vlxxviet mms desi xnxx

বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য

0

বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য,ছন্দ, কবিতা (৩ টি নমুনা সহ)

বিদায় অনুষ্ঠান আমাদের সবার স্কুল জীবনের সবচাইতে গুরুত্ববহনকারী অনুষ্ঠান। এই দিনের মাধ্যমেই আমাদের স্কুলের থেকে আমাদের বিচ্ছেদ ঘটে আর ঘটে আমাদের নতুন এক অধ্যায়ের শুরু। এই দিনটিকে আরো আনন্দঘন ও স্মরণীয় করে তুলতে আমরা এই দিনটিতে বক্তব্য রেখে থাকে। আমরা সবাই চাই বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য যেন সারা জীবনের জন্য আমাদের সহপাঠী ও স্কুলের সম্মানিত শিক্ষকদের মনের সারা জীবনের জন্য গাথা রয়ে যায়। চলুন আপনাদের বিদায় অনুষ্ঠানকে স্বরনীয় করে রাখতে কিছু বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য জানিয়ে দেই।

নমুনা -1

“বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম, মঞ্চে উপস্থিত প্রধান অতিথি এবং আমার শ্রদ্ধেয় সকল শিক্ষক ও আমার সামনে উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীদের আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক সালাম এবং শুভেচ্ছা জানাই।

দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই প্রতিষ্ঠানে পড়েছি এবং এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ আমাদেরকে বিভিন্ন বিষয় অত্যান্ত দক্ষতার সাথে পড়িয়েছেন তা আমরা কখনোই ভুলবো না। এজন্য আমরা আপনাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। কিন্তু ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও আমাদেরকে আজ অত্র প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে। আজ শিক্ষাজীবনের একটি অধ্যায় সমাপ্ত করে পরের আরেকটি অধ্যায়ে পা রাখার উদ্দেশ্যে আমরা বিদায় নিচ্ছি।

আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন যেন ভবিষ্যতে শিক্ষাজীবনে আরো উন্নতি করে দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে পারি। এছাড়া এখানে দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে আপনাদের অনেক শাসন-বাড়নের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে যা সাময়িক বিরক্তিকর মনে হলেও এখন এই শেষ মুহূর্তে বুঝতে পারছি এটা আমাদের জন্য কতটা দরকারি ছিলো। তাই আমাদের কোনো আচরণের যদি কোনো শিক্ষক/শিক্ষিকা কষ্ট পেতে থাকেন বা ছোট কিংবা বড় কোনো ভুল করে থাকি তাহলে আমাদেরকে ক্ষমা করবেন। সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে আমি বিনীতভাবে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

যাই হোক, বিদায়ী মুহূর্তে আর বেশি কিছু বলতে চাই না, এই প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক/শিক্ষিকাবৃন্দের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আমি আমার বক্তব্য এখানেই শেষ করছি। – ধন্যবাদ সবাইকে।

নমুনা -2

আসসালামু অলাইকুম

অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলতে হচ্ছে আজ আমাদের বড় ভাইদের বিদায় অনুষ্ঠান। যদিও আমরা মনে করি এটা একটা বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কারণ মন থেকে চিরতরে বিদায় দেওয়া হয়তো সম্ভব হবে না। আমরা অনেকদিন ধরে রিদয় রাঙানো গাঁথা সূরে এই কলেজে আছি। আমরা এখানে সবাই ভাইয়ের মত ছিলাম। আপনারা আমাদের বড় ভাইয়ের মতো ছিলেন। আপনাদের অনুসরণ করে আমরা এগিয়ে গিয়েছি। আপনাদের নিকট আমরা অনেক কিছু শিখেছি।

এজন্য আমরা আপনাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। কিন্তু ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও আপনাদেরকে আজ এখান থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে। বিদায় সবাইকেই নিতে হবে। মূলত আমাদের জীবনতো খুবই ছোট। এই কলেজ পরিসরটা আরও ছোট । কারণ প্রয়োজনের তাগিদে বিভিন্ন জায়গায় চলে যেতে হয়। তার পরেও আমরা অনেক দিন মিলেমিশে ছিলাম । শীতের শিশির বিন্দুর মতোই বেলা বাড়ার সাথে সাথেই তা মিলিয়ে যায়।

আমরাও খুব শিগগিরই বিদায় নিয়ে আপনাদের পিছু পিছু চলে আসব। আজ শিক্ষাজীবনের একটি অধ্যায় সমাপ্ত করে পরের আরেকটি অধ্যায়ে পা রাখার উদ্দেশ্যে আপনারা বিদায় নিচ্ছেন। আপনাদের জন্য আমাদের দোয়া ও আশির্বাদ থাকবে যেন আপনারা সাফল্যের স্বর্ণ শিখরে পদার্পণ করতে পারেন। আপনারা যেন ভবিষ্যতে শিক্ষাজীবনে আরো উন্নতি করে দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে পারেন। আমরাও আপনাদের চলা পথ ধরে এগিয়ে যেতে চাই। এছাড়া এখানে আপনাদের সাথে আমাদের আচরণ বা ব্যবহারে কোন কষ্ট পেয়ে থাকলে নিজগুনে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। বিদায় দিতে মন চাচ্ছে না, তবুও বিদায় দিতেই হবে ।

তাই কবির চরণে বলতে হয়,
যেতে নাহি দিব হায়,
তবু যেতে দিতে হয়,
তবু চলে যায় ।

যাই হোক, বিদায়ী মুহূর্তে আর বেশি কিছু বলতে চাই না, এই কলেজের সকল ছোট ভাইদের পক্ষ থেকে আপনাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আমি আমার বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য এখানেই শেষ করছি।

সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদও শুভেচ্ছা রই।

নমুনা -3

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম, মঞ্চে উপস্থিত প্রধান অতিথি এবং অত্র বিদ্যালেয়র প্রধান শিক্ষক মহোদয়,  শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মন্ডলী ও আমার প্রাণ প্রিয় ছাত্র-ছাত্রী ভাই-বোনেরা আস্ সালামু আলাইকুম। অত্যান্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলতে হচ্ছে আজ আমাদের বড় ভাইদের বিদায় অনুষ্ঠান। যদিও আমরা মনে করি এটা একটা বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কারণ মন থেকে চিরতরে বিদায় দেওয়া হয়তো সম্ভব হবে না। দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই প্রতিষ্ঠানে পড়েছি। আমরা এখানে ভাই বোনের মত ছিলাম। শিক্ষকেরা আমাদের বাবা-মায়ের মতো ছিলেন।

আপনাদের অনুসরণ করে আমরা এগিয়ে গিয়েছি। আপনাদের নিকট আমরা অনেক কিছু শিখেছি। এজন্য আমরা আপনাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। কিন্তু ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও আপনাদেরকে আজ অত্র প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে।     বিদায় সবাইকেই নিতে হবে। ড্যাফোডিল ফুলের মতো সকালে ফোটে, দুপুর গড়াতে না গড়াতেই তা ঝরে পড়ে। মূলত আমাদের জীবনতো খুবই ছোট। এই স্কুল জীবনটা আরো ছোট। শীতের শিশির বিন্দুর মতোই বেলা বাড়ার সাথে সাথেই তা মিলিয়ে যায়। আমরাও খুব শিগগিরই বিদায় নিয়ে আপনাদের পিছু পিছু চলে আসব।

মায়া, মমতা আর ভালবাসা নিয়েই আমরা পৃথিবীতে বেঁচে থাকি। তাই আমরা যে পরিবারে, যে সমাজে জীবন যাপন করি, তার প্রতি আমাদের মায়া জন্ম নেয়। আর এই মায়া কাটিয়ে চলে যেতে আমাদের খুবই কষ্ট হয়। সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলে মানুষ। ভাবুন এই সেদিন আমরা এই স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। গুনতে গুনতে ৯টি বছর পার করে ফেলেছি। আজো আমার চোখে ভাসে সেদিনের কথা যেদিন ছোট্ট কচি হাত দিয়ে বাবার হাত ধরে এই স্কুলে এসেছিলাম। আজ শারিরীক ও মানসিক ভাবে আমরা বেড়ে উঠেছি কত তাড়াতাড়ি।

এভাবেই বড় হই আমরা। বড় হই আরো বড়। ছড়িয়ে পড়ি দেশে বিদেশে নিজেদের অন্ন সংস্থানের জন্য। পৃথিবী যেহেতু গোলাকার, তাই আমাদের মাঝে আবারো দেখা হয়। দেখা হবে। কথা হবে। এতেই আমরা সন্তুষ্ট থাকি। আজ শিক্ষাজীবনের একটি অধ্যায় সমাপ্ত করে পরের আরেকটি অধ্যায়ে পা রাখার উদ্দেশ্যে আপনারা বিদায় নিচ্ছেন। আপনাদের জন্য আমাদের দোয়া ও আশির্বাদ থাকেব যেন আপনার সাফল্যের স্বর্ণ শিখরে পদার্পান করতে পারেন। আপনারা যেন ভবিষ্যতে শিক্ষাজীবনে আরো উন্নতি করে দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে পারেন। আমরাও আপনাদের চলা পথ ধরে এগিয়ে যেতে চাই।

এছাড়া এখানে দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে আপনাদের সাথে আমাদের আচরণ বা ব্যবহারে কোন কষ্ট পেয়ে থাকলে নিজগুনে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। যাই হোক, বিদায়ী মুহূর্তে আর বেশি কিছু বলতে চাই না, এই প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্রছাত্রীদের পক্ষ থেকে আপনাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আমি আমার বক্তব্য এখানেই শেষ করছি। – সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আস্ সালামু আলাইকুম।

আরো দেখুনঃ উপস্থাপনা ও কথা বলার কলাকৌশল.

বিদায় অনুষ্ঠানের ছন্দ

 আসুন বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য এর সাথে সাথে বিদায় অনুষ্ঠানের ছন্দ এর কিছু ছন্দ ও জেনে নেই।

” বিদায় মানে শেষ নয়,
নতুন শরুর দিগন্ত,
আসবে ভোর নতুন করে
দেখবো সবার সফলতার বসন্ত “

“বিদায়ের ঘন্টা বেজে গেছে
আর যে সময় নেই,
ভালো থেকে প্রিয় বিদ্যালয় 
তোমাকে বিদায়”

” কত স্মৃতি হাসি উল্লাস মাখা দিন
মিশে আছে এইখানে,
প্রতিটি পাথর-বেঞ্চ-ঘণ্টা সবার মাঝে
আমাদের ভালবাসা,
আজ ছাড়িতে হবে এসব,
দিতে হবে বলি, একি ব্যাথা।
রচিত হবে স্মৃতির মাঠ, হবে কি আর কখনো এভাবে আসা?
হে প্রিয় আলয়, তোমায় বলি, করি শেষ আরতি
আমাদের যেন ভুলিও না তুমি,
রেখো মনে চিরদিন।”

বিদায় অনুষ্ঠানের কবিতা

 

আসুন বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য এর সাথে সাথে এখন কিছু কবিতাও জেনে নেই।

 “সুন্দর বিদায় হলো ক্ষতি না করে বিদায় নেয়া,  সুন্দর ক্ষমা হলো বকা না দিয়ে ক্ষমা করা,  সুন্দর ধৈর্য হলো অভিযোগ না রেখে ধৈর্য্ধারণ করা।” 

” তবু সে তো স্বপ্ন নয়,
সব-চেয়ে সত্য মোর, সেই মৃত্যুঞ্জয়,
সে আমার প্রেম।
তারে আমি রাখিয়া এলেম
অপরিবর্তন অর্ঘ্য তোমার উদ্দেশে।
পরিবর্তনের স্রোতে আমি যাই ভেসে
কালের যাত্রায়।
হে বন্ধু, বিদায়”

” বিদায়! বিদায়! একি কলরব ধ্বনিছে বাতাসে
ক্রন্দন ভরা অক্ষিপট, ভাসাইছে সবাই ঝর্ণার ধারা
অধর পুষ্প নাহি ফুটে, মুখে সবার বিষণ্ণতা
আজি মোদের বিদায় লগ্ন, কহিছে কৃষ্ণপাতা।
বিদায় ঘণ্টা তাল তুলেছে ঢং ঢং করুণ তানে
দশ বছরের লালিত মাতৃক্রোড় ছেড়ে
পাড়ি জমাব আজ জীবন উচ্ছাশার দ্বিতীয় পথ পানে।
অতীত ফেলি ভাবি চিন্তায় নিমগ্ন সভায়
একি নিয়ম নীতি সবার, বুঝি না আমি।
কত স্মৃতি হাসি উল্লাস মাখা দিন মিশে আছে এইখানে
প্রতিটি পাথর-বেঞ্চ-ঘণ্টা সবার মাঝে আমাদের ভালবাসা
আজ ছাড়িতে হবে এসব, দিতে হবে বলি, একি ব্যাথা।
রচিত হবে স্মৃতির মঠ, হবে কি আর কখনো এভাবে আসা?
হৃদয় প্রশান্ত ব্যাথায় বলে, সাহারার তপ্ত বালি
কেন আসিল এ বিদায় লগন, কেন হল সৃষ্টি?
কত স্মৃতি কত কথা আজ বলে ধূসর মরুভূমি
অলস মন যেতে নাহি চায়, ভুলিব কি তোমার কৃষ্টি!
কত কাব্য রচিত হয়েছে এতদিন, আজ যেন ক্ষান্ত কলম
একি বিদায় একি বিদায়! পাজর ঘোষিছে কিন কিন,
হে প্রিয় আলয়, তোমায় বলি, করি শেষ আরতি
আমাদের যেন ভুলিও না তুমি, রেখো মনে চিরদি”

বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য সবার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন আশা করি এই বক্তব্য গুলো আপনাদের জন্য খুবই সহায়ক হবে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex