vlxxviet mms desi xnxx

বিসিএস অনলাইন আবেদন

1

বিসিএস অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ পদ্ধতি | BCS Apply Process

বিসিএস ক্যাডার হওয়া এখন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের একমাত্র লক্ষ্য। কারন এটিই সবচেয়ে বেশি মর্যাদাসম্পন্ন একটি চাকরির প্ল্যাটফর্ম। দেশের সবচেয়ে বড় বড় সেক্টরগুলোতে ঠাঁই পেতে হলে ক্যাডার হওয়ার বিকল্প নেই। গ্রাজুয়েট ছাত্র-ছাত্রীরা এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার যোগ্যতা লাভ করে থাকে। আরো বিশেষ কিছু রিকোয়ারমেন্ট রয়েছে যেগুলো জেনে নেওয়া উচিত। আসল কথা হচ্ছে বিসিএস এখন সব উচ্চ শিক্ষার শিক্ষার্থীদের ফোকাস।

সামনে রয়েছে ৪৪ তম বিসিএস সার্কুলার। ৪৩ তম বিসিএস সার্কুলার দেওয়া হয়েছিল গত বছরের ৩০ নভেম্বর। আবেদন করার সময় ছিলো ৩০ নভেম্বর, ২০২০ থেকে ৩১ জানুয়ারি, ২০২১ সাল পর্যন্ত। আপনি যেই সার্কুলারেই আবেদন করুন না কেনো আবেদন করতে হবে অনলাইনের মাধ্যমে। এখন বাংলাদেশের প্রায় সব পরীক্ষার আবেদন অনলাইনেই করতে হয়। বিসিএস পরীক্ষার আবেদনও তার বিকল্প কিছু না। অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরন করা থেকে শুরু করে পেমেন্ট ও দেওয়া হয়।

গুরুত্বপূর্ণ: ৪৪ তম বিসিএস সম্পূর্ণ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখুন।

তবে সঠিকভাবে না জানার কারনে অনেকে ভুল করে বসে বা সঠিক তথ্য দিতে পারে না। ফলে বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে না। তাই আগে থেকেই এ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেওয়া উচিত যেনো কোনোরকম কোন ভুল না হয়। একবার ভুল হয়ে গেলে আপনি হারিয়ে ফেলতে পারেন আপনার স্বপ্নের কাঙ্ক্ষিত বিসিএস। আমাদের আজকের এই আয়োজনে আমরা বিসিএস অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরন পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি আপনাদের কিছুটা হলেও উপকার হবে।

বিসিএস অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ পদ্ধতি | BCS Apply প্রচেসস

ইতিমধ্যে ৪৪ তম বিসিএস এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন। ১৭১০ টি পদের জন্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অনলাইনে আবেদন করার জন্য প্রথমে  http://bpsc.teletalk.com.bd অথবা বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের www.bpsc.gov.bod ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এখানে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত আবেদন ফর্ম দেওয়া হয়েছে। এখান থেকে ফর্মটি সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে পূরণ করে আবেদন জমাদান কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

বিসিএস অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরন পদ্ধতি তে ফর্ম পূরণে রয়েছে তিনটি ধাপ। এই তিনটি ধাপই পূরন করতে হবে। ধাপগুলো হচ্ছেঃ

  • ধাপ ১ঃ ব্যক্তিগত তথ্য।
  • ধাপ ২ঃ শিক্ষাগত যোগ্যতা।
  • ধাপ ৩ঃ ক্যাডার পছন্দ।

বিসিএস অনলাইন আবেদম ফর্মে যা যা পূরন করতে হবে তা নিম্নে ক্রমান্বয়ে দেওয়া হলোঃ

Personal Information:

Applicant’s Name: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা শিক্ষাগত সনদপত্রে যেইভাবে আপনার নাম লেখা রয়েছে ঠিক সেইভাবে ক্যাপিটাল লেটারে নাম টাইপ করতে হবে।

Father’s Name: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা শিক্ষাগত সনদপত্রে যেইভাবে আপনার বাবার নাম লেখা রয়েছে ঠিক সেইভাবে ক্যাপিটাল লেটারে নাম টাইপ করতে হবে।

Mother’s Name: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা সনদপত্রে যেইভাবে আপনার মায়ের নাম লেখা রয়েছে ঠিক সেইভাবে ক্যাপিটাল লেটারে নাম টাইপ করতে হবে।

Date of Birth: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা সনদপত্রে যে জন্মতারিখটি দেওয়া আছে সেটাই দিতে হবে। জন্ম তারিখ ভুল হলে আবেদন ক্যান্সেল হয়ে যেতে পারে।

Gender: এখানে Male, Female আপনার লিঙ্গ অনুযায়ী সিলেক্ট করতে হবে। আর আপনি এর ব্যতিক্রম কোনো লিঙ্গএর হলে Third Gender অপশন সিলেক্ট করে দিতে হবে।

Employment Status: এখানে মূলত আপনি কোনো পেশায় যুক্ত আছেন কিনা তা সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। যেমনঃ আপনি কোনো পেশায় যুক্ত না থাকলে বা বেকার হলে “Not Employed” সিলেক্ট করে দিবেন। আর যদি পেশায় যুক্ত থাকেন তাহলে কয়েকটি অংশ রয়েছে। যেমনঃ Regular Basis under Revenue Budget, Autonomous or Semi-autonomous Organisation, Private Organisation ইত্যাদি। আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী এগুলো সিলেক্ট করতে হবে।

Regular Basis under Revenue Budget সিলেক্ট করবেন যদি আপনি রাজস্ব খাতের সরকারি চাকরি করেন। Autonomous or Semi-autonomous Organisation সিলেক্ট করবেন যদি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। Private Organisation সিলেক্ট করুন যদি আপনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করে থাকেন।

পেশায় থাকলে এই অংশটুকু এইভাবে পূরণ করতে হবে আর পরবর্তীতে আপনার কর্মরত প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে Non Objection Certificate (NOC) নিয়ে সেটা পিএসসি কে জমা দিতে হবে। তবে বেকারদের এসব ফর্মালিটিস করতে হবে না।

Ethnic Minority: বিসিএস আবেদন ফর্মে এই অংশে জানতে চাইবে আপনি উপজাতি কিনা। আপনি উপজাতি না হলে No আর উপজাতি হলে Yes সিলেক্ট করতে হবে।

Freedom Fighter Status: কোটা সুবিধা বিসিএস পরীক্ষার ক্ষেত্রে এখন আর নেই। তাও এই কোটা টি রাখা হয়েছে বয়স নিরূপণ করার জন্য। তবে স্বাস্থ্য ক্যাডারের প্রার্থীরা মুক্তিযুদ্ধের এই কোটাটির সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। 

  • No Freedom Fighter – মুক্তিযুদ্ধের কোটা না থাকলে এই অপশন সিলেক্ট করবেন।
  • Child of Freedom Fighter – মুক্তিযুদ্ধের কোটা থাকলে আর আপনি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হলে এই অপশন সিলেক্ট করবেন। 
  • Grand Child of Freedom Fighter – মুক্তিযুদ্ধের কোটা থাকলে আর মুক্তিযোদ্ধার নাতি/নাতনি হলে এই অপশন সিলেক্ট করবেন।

Marital Status: বিবাহিত হলে “Married” সিলেক্ট করবেন এবং আপনার পার্টনারের নাম লিখবেন। আর অবিবাহিত হলে Single দিয়ে দিবেন। 

Nationality: এখানে তেমন কোনো কাজ নেই। আগেই বাংলাদেশি সিলেক্ট করে দেওয়া থাকবে।

Disability: প্রতিবন্ধী না হলে None সিলেক্ট করে রাখবেন। আর প্রতিবন্ধী হলে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে Visual Disabled সিলেক্ট করতে হবে। আর শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে Physical Disabled ক্লিক করবেন।

Height: এখানে আপনার উচ্চতা দিতে হবে সেন্টিমিটারে। আপনার উচ্চতার পরিমাপ যদি ফিট বা ইঞ্চিতে জানেন তাহলে ফিটকে ১২ দিয়ে গুণ করে ইঞ্চি যোগ করবেন। তারপর ওই ফলকে ২.৫৪ দিয়ে গুণ করলেই পেয়ে যাবেন সেন্টিমিটারে আপনার উচ্চতা।

Weight: নিজের ওজন আগেই পরিমাপ করে নিবেন। কিলোগ্রামে ওজন দিতে হবে।

Present Address: এই অংশটি নির্ভুল রাখার চেষ্টা করবেন। আপনি উত্তীর্ণ হলে একটা পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে। সেখানে কোনো ভুল তথ্য প্রমানিত হলে আপনার বিসিএস ক্যান্সেল হয়ে যেতে পারে। তাই বাড়ি, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ডাকঘর, ডাকঘরের কোড ইত্যাদি নির্ভুলভাবে ক্যাপিটাল লেটারে টাইপ করুন। চিঠিপত্র সব এই ঠিকানাতেই পাঠানো হবে।

Permanent Address: বর্তমান ঠিকানার ন্যায় এই অংশটি নির্ভুল রাখার চেষ্টা করবেন। আপনি উত্তীর্ণ হলে স্থায়ী ঠিকানাতেও একটা পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে। সেখানে কোনো ভুল তথ্য প্রমানিত হলে আপনার বিসিএস ক্যান্সেল হয়ে যেতে পারে। তাই বাড়ি, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ডাকঘর, ডাকঘরের কোড ইত্যাদি নির্ভুলভাবে ক্যাপিটাল লেটারে টাইপ করুন।

Contact Mobile: আপনার ব্যবহৃত সচল ফোন নম্বরটি এখানে দিবেন। যেটাতে আপনি সকল ধরনের আপডেট পেতে চান। ফোন নম্বরটি যেনো বন্ধ না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারন আবেদন, পরীক্ষা, টাকা পরিশোধ, ফলাফল ইত্যাদি সম্পর্কিত সব ধরনের আপডেট ওই নম্বরে পাঠানো হবে।

Re-type Mobile: উপরে যেই নম্বরটি দিয়েছেন, তা আবার দিন।

Exam Centre: আপনার সুবিধাজনক বিভাগটি সিলেক্ট করুন। অর্থাৎ কোন বিভাগে পরীক্ষা দিতে আপনার সুবিধা হবে সেই বিভাগ সিলেক্ট করার সুযোগ পাবেন। পরবর্তীতে পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। তাই জেনে বুঝে সিলেক্ট করুন।

Question Version: আপনি কি পরীক্ষাটি সম্পূর্ণ ইংলিশ ভার্সনে দিতে চান? যদি চান তাহলে ইংলিশ সিলেক্ট করে দিবেন। আপনাকে পরীক্ষায় ইংলিশ ভার্সনের প্রশ্ন দেওয়া হবে। আর যদি চান যে কোশ্চেন ভার্সন ইংলিশে দরকার নেই তাহলে এই অংশে কিছুই করতে হবে না। ফাকা রেখে পরবর্তী স্টেপে চলে যান।

এই ছিলো বিসিএস অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরনের প্রথম ধাপ। এটা বার বার পরে রিভিউ করে “The Above information is correct and I would like to go to the Next Step” এ ক্লিক করে পরের ধাপ “শিক্ষাগত যোগ্যতা” এ চলে যান।

গুরুত্বপূর্ণ:

Educational Information

SSC or Equivalent: আপনার এসএসসি রোল, রেজিঃ, বোর্ড, পরীক্ষার নাম, রেজাল্ট, গ্রুপ, সন ইত্যাদি সার্টিফিকেট অনুযায়ী নির্ভুলভাবে দিতে হবে।

HSC or Equivalent: আপনার এইচএসসি রোল, রেজিঃ, বোর্ড, পরীক্ষার নাম, রেজাল্ট, গ্রুপ, সন ইত্যাদি সার্টিফিকেট অনুযায়ী নির্ভুলভাবে দিতে হবে।

***এখানে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি এর ঘর পূরনে গ্রুপ বা বোর্ডে ”Others” দিলে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর পিএসসি এর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে লিখিতভাবে জানাতে হবে। তাই মনে রাখতে হবে আপনি কোনটা দিচ্ছেন***

Graduation: গ্রাজুয়েশন এর রোল, রেজিষ্ট্রেশন, বিষয়, পরীক্ষার নাম, বিভাগের নাম, রেজাল্ট, পাসের সন, কোর্সের মেয়াদ ইত্যাদি আপনার সার্টিফিকেট বা রেজিষ্ট্রেশন কার্ড অনুযায়ী উল্লেখ করতে হবে। অনেকে Passing Year  আর Result Publish Date এলোমেলো করে ফেলেন। এমন করলে চলবে না। সেশন জটের কারনে পরীক্ষা পিছালেও পরীক্ষা যে সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা সেই অনুযায়ী লিখতে হবে। যারা গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট হওয়ার আগেই অ্যাপিয়ার্ড দিয়ে আবেদন করতে চান তারা ফাইনাল পরীক্ষা শুরু ও শেষের ডেট নির্ভুলভাবে দিবেন।

Masters: আপনার মাস্টার্স করা হয়ে গেলে সেইমভাবে সার্টিফিকেট অনুসারে রোল, রেজিষ্ট্রেশন, পাসের সন, পরীক্ষার নাম, বিষয় ইত্যাদি দিতে হবে।

***এখানে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, Graduation ও Master’s এর ঘর পূরনে গ্রুপ বা বোর্ডে ”Others” দিলে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর পিএসসি এর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে লিখিতভাবে জানাতে হবে। তাই মনে রাখতে হবে আপনি কোনটা দিচ্ছেন***

Additional Qualification for Teachers Training College: আপনার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য না হলে কিছু করার দরকার নেই। আনটাচ রেখে পরের স্টেপে চলে যান। আর প্রযোজ্য হলে সার্টিফিকেট অনুসারে রোল, রেজিষ্ট্রেশনসহ সকল রিকোয়ারমেন্ট পূরন করুন।

Post Related Subjects: আপনি কি জেনারেলে আবেদন করছেন? তাহলে এটা আপনার আসবে না। আর যারা টেকনিক্যাল/ প্রফেশনাল এ আবেদন করবেন তারা সাবজেক্ট চয়েজ দিবেন। 

Cadre Option

ক্যাডার চয়েজ কি দিবেন আগে থেকে ভাবনা চিন্তা করে রাখবেন। অনেকে আবেগে হুট হাট উলটা পালটা দিয়ে রাখে। এটা ঠিক না। আপনার  নিজস্ব যোগ্যতা অনুযায়ী পছন্দকে প্রাধান্য দিবেন। এখানে অনেকগুলো চুজ করার অপশন রয়েছে। আপনি নিজের চয়েজের পাশাপাশি বাবা মা, ভাই বোন, আত্মীয় সবার গুরুত্বকে প্রাধান্য দিতে পারবেন।

ক্যাডার চয়েজ হয়ে গেলে Next বাটনে ক্লিক করবেন। তারপর রিভিউ করার জন্য একটি পেইজ আসবে। পুরো আবেদন ফর্মটি ধৈর্য্য ধরে পড়বেন। কোনো প্রকার ভুল যেনো না থাকে। এরপর Validation code ও Picture Upload বক্সে কাজ করতে হবে।

Validation কোড – বক্সের উপরে যে লেখাটি দেখবেন, নির্ভুলভাবে সেটা বক্সের মধ্যে লিখতে হবে। ক্যাপিটাল লেটার, স্মল লেটার, নাম্বার, সাইন ইত্যাদি ঠিক মত লিখলে আবেদন সফল হবে। একটু সাবধানে করতে হবে।

Upload Photo – এখানে ৮০ কিলোবাইটের কম একটি সদ্য তোলা ছবি আপলোড দিতে হবে। ছবিটি অবশ্যই রঙিন হতে হবে এবং ৩০০*৩০০ পিক্সেলের সাইজ বানিয়ে আপলোড দিলে ভালো। ছবি অবশ্যই সদ্য তোলা ছবি এবং বেশি এডিট করা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। আর চোখে সানগ্লাস, মুখ, কান ঢাকা এমন ছবি দিবেন না।

Upload Signature – একটি স্বাক্ষর করে আপলোড দিন। ৩০০*৮০ পিক্সেলের বানিয়ে দিবেন। এই স্বাক্ষরটি পরবর্তীতে সব জায়গায় দিতে হবে তাই বুঝে শুনে আপলোড দিবেন।

সব ঘর সঠিকভাবে পূরন করা হয়ে গেলে এবার সাবমিট করার পালা। আরেকবার সম্পূর্ণটা পড়ে দেখুন সব ঠিক আছে কিনা। এরপর “Submit the Application” ক্লিক করুন। এরপর আপনার ইউজার আইডি সম্বলিত Applicant’s Copy বের হয়ে আসবে। এটা যত্ন করে রেখে দিতে হবে।

আশা করি, বিসিএস অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরনের প্রতিটি ধাপ ভালোভাবে বুঝেছেন। এরপর আর ভুল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

আবেদন ফি জমাদান পদ্ধতি

আবেদন ফী জমা দেওয়ার জন্য টেলিটক সিম ব্যবহার করতে হবে। আপনি এপ্লাইয়ের পরে যে এপ্লিক্যান্ট কপিটি পেয়েছেন, তাতে নির্দেশনা দেওয়া আছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী টেলিটক সিম ব্যবহার করে আবেদন ফী জমা দিতে হবে। টাকা প্রদান করা হলে আপনার মোবাইলে একটি পাসওয়ার্ড চলে আসবে। উক্ত পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনি bpsc.teletalk.com.bd website এ গিয়ে এডমিট কার্ড ডাউনলোড করে নিবেন। এডমিট কার্ড পেমেন্ট করার পরেই ডাউনলোড করতে পারবেন।

এভাবে ধাপে ধাপে বিসিএস অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

BCS Apply Process

BCS Apply Process একটু খুব বেশি কঠিন নয়। তবে অনেক সময়ের ব্যাপার, একটু ধৈর্য্য ধরে পুরো প্রসেসটি সম্পন্ন করতে হয়। এখানে বিসিএস অনলাইন আবেদন ফর্মের প্রতিটি ধাপ সুন্দর করে বর্ণনা করা হয়েছে। আশা করি, পুরো লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন। বা আপনি আবেদন করার সময় লেখাটি স্টেপ বাই স্টেপ ফলো করতে পারেন। তাইলে নিজে একাই পুরোটা করে ফেলতে পারবেন। একটু সতর্ক থাকলে ভুল হওয়ার চান্স নেই। 

আগে আপনাকে দেখতে হবে বিসিএস এ এপ্লাই করার যোগ্যতা তোমার আছে কি না। সাধারণত গ্রাজুয়েট হওয়ার পর আপনি বিসিএস এ এপ্লাই করতে পারবেন। অনেক সময় এপিয়ার্ড দিয়েও আবেদন করা যায়। কিন্তু তাতে ফাইনাল পরীক্ষার শুরু ও শেষ হওয়ার অরিজিনাল ডেট দিতে হবে। এপ্লাই এর যোগ্যতা হলে বিসিএস এ আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

আগে জেনে নিন কি কি তথ্য দিতে হবে এবং কি কি সিদ্ধান্ত আগে থেকে ঠিক করে রাখতে হবে। সব কালেক্ট করে তারপর আবেদন করে ফেলুন। বিসিএস অনলাইন আবেদন এর এই আর্টিকেলটিতে সম্পূর্ণ বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়েছে। এটা ফলো করে নির্ভুলভাবে আবেদন করে টাকা জমা দিয়ে এডমিট তুলুন।

বিসিএস আবেদন ফরম

বিসিএস আবেদন ফরম

উপসংহার: বিসিএস অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরন পদ্ধতি আগের চেয়ে তূলনামূলক সহজ বিষয় হয়ে গেছে। তবে আমরা ছোট খাটো ভুল ক্লিক করে বসি। অনলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে প্রতিটি ধাপ শেষ করার পর বার বার রিভিউ করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। কেননা ভুল ক্লিক হতেই পারে। তাছাড়া এই আবেদনের কাজগুলো প্রায়ই আমরা নিজে না করে বিভিন্ন অনলাইনের কাজ করে এমন শপ থেকে করে থাকি।

তারা যদিও অভিজ্ঞ তবুও ভুল হতেই পারে। আর হ্যাঁ, অবশ্যই পুরো আবেদনটি সাবমিট করার আগে নিজেই চেক করে নিবেন। সাবমিট করার আগে পর্যন্ত যেকোনো ভুল শুধরানোর সুযোগ রয়েছে। কিছু কিছু বিষয় সম্পর্কে আবেদন করার আগে ভালোভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। আবেদন করার সময় বিষয়গুলো সামনে আসলে যেনো সহজে পূরন করা যায়। যেমনঃ ক্যাডার অপশন সম্পর্কে অনেকেই জানেন না আপনি কোনটা সিলেক্ট করবেন।

এ বিষয়ে আগেই সিদ্ধান্ত নিন। অপশন গুলো আগেই বিশ্লেষণ করে বেছে নিন আপনার পছন্দ যেটি। আবার কোশ্চেন ভার্সন এর ক্ষেত্রেও সেইম। আগেই ডিসাইড করে নিন আপনি ইংলিশে এক্সাম দিবেন নাকি নর্মাল সিস্টেমে দিবেন। 

এই ছিলো বিসিএস অনলাইন আবেদন সম্পর্কে আমাদের আয়োজন। আশা করি, এই আর্টিকেলটি ফলো করলে আপনার বিসিএস অনলাইন আবেদন এ কোনো ভুল হওয়ার চান্স থাকবে না। আপনাদের যদি আরো কিছু জানার থাকে বা পরবর্তীতে আপনারা কোনো বিষয় সম্পর্কে জানতে চান অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাতে পারেন। আমরা চেষ্টা করবো আপনার পরামর্শ নিতে। আপনার জন্য রইলো অনেক অনেক শুভ কামনা।

1 Comment
  1. Nur Mohammad says

    আসসালামু আলাইকুম।
    BCS এর জন্য আবেদন সম্পন্ন করে টাকা Pay করে Admit Card তোলার ১৬ দিন পর আজকে আমার কাছে Submission error ম্যাসেজ আসলো! বলা হলো নতুন করে আবেদন করতে এবং নতুন ইউজার নেম দ্বারা টাকা পরিশোধ করতে। এর কারণ কি হতে পারে এবং এখন আমার করণীয় কি? কেউ জানাতে পারলে উপকৃত হতাম। অগ্রীম ধন্যবাদ 🙂

Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex