vlxxviet mms desi xnxx

খতিয়ান বের করার নিয়ম

2

খতিয়ান বের করার নিয়ম 2022

কোন একটি জমির মালিক আপনি নাকি অন্য কেউ সেটা বের করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সমন্বয় কেই বলা হয় খতিয়ান। যা থেকে আপনি খুব সহজে নির্ধারণ করতে পারবেন যে কোনো একটি জমির আসল মালিক কে। আর আজকের আর্টিকেলে আমি খতিয়ান বের করার নিয়ম গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

হ্যালো বন্ধুরা স্বাগতম আপনাকে Wikipedia Bangla এর নতুন একটি আর্টিকেলে। আমরা প্রতিনিয়ত আপনাদের কে নিত্যনতুন অজানা বিষয় গুলোকে জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি। আর সেই ধারাবাহিকতায় আজকে আমরা খতিয়ান বের করার নিয়ম গুলো সম্পর্কে স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো।

আরো দেখুনঃ অনলাইনে জমির মালিকানা যাচাই.

আর যদি আপনার মধ্যে খতিয়ান সম্পর্কিত কোনো অজানা বিষয় থাকে। তাহলে আজকের পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। তাহলে কথা দিচ্ছি আজকের পর থেকে আপনার মনের খতিয়ান সম্পর্কিত কোন বিষয় অজানা থাকবে না। তো চলুন এবার তাহলে খতিয়ান বের করার নিয়ম 2022 গুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

খতিয়ান কি? (What is Khatian in Bangla?)

যারা মূলত ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে লেখাপড়া করেন তাদের কাছে “খতিয়ান”- শব্দটির অর্থ হল জাবেদা থেকে বিভিন্ন হিসাবসমূহের শ্রেণীবিন্যাস করা।কিন্তু আজকে আমি যে খতিয়ান নিয়ে কথা বলব তা একেবারেই ভিন্ন। কেননা এই খতিয়ান মূলত বিভিন্ন জমি জমার হিসেবে নির্দেশ করে থাকে।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে কোন একটি জমির স্বত্বতা প্রকাশের নিমিত্তে যেসব ডকুমেন্টস বা তথ্য সম্বলিত প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রের সমন্বয়ক কে বলা হয়ে থাকে খতিয়ান। মূলত এই খতিয়ানের মাধ্যমে কোন একটি জমির আসল মালিক কে, তা নির্ধারণ করা যায়। কেননা খতিয়ান এর সাথে সম্পর্কযুক্ত কাগজপত্র গুলোতে জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা থাকে।

যেমন, কোন একটি নির্দিষ্ট জমির দুই বা ততোধিক মালিক এর নাম, পিতার নাম, জমির মালিকের স্থায়ী ঠিকানা, জমির দাগ নম্বর এবং উক্ত জমির পরিমাণ কতটুকু। আর এইসব তথ্য গুলোর মাধ্যমে মূলত কোন জমির মালিক কে তা খুব সহজেই শনাক্ত করা যায়। আর জমির মালিক শনাক্তকরণে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হয় সেই সবগুলো কাগজপত্রের সমন্বয়ক বলা হয় খতিয়ান।

আরো দেখুনঃ জমির হিসাব বের করার নিয়ম.

খতিয়ান কত প্রকার ও কি কি?

খতিয়ান বের করার নিয়ম জানার আগে আপনাকে আরো কিছু বিষয়ে ধারণা রাখতে হবে। সেটি হল খতিয়ান কত প্রকার ও কি কি। কেননা বর্তমান সময়ে আপনি মোট চার (৪) প্রকারের খতিয়ান দেখতে পারবেন। যথাঃ

০১| সি.এস খতিয়ান (CS Khatian): আপনি হয়তো বা জেনে থাকবেন যে 1940 সালে ব্রিটিশ শাসনামল ছিল। আর এই ব্রিটিশ শাসনামলে যেসব খতিয়ান তৈরি করা হয়েছিলো, সবগুলোকেই বলা হয়ে থাকে সি এস খতিয়ান (CS Khatian). বলা বাহুল্য যে এটি ছিলো বাংলার আমলের সর্বপ্রথম জমির খতিয়ান। যা ব্রিটিশ সরকারের হাত ধরে তৈরি করা হয়েছিলো।

০২| এস.এ খতিয়ান (SA Khatian): ব্রিটিশ শাসনামল সমাপ্ত হওয়ার পরে পাকিস্তানের আমলে আরও একটি নতুন খতিয়ান তৈরি করা হয়। আর সেই খতিয়ান কে বলা হয় এস এ খতিয়ান(SA Khatian). ধারনা মতে 1956 সাল থেকে শুরু করে হাজার 1960 সালের মধ্যে এই ধরনের এস এ খতিয়ান তৈরি করা হয়েছিলো।

০৩| আর.এস খতিয়ান (RS Khatian): ব্রিটিশ শাসন আমলের খতিয়ান এবং পাকিস্তান শাসনামলের খতিয়ান গুলোতে বিশেষ কিছু ভুল ত্রুটি ছিলো। সেই কারণেই বাংলাদেশ সরকার পুনরায় সেই ভুল ত্রুটি থাকা খতিয়ান গুলোর সংশোধন করার জন্য আরো নতুন এক ধরনের খতিয়ান তৈরি করে। যাকে বলা হয় আর এস খতিয়ান (RS Khatian).

০৪| বি.এস খতিয়ান (BS Khatian): বর্তমানে চলমান সময় অবধি যেসব খতিয়ান তৈরি করা হচ্ছে সেগুলো কে বলা হয় বি এস খতিয়ান (BS Khatian). আর এই ধরনের খতিয়ান গুলোর কার্যক্রম বর্তমান সময় অবধি চলমান রয়েছে।

জমির খতিয়ান এর প্রয়োজনীয়তা কি? 

আমরা সবাই জানি যে জমি হল আমাদের সবার জন্য অমুল্য সম্পদ। আর আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন জমি কিনে থাকেন। আবার এমনও হতে পারে যে বিভিন্ন প্রয়োজনে আপনাকেও কোনো না কোনো সময়ে জমি কেনার দরকার হতে পারে। আর ঠিক এই সময়েই খতিয়ান বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তবে প্রশ্ন এখানে থেকেই যাচ্ছে যে খতিয়ান কেন আমাদের দরকার হয়?  খতিয়ান এর প্রয়োজনীয়তা কি?- তো চলুন এবার তাহলে সে সম্পর্কে স্বল্প আকারে আলোচনা করা যাক। তাহলে পরবর্তী আলোচনা গুলো আপনার বুঝতে সুবিধা হবে।

দেখুন যখন আপনি কোন স্থানের জমি কিনবেন তখন অবশ্যই আপনাকে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কেননা আপনি যদি সাবধানতা অবলম্বন না করেন তাহলে আপনাকে পড়তে হবে প্রতারকদের হাতে। আর প্রতারকদের প্রতারণা থেকে রেহাই পেতে খতিয়ান বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

কারণ খতিয়ান হল এমন কিছু কাগজপত্রের সমন্বয় যে কাগজপত্রগুলো সঠিকভাবে পর্যালোচনা করে কোন একটি জমির আসল মালিক কে, তা খুব সহজেই নির্ধারণ করা যায়। আর সে কারণেই কোনো জমি ক্রয় বিক্রয় করার সময় খতিয়ানকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই এটা বলা যায় যে কোন জমির স্বস্ততা নির্নয়ে খতিয়ান এর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

আপনি কিভাবে জমির খতিয়ান উঠাবেন?

উপরের আলোচনায় আপনি জমির দাগ নম্বর থেকে খতিয়ানটি বের করুন দাগসূচি সম্পর্কে অজানা তথ্য গুলো জানতে পেরেছেন। আপনি চাইলে এই দাগ নম্বর দিয়ে খতিয়ান বের করার অনলাইন পদ্ধতি গুলো প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। কিন্তু এভাবে প্রিন্ট করা খতিয়ান গুলো বাস্তবিক অর্থে কোনো কাজে আসবে না। কারণ এই ধরনের প্রিন্টেড খতিয়ান গুলোর কোন প্রকার ভ্যালু নেই। আর সেই কারণেই এই কাজগুলো কে অফিশিয়ালি ভাবে করতে হবে।

আর আপনি মূলত মোট 2 ভাবে অফিশিয়াল পদ্ধতিতে জমির দাগ নম্বর থেকে খতিয়ান বের করতে পারবেন। যেমনঃ

  1. ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে
  2. ডিজিটাল পদ্ধতিতে

আপনার উচিত এই দুটি পদ্ধতি সম্পর্কে একটু ধারনা। তাই চলুন এবার এই বিষয়ে স্বল্প আকারে আলোচনা করা যাক।তাহলে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে।

খতিয়ান বের করার নিয়ম ২০২২

আপনি মোট দুইভাবে কোন জমির খতিয়ান বের করতে পারবেন। আর যারা মূলত জমির মালিকানা যাচাই বাছাই করে তারা সবাই এই দুই পদ্ধতিতে জমির খতিয়ান বের করে থাকে তো চলুন এবার সেই জমির খতিয়ান বের করার দুটি পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাক।

০১| সেটেলমেন্ট অফিসঃ প্রথমত আপনাকে সেটেলমেন্ট অফিসে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে আপনাকে খতিয়ানের ভলিয়ম দেখতে হবে। যদি ভলিয়াম এর মধ্যে মিল থাকে, তাহলে বুঝে নিবেন যে উক্ত খতিয়ান এর মধ্যে কোন প্রকার ঝামেলা নেই। কিন্তু আপনি যদি খতিয়ানের সঙ্গে ভলিয়াম এর কোন প্রকার মিল না পান। তাহলে ধরে নিবেন যে উক্ত খতিয়ান এর মধ্যে জালিয়াতি আছে।

০২| অনলাইন মাধ্যমঃ অনলাইন হলো খতিয়ান বের করার নিয়ম এর মধ্যে সবচেয়ে অন্যতম। যেখানে আপনি আপনার ঘরে বসে থেকেই নিজের হাতে থাকা মোবাইল অথবা কম্পিউটার এর মাধ্যমে খতিয়ান যাচাই বাছাই করতে পারবেন।

তো উপরে দুইটি পদ্ধতিতে খতিয়ান বের করার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করেছি। প্রথম পদ্ধতিতে আপনাকে সরাসরি সেটেলমেন্ট অফিসে গিয়ে খতিয়ান যাচাই বাছাই করতে হবে। তবে দ্বিতীয় পদ্ধতিটি আপনি চাইলে নিজে থেকে অনলাইনের মাধ্যমে খতিয়ান যাচাই করতে পারবেন। তবে জানার বিষয় হল যে কিভাবে অনলাইনের মাধ্যমে খতিয়ান যাচাই করা যায়। চলুন এবার তাহলে সে বিষয়ে আলোচনা করা যাক।

অনলাইনে খতিয়ান বের করার নিয়ম 2022

যদি আপনি আপনার ঘরে বসে থেকেই নিজের হাতে থাকা মোবাইল অথবা কম্পিউটার ডিভাইসের সাহায্যে অনলাইনে খতিয়ান বের করার নিয়ম গুলো জানতে চান। তাহলে আপনাকে বেশ কিছু ধাপ অতিক্রম করতে হবে। আর আপনি যদি সেই ধাপগুলো সঠিকভাবে অতিক্রম করতে পারেন তাহলে আপনি খুব সহজেই যেকোনো ধরনের খতিয়ান যাচাই বাছাই করতে পারবেন। আর সেই ধাপগুলো হলোঃ

  1. সবার আগে আপনাকে ভূমি অফিসের মূল ওয়েবসাইটে দিতে হবে। আপনি চাইলে এখানে ক্লিক করে ও ভূমি অফিসের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে পারবেন।
  2. যদি আপনি উপরের লিংকে ক্লিক করেন তাহলে আপনার সামনে একটা বড়সড় একটা ফর্ম চলে আসবে।

অনলাইনে খতিয়ান বের করার নিয়ম

  1. যেখানে প্রথমে আপনাকে বিভাগ নির্বাচন করতে হবে। তো আপনি যে বিভাগের খতিয়ান করতে চাচ্ছেন সেটি আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে। এর পাশাপাশি আপনাকে আপনার জেলা সিলেক্ট করে নিতে হবে।
  2. এরপর আপনি আসলে কোন ধরনের খতিয়ান যাচাই করতে চান সেটি আপনাকে সিলেক্ট করে নিতে হবে।
  3. এরপর আপনি উপজেলা এবং মৌজা নামক দুটি অপশন দেখতে পারবেন। আপনাকে এই অপশন দুটি সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।
  4. সবশেষে আপনি যে খতিয়ান এর যাচাই-বাছাই করতে চাচ্ছেন সে খতিয়ান নম্বর টি উক্ত বক্সে বসিয়ে দিবেন।

উপরোক্ত ফরমটি আপনি সঠিকভাবে পূরণ করার পরে সবার নিচে আপনি একটা ক্যাপচা দেখতে পারবেন। যে ক্যাপচাটি পূরণ করার পরে নিচে “অনুসন্ধান করুন”- নামক অপশনে ক্লিক করার পড়ে আপনি আপনার প্রদত্ত খতিয়ান নাম্বার এর যাচাই-বাছাই করতে পারবেন।

আরো দেখুনঃ জমির দলিল বের করার নিয়ম.

ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে খতিয়ান বের করার নিয়ম ২০২২

যদি আপনি জমির দাগ থেকে খতিয়ান বের করতে চান তাহলে আপনাকে সরাসরি যেতে হবে সেটেলমেন্ট অফিসে। এবং সেখানে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দেয়ার পর আপনি সেখান থেকে ম্যানুয়ালি খতিয়ান নম্বর বের করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে একশত (১০০) টাকা ব্যয় করতে হবে এবং দীর্ঘ একটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে খতিয়ান বের করার 2022

ডিজিটাল পদ্ধতিতে আপনি খুব সহজেই খতিয়ান বের করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে এবং আবেদন করার পরবর্তী দুই সপ্তাহের মধ্যেই আপনি খতিয়ান বের করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আপনার 50 টাকা ব্যয় করার প্রয়োজন পড়বে।

আমাদের শেষকথা: আজকের দিনের জমি হলো অমূল্য একটি সম্পদ। আর এই সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ এবং যাচাই বাছাই করা আমাদের সবার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। আর সেই কারণেই খতিয়ান বের করার নিয়ম গুলো আমাদের সবার জানা দরকার।সেই কারণে আজকের আর্টিকেলে আমি খতিয়ান বের করার নিয়ম গুলো কি স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করেছি।

আর এমন সব অজানা বিষয় গুলো সহজ ভাষায় জানতে উইকিপিডিয়া বাংলার (Wikipedia Bangla) সাথে থাকুন। আর্টিকেলের এই পর্যন্ত আসার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

You might also like
2 Comments
  1. Ak azad says

    Good post

  2. Rieajul says

    Yoyr sharing is very helpful

Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex