vlxxviet mms desi xnxx

ঘরে বসে মেকআপ করার পদ্ধতি

0

ঘরে বসে মেকআপ করার পদ্ধতি: মেয়ে মানেই হচ্ছে মেকআপ করা। এমন অনেক মেয়ে আছে যারা মেকআপ করতে খুব পছন্দ করে। মেকআপ করা পছন্দ করে না এমন মেয়ে খুঁজে পাওয়া এই যুগে দুঃসাধ্য। মেকআপ করা এই যুগে একটি সাধারণ বিষয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বিয়ে, জন্মদিন,সেমিনার ইত্যাদি গুলোতে মেকআপ করতেই হবে। তাছাড়া যারা মডেল তারা তো মেকআপ করবেই। কারন মেকাপের জন্য তাদের সৌন্দর্য বেড়ে যায়।

তবে, আজকাল মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেরা মেকআপ করে থাকে। শুধু মেকআপ করলেই হয় না সঠিক পদ্ধতি জানতে হবে। তাই রয়েছে সঠিক মেকআপ করার পদ্ধতি। যে পদ্ধতিতে অবলম্বন করলে মেকআপ করা সহজ এবং সুন্দর হবে। মেকআপ সুন্দর করে করার জন্য অবশ্যই মেকআপ সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখতে হবে। এবং জানতে হবে মেকআপ করার জন্য ব্যবহৃত সব সামগ্রীর নাম ও দাম। 

আপনারা আমাদের এখানে মেকআপ করার সঠিক পদ্ধতি জানতে পারবে এবং এর পাশাপাশি মেকআপ করার সকল সামগ্রীর নাম জানতে পারবেন। আপনি কোন অনুষ্ঠানে কোন ধরনের মেকআপ করবেন সেটা আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন

আরো পড়ুন: ঘরোয়া পদ্ধতিতে রূপচর্চা

ঘরে বসে মেকআপ করার পদ্ধতি 

আমরা সকলেই নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে চাই। নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য নিজেদেরকে পরিপাটি হয়ে থাকতে হয়। আর আমাদের এই পরিপাটি হয়ে থাকার জন্য কিছু প্রসাধনী সামগ্রী ব্যবহার করে করতে হয়। যা আমাদেরকে বাহ্যিকভাবে আরো সুন্দর করে তোলে। মেকআপ কিভাবে করে? এই প্রশ্ন নিয়ে আপনাদের মধ্য অনেক সংকোচ কাজ করে। তবে এখন আমরা ঘরে বসে মেকআপ করতে পারি। আরে ঘরে বসে মেকআপ করার জন্য আমাদের কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বা নিয়ম মনে রাখলেই হবে। 

তবে আমরা অনেকে ঘরে মেকআপ করতে ভয় পাই। আমরা যদি সঠিক পদ্ধতি বা কৌশল জানতে পারি এবং তা ব্যবহার করতে পারি তাহলে আমাদের আর ভয় নেই। যে কোন অনুষ্ঠানের জন্য আমরা নিজেকে তৈরি করে নিতে পারবেন ঘরে বসেই। 

আর আমাদের  ঘরে বসে মেকআপ করার নিয়ম গুলো হচ্ছে-

  • মেকআপ করার আগে সর্বপ্রথম আপনাকে আপনার ফেস পরিষ্কার করে নিতে হবে। আর ফেস পরিষ্কার করার জন্য আপনি যেকোনো ভালো মানের ফেসওয়াশ বা স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। 
  • এরপর আপনাকে একটি ভালো মানের টোনার ব্যবহার করতে হবে। 
  • টোনার ব্যবহার করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর আপনাকে একটি ভাল মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। 
  • আপনি যদি দিনের বেলা বাইরে বের হন তাহলে আপনাকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করার পরে আপনাকে সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। 
  • এরপর আপনাকে ফেস মেকআপ করার জন্য ফাউন্ডেশন এবং কনসিলার ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। 
  • এখন লুজ পাউডার দিয়ে ফাউন্ডেশন এবং কনসিলার সেট করে নিতে হবে। 
  • নিজের ইচ্ছেমতো অনুষ্ঠান অনুযায়ী আপনি আপনার চোখের মেকআপ করে নিতে পারেন। 
  • চোখের মেকআপ করার পর আপনার ফেস এর কন্ট্রোলিং, ব্লাশ এবং হাইলাইটার ব্যবহার করে নিতে হবে। 
  • এরপর আপনার ইচ্ছে এবং রুচি অনুযায়ী লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। 
  •  সর্বশেষে, আপনার সম্পূর্ণ ফেস মেকআপ ভালোভাবে সেট করার জন্য সেটিং স্প্রে দিবেন।  তবে মনে রাখবেন দেওয়ার সময় আপনার চোখ এবং নিঃশ্বাস বন্ধ করতে হবে।

মেকআপ করার জিনিসের নাম

আমরা অনেকে মেকআপ করতে চাইলে তবে আমাদের এটা জানা থাকে না মেকআপ করার জন্য কি কি লাগে। মেকআপ করার আগে বা মেকআপ সামগ্রী কেনার আগে আপনাকে সবার আগে মনে রাখতে হবে আপনার ত্বকের ধরন কোনটি। ত্বকের ধরন অনুসারে মেকআপ সামগ্রী ক্রয় করতে হয়। ত্বক বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমনঃ ন্যাচারাল ত্বক , তৈলাক্ত ত্বক এবং শুষ্ক ত্বক। এছাড়াও আপনার ত্বকের রং কি রকম অর্থাৎ আপনার স্কিন কালার অনুসারে আপনাকে মেকআপ ক্রয় করতে হবে। বিশেষ করে ফাউন্ডেশন এবং কনসিলার। মেকআপ করার জিনিসের নাম

এরপর আপনাকে এটা মাথায় রাখতে হবে যে ভালো মেকআপ এর নাম। ভালো মানের মেকআপ ক্রয় করতে হলে আপনাকে ভালো মানের মেকআপ সম্পর্কে একটি সাধারণ ধারণা রাখতে হবে। এবং বাজারে কোন ব্র্যান্ডের মেকআপ ভালো সেদিকে নজর রাখতে হবে। এছাড়াও আপনাকে যে ধরনের মেকআপ ক্রয় করবেন সে ধরনের মেকআপ এর দাম সম্পর্কে একটি ধারণা রাখতে হবে। 

মেকআপ করার জন্য আপনাকে যা যা জানতে হবে তা হচ্ছে-

  • ফেসওয়াশ
  • স্ক্রাব
  • টোনার 
  • মশ্চারাইজার
  • প্রাইমার
  • ফাউন্ডেশন
  • কনসিলার
  • ফেস পাউডার
  • আই শেডো বক্স
  • মাশকারা
  • আইলাইনার
  • আই লেশ
  • কন্ট্রোলার
  • ব্লাশন
  • হাইলাইটার
  • লিপস্টিক
  • সেটিং স্প্রে
  • ব্যানানা লাক্সারী পাউডার
  • কাজল
  • মেকআপ রিমুভার
  • মেকআপ ব্রাশ ইত্যাদি ইত্যাদি।

(আপনার যে কোনো মেকআপ সামগ্রীর দাম ভিন্ন হবে। কারন এটি বাজার চাহিদা এবং কোম্পানি ভেদে ভিন্ন হয়।)

চোখের মেকআপ

আপনার মুখমন্ডলের আকর্ষণীয় অংশ হচ্ছে আপনার চোখ। আর আপনি যখন আপনার চোখ আকর্ষণীয় ভাবে সাজাতে পারবেন তখনই আপনার চোখ হয়ে উঠবে অমূল্য রতন। আপনি যখন একজন ব্যক্তির দিকে তাকান তখন সবার আগে চোখের দিকে নজর যায়। তাই আমরা মেয়েরা চোখ খুব সুন্দর ভাবে সাজাতে পছন্দ করি। আর চোখ সাজানোর জন্য আমাদের অনেক ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে হয়। আমরা এই নিয়মগুলো যদি ভালোভাবে পালন করতে পারে তাহলে চোখের মেকআপ হবে আকর্ষণীয় এবং অতি সৌন্দর্য নয়।

চোখের মেকআপ

চলুন জেনে নেই আমাদের চোখের মেকআপ করতে কি কি লাগে

আই ভ্রু:

প্রথমে আপনি আপনার পছন্দ মত যে কোন আই ভ্রু পমেট নিয়ে আই ভ্রু এঁকে নিতে পারেন।

আই ফাউন্ডেশন:

আপনাকে চোখের উপরের পাতাতে ভালো করে ফাউন্ডেশন লাগিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। 

আইশ্যাডো:

চোখের মেকআপ করার জন্য সবচেয়ে মজার এবং সৌন্দর্যের প্রধান অংশ হচ্ছে আইশ্যাডো। আইশ্যাডো আপনি যখন করবেন তখন আপনি আপনার ইচ্ছে মত করে আপনার চোখের মেকআপ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি যখন যে অনুষ্ঠানে যাবেন সে অনুষ্ঠান এবং আপনি যে ধরনের জামা পড়বেন সে জামার রং অনুসারে আপনি আপনার আইশ্যাডো করে নিতে পারেন। 

আইলাইনার:

আইলানা হচ্ছে এক ধরনের কাজলের মত যেটা আপনার চোখের উপরের পাতাতে দেয়া হয়। তবে আপনি যদি না চান তাহলে নাও দিতে পারেন। 

কাজল:

কাজলও ঠিক একই রকম আপনি ইচ্ছে করলে দিতে পারেন আবার নাও দিতে পারেন। তবে কাজল দিলে চোখের সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি পায়। 

মাস্কারা:

আপনার চোখের পাপড়ি কে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে আপনি আমাকে চোখের পাপড়িতে মাসকারা ব্যবহার করতে পারেন। 

ফলস আইল্যাশ:

আপনার চোখের আকর্ষণকে বৃদ্ধি করতে এবং আপনার ছোট চোখকে আরো বড় করে উপস্থাপন করার জন্য আপনি ফলস আইল্যাশ ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে ফলস আইল্যাশ ব্যবহার করার জন্য আপনাকে প্রথমে ফলস আইল্যাশ নিয়ে সেখানে গুলু দিয়ে ভালো করে চোখে লাগিয়ে শুকিয়ে নিলেই হবে।

পার্লারের মেকআপ

মেকআপ করার ক্ষেত্রে আপনি ঘরে বসে অথবা পার্লারে গিয়ে মেকআপ করতে পারেন। আপনার যদি গুরুত্বপূর্ণ কোনো অনুষ্ঠানের দাওয়াত থাকে অথবা আপনি নিজেই যদি কোন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে থাকেন তাহলে আপনার পার্লারে গিয়ে মেকআপ করা উচিত হবে। কারণ পার্লারে মেকআপ আর্টিস্ট থাকে তারা খুব ভালো করে সাজিয়ে দেয় এবং আপনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে।

মূলত আপনি যখন কোন বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠান, জন্মদিন, গায়ে হলুদ বা যে কোন ধরনের আকর্ষণীয় অনুষ্ঠানে যেতে চান তখন আপনাকে পার্লারে মেকআপ করতে যাওয়া উত্তম হবে। কারণ আমরা ঘরে বসে শুধু নিজেদের প্রতিদিনের যে মেকআপ সেগুলো করতে পারি। পার্লারের মত করে ভারি মেকআপ করতে পারি না। যেমনঃ পার্টি মেকআপ লুক,ন্যাচারাল মেকআপ লুক, হলুদের অনুষ্ঠানের লুক, ব্রাইডাল লুক, এনগেজমেন্ট অনুষ্ঠানে লুক সহ বিভিন্ন ধরনের মেকআপ লুক করতে পারি। 

পার্লারে গেলে কি শুধু মেকআপ করা যাবে তা নয়। পার্লারে মেয়েদের চুলের বিভিন্ন ধরনের স্টাইল করা যাবে। চুলে এমন অনেকে স্টাইল আছে যেটা একা করা সম্ভব নয়। তাই আমাদের পার্লারে গিয়ে চুলের স্টাইল সহ মেকআপ করলে খুব ভালো হয় এবং আমাদেরকে আকর্ষণীয় ও সুন্দর দেখায়। 

এছাড়াও পার্লারে যেয়ে আমাদের অন্যান্য অনেক ধরনের সেবা নেয়া হয়। যেমনঃ মেনিকিউর-পেডিকিউর, হেয়ার স্পা, বডি স্পা, ভ্রু প্লাক, হেয়ার কাট এবং বিভিন্ন ধরনের ফেসিয়াল। আর এই ধরনের সেবা আমরা নিজেরা বাড়িতে বসে একা একা করতে পারি না। কারণ এই ধরনের সেবা নিতে হলে অনেক ধরনের যন্ত্রপাতি এবং অনেক ধরনের পণ্যের প্রয়োজন হয় যা আমাদের কাছে সহজলভ্য নয়। তাই আমরা পার্লারে গিয়ে মেকআপ সহ অনেক ধরনের স্কিন কেয়ার এবং বডি কেয়ার এর সেবা নিয়ে থাকি।



ন্যাচারাল মেকআপ

ন্যাচারাল মেকআপ বলতে বুঝায় আপনি প্রাকৃতিক ভাবে অথবা জন্মগতভাবেই যেরকম দেখতে, ঠিক সেরকম রেখে একটি আকর্ষণীয় মেকআপ লুক হবে। যেখানে আপনাকে অতিরিক্ত সাদা দেখাবে না অথবা অতিরিক্ত কালো দেখাবে না। একদম সাধারণ সাদামাটা মেকআপ লুক নিয়ে আসবে। আর এ ধরনের মেকআপ করতে একাধিক পণ্য ব্যবহার করা হলেও কিন্তু দেখতে একদম সাধারন মনে হয়। ন্যাচারাল মেকআপ করার সময় অনেক নামিদামি কোম্পানির পন্য ব্যবহার করা হয়।

তবে অনেকে বলে থাকে ন্যাচারাল মেকআপ মানে নুড কালার মধ্যে যেগুলো করা হয় সেগুলো তবে আসলে তা নয়। ন্যাচারাল মেকআপ আপনাকে সাধারণ থেকে অসাধারণ করে তুলবে। এবং আপনি যে যে পন্য ব্যবহার করেছেন সে ধরনের পন্য আপনাকে বুঝতে দিবে না। আপনাকে দেখলে মনে হবে যেন একটু সামান্য কাজল, লিপস্টিক এবং ব্লাশন দিয়ে এসেছেন। কিন্তু আসলে তা নয়। 

আর নেচারাল মেকআপ গুলোর অনেক বেশি সময় ধরে থাকে। কারণ এ ধরনের মেকআপ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ করা হয়। তবে বর্তমানে যে কোন অনুষ্ঠানে মেয়েরা ন্যাচারাল মেকআপ করতে বেশি পছন্দ করে। কারণ সকল মেয়েরাই চায় তাদের নিজস্ব সৌন্দর্য মেকআপ এর মাধ্যমে তুলে ধরতে। অতিরিক্ত মেকআপ নিজের সৌন্দর্য নষ্ট করে এবং অতিরিক্ত মেকআপ নিজের স্কিনের জন্য খারাপ বয়ে আনে। 

তাই বর্তমানে মেয়েরা নেচারাল মেকআপ এর মাধ্যমে  নিজের আকর্ষণীয়তা বয়ে  আনে। ফলে তাদের একদম সাধারণ দেখতে মনে হয়। আপনারা দূর থেকে দেখলে বুঝতে পারবেন না যে, তারা কোনো ভাড়ি মেকআপ ব্যবহার করেছে। অথচ তারা মেকআপ লুক এমনভাবে করা হয়েছে যেন একদম সাধারন ভাবেই দেখতে হয়। আর এটিকে আমরা ন্যাচারাল মেকআপ বলে থাকি।

ছেলেদের মেকআপ

মেয়েরা জন্মগত সৌন্দর্যের পূজারী তাই তারা বেশি সাজতে পছন্দ করে। তবে বর্তমানে ছেলেরাও কিন্তু বেশ সাজতে পছন্দ করে। কারণ বর্তমানে মেয়েরা যে ধরনের মেকআপ ব্যবহার করে এ ধরনের মেকআপ ছেলেরা ব্যবহার করে নিজেদের সৌন্দর্য তুলে ধরে। তবে মেয়েদের মত ছেলেরা এত রঙিন ধরনের মেকআপ ব্যবহার করে না। তারা মেকআপ ব্যবহার করলে একদম সাধারন দেখতে হয়। 

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছেলেরা একদম ন্যাচারাল মেকআপ লুক তৈরি করে। কারণ তাদের অতিরিক্ত মেকআপ মোটেই ভালো লাগবে না। তাই ছেলেরা সাদা মাটা ভাবেই মেকআপ করে। এছাড়াও ছেলেরা বডি কেয়ার, স্কিন কেয়ার এবং হেয়ার কেয়ার করে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছেলেদের জন্য সেলুন তৈরি করা হয়েছে। যেখানে ছেলেদের বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে এবং ছেলেরা যাতে মেকআপ করতে করতে পারে সে সুবিধা রেখেছে তারা। 

টেলিভিশনের পর্দায় যে সকল ছেলেরা কাজ করে তারা প্রচুর পরিমাণে মেকআপ ব্যবহার করে। তারা মেকআপ ছাড়া ক্যামেরার সামনে আসে না। কারণ তাদের দেখতে এরকম আকর্ষণীয় লাগবেনা। আর ক্যামেরার যে লাইট থাকে থাকে সে লাইটের আলো ত্বকের অনেক ক্ষতি করে।  তাই তাদের ক্যামেরার সামনে কাজ করার জন্য কিছু মেকআপ ব্যবহার করতে হয়। ছেলেদের মেকআপ এর অন্যতম উপাদান হচ্ছে ফাউন্ডেশন, ফেস পাউডার এবং সেটিং স্প্রে। তবে আজকাল ছেলেদের মেকআপ করা। অনেক সাধারণ বিষয় হয়ে পড়েছে।

আমরা ছেলেমেয়ে সকলেই সৌন্দর্যের পূজারী। আমরা সকলে সৌন্দর্যের প্রতি আকর্ষণ হই। আর এই আকর্ষণের মধ্যে দিয়ে আমরা আমাদের চাহিদা এবং প্রয়োজন মিটিয়ে থাকি। সৌন্দর্য আমাদেরকে সবসময় আকর্ষণ করে কারণ আমরা যেকোন কিছু নির্বাচনের ক্ষেত্রে সৌন্দর্য এবং প্রয়োজনে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকি। আমরা সকলে জানি মেয়েরা মেকআপ করতে পছন্দ করে কিন্তু আজকাল ছেলেরা মেকআপ করতে পছন্দ করে। 



গুরুত্বপূর্ণ কথা: আশা করি আমরা আপনাকে ছেলে এবং মেয়েদের মেকআপ সম্পর্কে একটি পূর্ণ ধারণা দিতে পেরেছি। এবং আপনারা কিভাবে মেকআপ করবেন সেই মেকআপ করার পদ্ধতি সম্পর্কে আপনাদের পূর্ণ ধারণা দিতে পেরেছি। তবেই আমাদের এটা মাথায় রেখে মেকআপ করতে হবে যেন আমাদের মেকআপ সামগ্রী ব্যবহার করার পর আমাদের ত্বকে যেন কোনো ক্ষতি না করে। ভালো করে দেখে শুনে ভালো মানের মেকআপ ব্যবহার করতে হবে। তবে অবশ্যই যেকোনো মেকআপ পণ্য কেনার আগে আমাদের মেয়াদ উত্তীর্ণ দেখে নিতে হবে। আর যে কোন মেকআপ পণ্য ব্যবহারের দিন থেকে তার দু বছর পর্যন্ত ব্যবহার করতে হবে। এর বেশি ব্যবহার করলে আমাদের ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তাই আমাদের উচিত মেকআপ ব্যবহার করার আগে ও পরে ভালোভাবে মেকআপ সম্পর্কে জেনে নেওয়া। আর অন্যদিকে আমরা যখন মেকআপ ব্যবহার করার পর মেকআপ তুলে ফেলবো তখন একটি ভালো মেকআপ রিমুভার দিয়ে আমরা আমাদের ত্বক পরিষ্কার করবো। এবং ভালো একটি ফেসওয়াশ দিয়ে আরো ভালোভাবে ত্বক পরিষ্কার করে নেব। এমনভাবে ত্বক পরিষ্কার করব যাতে ত্বকে কোন মেকআপ না লেগে থাকে। মেকআপ ব্যবহার করার আগে অবশ্যই সতর্ক হব এবং মেকআপ পণ্য ব্যবহার করার সময় সম্পূর্ণ ধারণা এবং জ্ঞান অর্জন করে নেয়া উত্তম।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex