোগীর খাবার

খাবার খাওয়ার সময় কিডনি রোগীকে সবসময় সচেতন থাকতে হবে। সবার যে একই রকম খাবার খেতে নিষেধ করা হয় এমন না, কিডনির সমস্যার ধরন অনুযায়ী ডাক্তার নির্ধারিত কিছু খাবার নিষেধ করে থাকেন।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তাজা ফলমূল ও সবজি রাখতে হবে। পেয়ারা, তরমুজ,আনারস, আপেল, বেদানা, বড়ই ইত্যাদি দেশি ফল খাবারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবে সকল সাইট্রাস যুক্ত ফল যেমনঃ লেবু, মাল্টা, আংগুর, কমলা, আমলকি বাদ দিতে হবে।

আরো দেখুনঃ ডায়াবেটিস কমানোর উপায়।

আবার কিডনি রোগীদের কিছু খাবার বর্জন ও করতে হবে। শাক সবজির মদ্ধে টমেটো, মাশরুম, মিষ্টি কুমড়া, পালংশাক, ব্রকোলি খাওয়া যাবে না। মাংস জাতীয় খাবার, খাসীর মাংস, গরুর মাংস পরিত্যাগ করতে হবে।

কিডনি রোগের ঔষধ কি?

উপরের লিখার মাধ্যমে কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে আমরা জেনেছি। কিন্তু তারপর ও যদি কোন ব্যক্তি কিডনি রোগে আক্রান্ত হন সেইক্ষেত্রে কি করবেন? এমন মুহূর্তে সবার উচিত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া। তারপর ও সবার জানার সুবিধার্থে সাধারণত কিডনি রোগের ক্ষেত্রে কিভাবে চিকিৎসা করা হয় তা জেনে রাখতে পারেন।  

অ্যান্টিবায়োটিক, ডায়ালাইসিস, পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস, নেফস্ট্রমি, লিথোপ্রিপসি ইত্যাদি নানা উপায়ে কিডনি চিকিৎসা করা হয়।

কিডনি রোগীর প্রশ্ন উত্তর 

১। কিডনি রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কি কি পরীক্ষা করা হয়? 

উত্তরঃ প্রস্রাবের পরীক্ষা, রক্ত পরীক্ষা, আলট্রসনোগ্রাফি পরীক্ষা।

২। আগে থেকেই রোগ নির্ণয় করার জন্য কি পরীক্ষা করা উচিত? 

উত্তরঃ প্রস্রাবে অ্যালবুমিন মাত্রা এবং রক্তে  ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা জানা উচিৎ।

৩। ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা পরীক্ষার খরচ কত হতে পারে?

উত্তরঃ হাসপাতাল ভেদে টেস্ট এর ফি উঠানামা করে। তবে আপনি ৩০০-৫০০ টাকার মদ্ধেই এই পরীক্ষা করাতে পারবেন।

৪। কিডনিতে পাথর হয় কোন খাবারগুলো খেলে?

উত্তরঃ অ্যালকোহল এবং সকল ক্যান জাতীয় খাবার, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার, ক্যাফেইন, সোডা ইত্যাদি খেলে।

৫। কিডনিতে পাথর অপারেশন করতে কেমন খরচ হয়? 

উত্তরঃ স্টোন  ক্রাশ করতে ১২-১৫০০০ টাকার মত খরচ হয়। লেপারোস্কোপিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিলে সেটা অনেকটা ব্যয়বহুল। সেক্ষেত্রে এক লাখ টাকার বেশি খরচ হতে পারে।

এই আর্টিকেলটি থেকে আপনারা কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত জানলেন। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে যদি কিডনি রোগ ধরা পরে তবে ভয়ের কোন কারণ নেই। সঠিক সময়ে যদি সঠিক চিকিৎসা শুরু করা হয় তবে অবশ্যই তা সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex