vlxxviet mms desi xnxx

ন্যানো টেকনোলজি কি

0

আপনি কি Nanotechnology সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে উপযুক্ত স্থানে এসেছে যেখানে আপনাকে ন্যানো টেকনোলজির ব্যাপারে জানানো হবে। ন্যানো টেকনোলজিকে আমরা অনেক নামে চিনে থাকি  (যেমন Nanotechnology,  ন্যানো প্রযুক্তি, ন্যানোটেক)। এটি মূলত একটি আণবিক স্কেল দ্বারা পরিচালিত হয়। আর এর সাহায্যে বিজ্ঞান, যন্ত্র বিদ্যা এবং প্রযুক্তি সম্পর্কে জানা যায়।

কিন্তু Nanotechnology কেন ব্যবহার করা হয় সে সম্পর্কিত জানতে হলে আপনাদের পুরো আর্টিকেলটি পড়তে হবে।  চলুন তাহলে শুরু করি আজকে আমাদের এই Nanotechnology বিষয়টি সম্পর্কে। 

ন্যানো টেকনোলজি কি | what is Nanotechnology

ন্যানো টেকনোলজি হচ্ছে পদার্থকে পারমাণবিক আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। সাধারণত চিকিৎসা ক্ষেত্রে এবং শক্তি উৎপাদন ক্ষেত্রগুলোতে Nanotechnology পরিবর্তন আনতে পারে।

ন্যানো হচ্ছে গ্রিক শব্দ। আক্ষরিক অর্থ  অর্থ হচ্ছে সূক্ষ্ম বা ছোট বা ক্ষুদ্র। ন্যানো টেকনোলজির মাধ্যমে অতি ক্ষুদ্র পদার্থকে বিশ্লেষণ করা যায়। এছাড়াও প্রযুক্তির প্রয়োগ করে বিজ্ঞান 10 মিটার চেয়ে ছোট কণা নিয়ে কাজ করেছে।

ন্যানো প্রযুক্তি অণু ও পরমাণুর প্রকৌশল পদার্থবিজ্ঞান জীববিজ্ঞান জৈবপ্রযুক্তি এবং রসায়ন সম্পর্কিত বিষয় গুলোকে একত্র করে থাকে। কারণ দিনদিন প্রযুক্তির অগ্রসর হচ্ছে।  ইঞ্জিনের প্রযুক্তিগুলো সাহায্যে এখন ঘর্ষণ হয় যার ফলে মেশিনের  জীবন দীর্ঘমেয়াদি হয় এবং জ্বালানি খরচ কম হতে থাকে।

ন্যানো টেকনোলজি জনক কে

ন্যানো টেকনোলজির জনক হচ্ছেন আমেরিকান পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান। ১৯৫৯  সাল ২৯ ডিসেম্বর  তারিখে এক আলোচনায় সর্বপ্রথম এই  Nanotechnology সম্পর্কে ধারণা দেন।

তিনি আরো ব্যক্ত করেন যে, ১ মিটার এর ১০০কোটি ভাগের এক ভাগ হচ্ছে ১ ন্যানোমিটার। আর এই এক ন্যানো মিটার এর সাথে যে সকল টেকনোলজি সংযুক্ত রয়েছে সেগুলো কে Nanotechnology ন্যানো প্রযুক্তি বলে।

আর এই ন্যানো প্রযুক্তি পরিচালনা করে থাকে বিজ্ঞান এবং প্রকৌশল  বিভাগ। তাছাড়া ন্যানো স্কেলে  ১ থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। Nanotechnology পদার্থকে আণবিক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবর্তন করার বিদ্যা। অনেকে আবার এই ন্যানো টেকনোলজিকে ন্যানোটেক বলে থাকে। 

ন্যানো টেকনোলজির সুবিধা

ন্যানোটেকনোলজির অনেক সুবিধা রয়েছে। নিম্নে আপনাদের জন্য আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা তুলে ধরলাম যাতে করে আপনারা সহজে বুঝতে পারে Nanotechnology আমাদের জন্য কতটা উপযোগী।

  • Nanotechnology ধারা তৈরিকৃত ব্যাটারি, ফুয়েল সেল, সোলার সেল ইত্যাদির মাধ্যমে সৌরশক্তিকে অধিকতর কাজে লাগানো যায়। 
  • Nanotechnology সব সময় স্থায়ী, মজবুত ও টেকসই এবং আকারে ছোট পণ্য তৈরি করে থাকে।
  • টেকনোলজির মাধ্যমে খাদ্য দ্রব্য সিলভার তৈরীর কাজে ব্যবহৃত হয়।
  • Nanotechnology প্রয়োগের ফলে উৎপাদিত ঔষধ ব্যবহার করে দ্রুত আরোগ্য লাভ করা যায়। 
  • ইলেকট্রিক শিল্পের বৈতালিক পরিবর্তন আনা যায় ( যেমনঃ-  ন্যানো ট্রানজিস্টর, প্লাজমা ডিসপ্লে, ন্যানো ডায়োড  ইত্যাদি)। 
  • Nanotechnology ব্যবহার করে মহাকাশের নানা রকম যন্ত্রপাতি উৎপাদন করা হয়।
  • Nanotechnology রোবট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
  • কম্পিউটার হার্ডওয়ার তৈরিতে Nanotechnology উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।

ন্যানো টেকনোলজির অসুবিধা

ন্যানো টেকনোলজির সুবিধা থেকে অসুবিধার পরিমাণ অধিকতর কম। কারণ ন্যানোটেকনোলজি আমাদের জীবনকে আরও সহজ  করে তুলেছে। তাই এর সুবিধা অধিক পরিমাণে বিদ্যমান। কিন্তু এর কিছু অসুবিধা রয়েছে যা খুবই নগণ্য।

  • ন্যানো পার্টিকেল নামক পদার্থ মানুষের শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
  • Nanotechnology তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল  হয়। 

উপসংহার: আমাদের এই আর্টিকেল থেকে আপনারা Nanotechnology সম্পর্কে জানতে পেরে উপকৃত হয়েছেন আশা করতে পারি।  কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের যত প্রযুক্তি রয়েছে এসে প্রযুক্তি কোন না কোন বিষয় ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়। কারণ বর্তমানে আমরা ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর আবিষ্কার কে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে।  এছাড়াও আপনারা যদি Nanotechnology সম্পর্কে আরো  জানতে চান তাহলে কমেন্ট বক্সে  এসে আপনাদের  মন্তব্য জানাতে পারেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex