vlxxviet mms desi xnxx

ঐকিক নিয়ম কাকে বলে?

0

ঐকিক নিয়ম কাকে বলে? | ঐকিক নিয়ম এর সূত্র

খুব ছোট বেলায় কমবেশি অনেকেই অংক সাবজেক্ট টা কে আমরা ভয় পেতাম। নানান সূত্র দিয়ে অংক করা এবং অংকের জটিলতা সমাধান করা এ যেনো মাথার মধ্যে আকাশ ভেঙ্গে পরার মত। আবার অনেকের কাছেই এই অংক বিষয়টিই ছিল সবচেয়ে মজার এবং প্রিয় সাবজেক্ট।

তবে হ্যাঁ, অংক সাবজেক্টটা বোরিং এবং ভয়ের মনে হলেও এর ঐকিক নিয়ম এর অধ্যায় এবং অংক বরাররই আমার খুব ভালো লাগতো। এর কিছু নির্দিষ্ট সূত্র এর মাধ্যমে অংক গুলো সমাধান করা হতো বা হয়।

আরো দেখুনঃ অংক কাকে বলে?

বর্তমানে বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রেও এই ঐকিক নিয়ম এর অংক থাকে। তাই এই ঐকিক নিয়ম যত বিস্তারিত ভাবে জানা এবং বুঝা যাবে ততবেশি লাভজনক। ঐকিক নিয়ম কাকে বলে থেকে শুরু করে এর বিস্তারিত জানা খুব জরুরী। এবারে আর্টিকেল ঐকিক নিয়ম কাকে বলে এর বিস্তারিত এর উপর। চলুন আলোচনা শুরু করা যাক।

ঐকিক শব্দের অর্থ কি?

ঐকিক নিয়ম কাকে বলে জানার আগে জেনে নেই ঐকিক নিয়ম শব্দের অর্থ সম্পর্কে। ঐকিক শব্দটি মূলত এসেছে একক শব্দটি থেকে। এর অর্থ এক বা একক ও বলা যায়। এক বা একক জাতীয় কোনো জিনিসের পরিমাণ বা দাম উল্লেখ করা থাকে বিপরীতে অন্য কোনো জিনিসের পরিমাণ বা দাম নির্ণয় করা হয় এই ঐকিক নিয়ম এর মাধ্যমে।

ঐকিক নিয়ম কি?

সাধারণত, ঐকিক অর্থ এক সংখ্যার বাচক বুঝায়। কিন্তু ঐকিক নিয়ম হচ্ছে একটি রাশির মান বের করে পরবর্তী সমস্যা সমাধানে যাওয়া। অংক সাবজেক্টিতে হিসাব-নিকাশ করার এই নিয়মটিই সাধারণত ঐকিক নিয়ম।

ঐকিক নিয়ম কাকে বলে?

অনেক গুলো জিনিসের দাম, পরিমাণ কিংবা পরিমাপ থেকে এক বা একক জিনিসের দাম, পরিমাণ কিংবা পরিমাপ বের করে সেগুলো থেকে আবার নির্দিষ্ট সংখ্যার জিনিসের দাম, পরিমাণ কিংবা পরিমাপ বের করার পদ্ধতিকে ঐকিক নিয়ম বলে।

ঐকিক নিয়ম এর সূত্র

ঐকিক নিয়ম কাকে বলে জানা যেমন প্রয়োজন তেমনি ঐকিক নিয়ম এর সূত্র জানাটাও জরুরী। কারণ ঐকিক নিয়ম এর অংক সমাধান করতে গেলে অবশ্যই ঐকিক নিয়ম এর সূত্র জানতে হবে। সূত্র জানা ছাড়া ঐকিক নিয়ম এর অংক সমাধান করা কঠিন। সূত্রটি তিনটি ধাপে মুখস্ত রাখা যায়। চলুন জেনে নেই, 

১ম ধাপঃ ঐকিক নিয়মের অংক এর প্রশ্ন থেকে প্রথম বাক্য কিংবা লাইনটি এমন ভাবে সাজাতে হবে  যেনো প্রশ্নে উল্লেখিত জিনিসের দাম, পরিমাপ কিংবা পরিমাণ ইত্যাদি যাই হোক না কেনো সেই বাক্য কিংবা লাইনের শেষে কিংবা ডানদিকে থাকতে হবে।

২য় ধাপঃ দ্বিতীয় বাক্য কিংবা লাইন সাজাতে বামপাশের জিনিসের দাম, পরিমাপ কিংবা পরিমাণের নিচে “১” লিখতে হয়। এরপর ডানপাশের সংখ্যাটি ডানে লিখে বাক্যটি সাজাতে হয়। এক্ষেত্রে জিনিসের দাম, পরিমাপ কিংবা পরিমাণ বেশি হলে গুণ চিহ্ন ব্যবহার করতে হয় আর কম হলে সেক্ষেত্রে ভাগ চিহ্ন ব্যবহার করে বাক্যটি সাজাতে হয়। 

৩য় ধাপঃ এই ধাপে জিনিসের দাম, পরিমাপ কিংবা পরিমাণ যা ই নির্দিষ্ট করে বের করতে বলা হয়েছে তা “১” এর নিচে লিখে নিয়ম বা পদ্ধতি মোতাবেক গুণ বা ভাগের কাজ সম্পন্ন করে অংকটি সমাধান করতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, 

একটি কাজ ১৫ জন লোক সম্পন্ন করতে পারে ১২ দিনে। একই কাজ যদি ৯ জন লোক করে থাকে তাহলে সেই কাজটি সম্পন্ন হতে কত দিন সময় লাগবে? 

এখানে প্রথমে খেয়াল করতে হবে যে, কি দেয়া আছে এবং কি বের করতে বলা হয়েছে।

১ম ধাপঃ ১৫ জন লোক কাজটি করে ১২ দিনে,

২য় ধাপঃ ১   জন লোক কাজটি করে (১২X১৫) দিনে ,

৩য় ধাপঃ ৯   জন লোক কাজটি করে (১৮০/৯) দিনে = ২০ দিনে

তাহলে উত্তর হবে, ২০ দিনে। 

পরিশেষে বলা যায়, ঐকিক নিয়ম কাকে বলে জানা থেকে শুরু করেই মূলত এর পদাচরণ শুরু। ঐকিক নিয়মের অংক গুলো করতে চমৎকার যদি এটি খুব ভালো করে আত্মস্থ করা যায় তবে। এটি বলা চলে খুব সহজ একটি অংক যদি ভালো করে বুঝে থাকে। 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex