vlxxviet mms desi xnxx

ইংরেজিতে কথা বলার সহজ উপায়

0

ইংরেজিতে কথা বলার সহজ উপায় (Easy way to speak English)

সারা বিশ্বব্যাপী প্রচলিত একটি আন্তর্জাতিক ভাষা হচ্ছে ইংরেজি। ইংরেজি ভাষা জানা থাকলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের যেয়ে আপনি যে কারো সাথে সহজে কমিউনিকেট করতে পারবেন। বিশ্বের একেকটি কান্ট্রিতে একেক ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়। একজন মানুষের পক্ষে কখনই এতগুলো ভাষাৱ উপর দক্ষ হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু ইংরেজি হচ্ছে এমন একটি ভাষা যেটি কিনা সব দেশের মানুষ ই ব্যবহার করে থাকে। অন্যান্য কান্ট্রি মানুষেরা যত সহজে ইংরেজি ভাষাটাকে আয়ত্তে নিতে পারে আমরা বাঙালিরা সেটি তত সহজে আয়ত্ত করতে পারিনা।

আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলে অভ্যস্ত। জন্মের পর থেকে আমরা মায়ের কাছ থেকে বাংলা ভাষায় শিখে থাকি। তাই ইংরেজি ভাষাটাকে আমাদের কাছে অনেক কঠিন মনে হয়। বাঙালিরা ইংরেজি যত সহজে লিখতে বা পড়তে পারে ঠিক তত সহজে ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে পারে না। আজকের এই আর্টিকেলটিতে মূলত আমি আলোচনা করব ইংরেজিতে কথা বলার সহজ উপায় নিয়ে। ইংরেজি লিখতে পারি পড়তে পারি বলতেও পারি কিন্তু কমিউনিকেট করতে আমাদের খুব ইতস্ত বোধ হয়। চলুন তাহলে ইংরেজিতে কথা বলার সহজ উপায় সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

ইংরেজিতে কথা বলার সহজ উপায়:

আমরা যারা ইংরেজি মোটামুটি ভালই বুঝি কিন্তু ইংরেজিতে কথা বলতে পারি না বা কথা বলার সময় আমাদের খুব লজ্জা লাগে তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি খুবই উপকারে আসবে। আমরা ছোটবেলা থেকে ইংরেজিতে কথা বলতে অভ্যস্ত নই তাই এই ভাষাটা তে কথা বলতে আমাদের একটু কষ্ট হবে। তাই আমাদের মনে ইংরেজি ব্যাপারে যেটা রয়েছে সেই ভয়টাকে কাটি আমরা কিভাবে সহজে ইংরেজিতে কথা বলতে পারবো তার কিছু সহজ উপায় আজ আমি আপনাদের বলে দিচ্ছি। আশা করছি এরপর আর আপনাদের ইংরেজিতে কথা বলতে কোন সমস্যা হবে না। আপনারা খুব সহজেই ইংরেজিতে যে কারো সাথে কমিউনিকেট করতে পারবেন।

ইংরেজিতে কথা বলা শিখার জন্য আজকাল অনলাইনে কিংবা অফলাইনে বিভিন্ন ধরনের কোর্স রয়েছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনেক ধরনের কোর্সের মাধ্যমে মানুষকে ইংরেজি শেখানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু আপনি যদি চান কোনো রকম কোনো খোঁজ করা ছাড়াই বাসায় বসে নিজে নিজেই ইংরেজিতে কথা বলা শিখতে তাহলে কে দেওয়া উপায়গুলো বাসায় প্র্যাকটিস করে দেখতে পারেন। আশা করছি এগুলো আপনার অনেক কাজে আসবে।

বেশি বেশি ওয়ার্ড মিনিং শিখুন:

ইংরেজিতে কথা বলা শিখতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে বেশি বেশি ওয়ার্ড এর মিনিং জানতে হবে যাতে যেকোনো ওয়ার্ড এর মিনিং আপনি সহজেই বুঝতে পারেন। যত বেশি আপনি ওয়ার্ড মিনিং শিখবেন ততো তাড়াতাড়ি আপনি ইংরেজি ভাষাকে আয়ত্ত করতে পারবেন। ওয়ার্ড মিনিং জানার জন্য আপনি ডিকশনারি ব্যবহার করতে পারেন অথবা ফোনের বিভিন্ন অ্যাপস রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

নিয়মিত ইংরেজি পড়ার চেষ্টা করুন:

আপনি প্রতিদিন ইংরেজি বই কোন ইংরেজি গল্প অথবা ইংরেজি নিউজ পেপার পড়ার অভ্যাস তৈরি করে নিন। আপনি যদি সেগুলো কোন কিছু বুঝতে নাও পারেন তবুও আপনি গুগল ট্রান্সলেট এর মাধ্যমে সেগুলোর অর্থ বুঝে বুঝে পড়ার চেষ্টা করুন। ইংরেজি উচ্চারণ করতে যদি আপনার সমস্যা হয় তাহলে সেই ক্ষেত্রেও আপনি গুগল ট্রান্সলেটর সাহায্য নিতে পারেন।

গুরুত্বপূর্ণ: কিভাবে Google Translate ব্যবহার করবেন?

প্রথম কয়েক দিন ইংরেজি পড়তে আপনার একটু কষ্টকর হলেও আপনি যদি নিয়মিত এটি পড়া শুরু করেন তাহলেই খুব অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই দেখবেন অনেক সহজ হয়ে যাবে। প্রথম কয়দিন হয়ত আপনার পড়া অনেক ধীর গতির হবে। কিন্তু চিন্তার কোন কারণ নেই আস্তে আস্তে পড়তে পড়তেই দেখবেন আপনার পড়ার স্পিড বেড়ে যাবে।

বিভিন্ন ইংরেজী মুভি দেখুন:

যেদিন থেকে আপনি ইংরেজিতে কথা বলা শেখা শুরু করবেন ঠিক সেইদিন থেকে আপনি ইন্টারনেটে যত কিছু দেখবেন বা শুনবেন চেষ্টা করবেন সবকিছুই জানো ইংরেজিতে হয়। সেটা হোক কোন নাটক কোন সিনেমা কোন গান অথবা কোন কার্টুন।

প্রতিদিনের জন্য টার্গেট সেট করুন:

আপনি প্রতিদিন কত ঘন্টা ইংরেজি শেখার পেছনে ব্যয় করবেন আগে সেটি ঠিক করে নিন। প্রতিদিনের একটি রুটিন তৈরি করুন। সেখানে বাছাই করে নিন যে আপনি কতক্ষণ ইংরেজি ওয়ার্ড মিনিং শিখবেন বা কতগুলো ওয়ার্ড মিনিং শিখবেন কতক্ষণ ইংরেজির বই পড়বেন আর কতক্ষণ ইংরেজিতে কোন কিছু দেখবেন। তবে অবশ্যই চেষ্টা করবেন আপনি প্রতিদিনের যে কাজগুলো করছেন বা যা যা দেখছেন তার সবকিছুই ইংরেজিতে কনভার্ট করে নাও।

যেমন প্রথমে আপনি আপনার ঘরে কি কি ফার্নিচার রয়েছে সেগুলো ইংরেজি নাম জেনে নিতে পারেন। এরপর প্রতিদিনের টুকটাক কাজকর্ম গুলো আপনি করে থাকেন যেমন খাওয়া-ঘুমানো ঘুরতে যাওয়া লেখাপড়া করা এগুলো কে ইংরেজিতে কী বলে সেগুলো জেনে নিতে পারেন।

ছোট ছোট বাক্য বলতে শিখুন:

ওয়ার্ড মিনিং শেখার পাশাপাশি প্রতিদিন কতগুলো ওয়ার্ড মিনিং শিখছেন তার একটি তালিকা রাখুন এবং যেসব ওয়ার্ড মিনিং গুলো শিখছেন সেই ওয়াড মিনিং গুলো দিয়ে ছোট ছোট বাক্য বানানো শিখুন। ওয়ার্ড মিনিং গুলো দিয়ে বাক্য বানানো নিজে নিজেই চেষ্টা করুন না পারলে গুগলের সাহায্য নিতে পারেন। অনেক বেশি প্রেসার নিয়ে আপনাকে কোন কিছু শিখতে হবে না আপনি প্রয়োজনে অল্প অল্প করে শিখুন কিন্তু ভালোভাবে শেখার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন 10 টা থেকে 15 টা করে ওয়ার্ড মিনিং শেখার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি ওয়ার্ড মিনিং গুলো দিয়ে যেতে ছোট ছোট বাক্য তৈরি করে নিতে পারেন তাহলে আপনি কি ওয়ার্ড মিনিং গুলো আৱ সহজে ভুলবেন না।

ইংরেজিতে কথা বলার প্র্যাকটিস শুরু করুন:

আপনি প্রতিদিন যতটুকুই শিখছেন বা যত টুকুই আয়ত্ত করতে পারছেন ততটুকুই কারো সাথে বলে প্র্যাকটিস করার চেষ্টা করুন এতে করে আপনার মনের ভয় দূর হবে। প্র্যাকটিস করার মতো যদি কাউকে না পান তাহলে একা একাই বলার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে আপনি চাইলে একটি আয়নাৱ সাহায্য নিতে পারে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ইংরেজিতে কথা বলার প্র্যাকটিস করুন এতে করে আপনি অন্য কারো সামনে কথা বলার সময় আর লজ্জা পাবেন না। অথবা ফোনে ভিডিও রেকর্ডিং করে রাখতে পারেন। নিজে নিজে বলে সেটা আবার ভিডিওতে দেখুন তাতে করে আপনার ভুলগুলো আপনি বুঝতে পারবেন।

ইউটিউব ভিডিও সাহায্য নিতে পারেন:

ইউটিউবে ইংরেজি শেখার জন্য অনেক ভিডিও রয়েছে যেগুলো আপনাকে সঠিক গাইডলাইন দিবে। তাদের গাইডলাইন গুলো ফলো করুন এবং তারা কিভাবে প্র্যাকটিস করার কথা বলেছে বা কি কি ওয়ার্ড মিনিং জানার কথা বলেছে সেগুলো জানার চেষ্টা করুন।

দক্ষতা বাড়ানো জন্য কোন কমিউনিটির সাথে যুক্ত হন:

প্রাথমিক লেভেলে ইংরেজিতে যা যা শেখা দরকার বা জানা দরকার সেই ব্যাপারে যদি আপনার ধারণা হয় যে থাকে এবং আপনি যদি টুকটাক ইংরেজি শিখে থাকেন তাহলে আপনার দক্ষতাকে আরও বাড়ানোর জন্য আপনি কোন কমিউনিটির সাথে যুক্ত হতে পারেন। সেখানে তারা সঠিক ট্রেইনার এর মাধ্যমে আপনাকে ইংরেজিতে স্কিল ডেভলপ করতে সাহায্য করবে। এবং সেখানে আপনি প্র্যাকটিসেৱ আরো ভালো সুযোগ পাবেন।

ইংরেজিতে কথা বলাৱ সহজ উপায়

মোটামুটি এগুলোই হচ্ছে ইংরেজিতে কথা বলাৱ সহজ উপায়। আশা করছি এর পরও আপনার আর কোন প্রশ্ন থাকবে না এ সম্পর্কে।

উপসংহার: ইংরেজিতে কথা বলার সহজ উপায় কি? আশা করছি এই প্রশ্নের উত্তর আপনারা খুব ভালভাবেই বুঝতে পেরেছেন। উপরে আমি যে কয়টাইংরেজিতে কথা বলার সহজ উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেছি আপনি যদি সেগুলো সঠিক ভাবে পালন করতে পারেন তাহলে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আপনি ইংরেজিতে অনেক দক্ষ হয়ে উঠতে পারবেন।

যেকোনো কাজ শেখার আগে আপনাকে অবশ্যই মাইন্ড সেট করে নিতে হবে যে আপনি অবশ্যই এই কাজটি করতে পারবেন। পৃথিবীতে কোন কাজই কঠিন নয়। ইচ্ছা আর চেষ্টা থাকলে যেকোনো কিছুই সহজে আয়ত্ত করে নেওয়া যায়। আজ এই পর্যন্তই আমার আলোচনা শেষ করছি। আশা করছি আমার দেওয়া উপায় গুলো আপনাদের ভাল লেগেছে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex