vlxxviet mms desi xnxx

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কি?

0

মানব সম্পদ কি? মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কি? 

আজ আপনাদের মাঝে নতুন একটি টপিক নিয়ে হাজির হলাম। আর সেটি হচ্ছে মানব সম্পদ কি? এবং মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কি? আমরা অনেকে মানবসম্পদ শব্দটির সাথে পরিচয় থাকলেও  মানব সম্পদে পরিপূর্ণ অর্থ জানিনা।

এছাড়াও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো সম্পর্কে আমাদের সম্পূর্ণ ধারণা অনেকেরই নেই। আর আমরা যাতে মানব সম্পদ  সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা লাভ করতে পারি সেজন্য আমরা এই আর্টিকেলটি নিয়ে এসেছি। চলুন তাহলে জেনে নেই মানব সম্পদ এবং এর ব্যবস্থাপনার বিস্তারিত।

মানব সম্পদ কি?

আমরা অনেকেই সম্পদ সম্পর্কে জানি। কিন্তু মানব সম্পদ কি তা আমরা জানিনা। তবে সম্পদের গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হচ্ছে মানব সম্পদ। যদিওবা এই সম্পদ দৃশ্যমান নয়, কিন্তু এই সম্পদ মানবজাতির অমূল্য সম্পদ। 

কর্মীদের মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা, প্রতিভা, অদৃশ্যমান গুণ, যোগ্যতা এবং উৎপাদনশীলতা থাকে মানব মূলধন বা মানব সম্পদ বলে। তবে মানব সম্পদ বা মানব মূলধন এর অর্থনৈতিক মূল্য থাকতে হবে।

আরো দেখুনঃ খনিজ সম্পদ কাকে বলে?

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কি?

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে  সার্বজনীন মৌলিক ব্যবস্থাপনা। আর এই মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যবস্থাপনা। তবে সাধারণ অর্থে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে কোন শিল্প কারখানা বা অফিসের কর্মরত শ্রমিকের মধ্যে কর্ম ব্যবস্থাপনাকে বোঝায়।

ব্যাপক অর্থে, ব্যবস্থাপনার যে অংশটুকু প্রতিষ্ঠানে কর্মরত উপাদান সংক্রান্ত প্রশাসন পরিচালনা করা হয়, তাকে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলা হয়।

তবে পূর্বে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন নামে অভিহিত ছিল। আর সেই সকল নাম হচ্ছে- কর্মী ব্যবস্থাপনা, শ্রম ব্যবস্থাপনা, শিল্প ব্যবস্থাপনা এবং কর্মী প্রশাসন।

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে একেক বিশেষজ্ঞ একেক মতবাদ দিয়েছেন। তাই তাদের মতবাদ গুলো নিম্নে তুলে ধরা হলো-

Ricky W. Griffin এর মতবাদ অনুসারে, “পরস্পর সম্পূরক কতিপয় সাংগঠনিক কাজ কার্যকর কর্মীদল আকর্ষণ করেন, সংরক্ষণ এবং উন্নয়নের সাথে জড়িত থাকে সে সকল ব্যবস্থাপনাকে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলা হয়।”

Gray Dessler এর মতবাদ অনুসারে, “একটি প্রক্রিয়া  যা কর্মী সংগ্রহ করে, প্রশিক্ষণ দেয়, মূল্যায়ন করে, ক্ষতিপূরণ এবং তাদের শ্রম সাথে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এবং শ্রমিকের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিয়ে থাকে, তাকে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলে।”

David A. Decenzo  এর মতবাদ অনুসারে, “যে প্রক্রিয়ায় কর্মীর  মধ্যে চারটি কাদের সমন্বয়ে গঠিত হয়ে স্টাফিং,  প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন, প্রেরণা দান এবং সংরক্ষণ করে রাখার মত অবস্থা থাকে সেই সকল ব্যবস্থাপনাকে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলে।”

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার ইতিহাস

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা আশা কর্মী ব্যবস্থাপনা থেকে। আর কর্মী ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে যে ব্যাক্তি  অন্যতম একটি হচ্ছে রবার্ট ওয়েন। তাই রবার্ট ওয়েন কে আধুনিক কর্মী ব্যবস্থাপনার জনক বলা হয়। সেই সময় তিনি একটি বছর উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক ছিলেন। এবং তার প্রতিষ্ঠানে শিশুশ্রম একদম নিষিদ্ধ ছিল।  তবে তিনি শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করেন।

তাকে আধুনিক কর্মী ব্যবস্থাপনার জনক বলার কারণ হচ্ছে ১৮১৩ সালে তিনি সর্বপ্রথম একটি গ্রন্থ রচনা করেন। আর সেই গ্রন্থটি ছিল শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য কর্মসূচি গ্রহণের সুপারিশ। তার বিখ্যাত গ্রন্থ টির নাম হচ্ছে- A New View of Society.

১৯১১ খ্রিস্টাব্দে এফ ডব্লিউ টেইলর একটি স্বতন্ত্র শাখার মাধ্যমে কর্মী ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের পথ আরো সুগম করে তুলেন। এরপর ১৯১২ সালে শ্রমিক কর্মীদের কল্যাণের জন্য শিল্পপতি কোন কল্যাণ সচিব নিয়োগ করেন।

তবে কিছু ব্যক্তির মধ্যমে ১৯২০খ্রিস্টাব্দে প্রথম কর্মী ব্যবস্থাপনা আত্মপ্রকাশ ঘটে। যারা শ্রমিকদের কার্য সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে চিন্তাভাবনা করে  ব্যবস্থাপনার প্রকাশ ঘটান।  তারপরও .১৯৪৫ সাল থেকে কর্মী ব্যবস্থাপনার উন্নতি অতি দ্রুত হতে থাকে।  প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং সামাজিক পরিবর্তনের ফলে শ্রমিকদের মধ্যে মানসিক পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। ফলে কর্মী বিভাগের বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পায়।

পর্যায়ক্রমে কর্মচারী ও শ্রমিকদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সাংগঠনিক মাধ্যমে গড়ে ওঠে।  তবে হাজার ১৯৫০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম কর্মী ব্যবস্থাপনা বিভাগের নাম পরিবর্তন করে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা দেয়া হয়।  আর সেই থেকে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উদ্ভব হয়।

আরো দেখুনঃ সামাজিক সম্পদ কাকে বলে?

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের বস্তুগত সম্পদ ও কর্মরত মানবীয় সম্পদের সর্বোচ্চ  ব্যবহারের মাধ্যমে সামগ্রিক কাঙ্খিত  লক্ষ্য অর্জন করা। আর মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্টান সবসময় দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মচারীর সংগ্রহ করে এবং তাদের দক্ষতা অনুসারে কাজ ভাগ করে দিয়ে থাকে।  তবে যে সকল কর্মচারী অদক্ষ এবং হোক সেই কর্মচারীকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের দক্ষতা উন্নয়ন করে থাকে।  নিম্নে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার কিছু উল্লেখ করা হলো- 

সম্পদের সদ্ব্যবহার

দৈনন্দিন জীবনে মনুষ্য ছাড়া অবস্তুগত অনেক সম্পদ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। উৎপাদন ও সেবা  কাজে যে সকল সম্পদ ব্যবহার করা হয় সে সকল সম্পদের সকল উপকরণ সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করতে পারলে যেমন উৎপাদন বৃদ্ধি পায় ঠিক তেমনি সেবার মান উন্নত হয়ে থাকে। মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান বস্তুগত সম্পদ সহকারে সকল উপকরণ এর ব্যবহার সুনিশ্চিত ভাবে সর্বোচ্চ ব্যবহার করা উচিত।

দক্ষ জনশক্তি

একটি প্রতিষ্ঠান মূল্যবোধ হচ্ছে সেই প্রতিষ্ঠান দক্ষ জনশক্তি। যদি একটি প্রতিষ্ঠান দক্ষ জনশক্তি থাকে তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন খুব সহজে এবং অতি দ্রুত হয়ে থাকে। তাই যে প্রতিষ্ঠানের কর্মী বাহিনীর দক্ষতা যত বেশি হয়ে থাকে সেই প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন তত দ্রুত  এবং সম্প্রসার অতি দ্রুত হয়ে থাকে। সুতরাং প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করে কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় গঠন করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কাম্য।

কর্মী নিয়োগ

প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত কর্মী নিয়োগ করতে হবে। কারণ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন ধরনের কাজ হয়ে থাকে। আর ধরন এবং গুরুত্ব  কথা মাথায় রেখে উপযুক্ত কর্মী নিয়োগ করতে হবে। যেমনঃ একটি প্রতিষ্ঠানের হিসাব সঠিকভাবে করার জন্য একজন হিসাবরক্ষক নিয়োগ দিতে হবে কিন্তু সেখানে একজন সাধারণ কর্মচারী নিয়োগ দিলে সে কাজটি সম্পাদন হবে না। আর একটি প্রতিষ্ঠানের কাজের ধরন এবং সেই কাজের গুরুত্ব অনুসারে কর্মী নিয়োগ দিতে হয়।

প্রশিক্ষণ

প্রতিষ্ঠান উপযুক্ত কর্মী নিয়োগ একান্ত কর্তব্য। যদি প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় কর্মী নির্বাচন না হয় তবে সে কাজের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সকল কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। আর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের কাজের মধ্যে বাস্তব জ্ঞান অর্জন করতে সাহায্য করতে হবে। সুতরাং প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার মাধ্যমে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য সম্পাদন করা হয়।

উৎপাদন বৃদ্ধি

উৎপাদন বৃদ্ধি হচ্ছে একটি মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য অন্যতম উদ্দেশ্য। কারণ সঠিক নিয়ম তান্ত্রিক ভাবে কর্মীদের নির্দেশনা প্রদান ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কর্মীদের কর্ম তৎপরতা বৃদ্ধি পায়, ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

প্রেষণা দান

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার যেহেতু সরাসরি কর্মীদের নিয়ে কাজ করা হয় সেহেতু কর্মরত কর্মীদের আচরণ ও মনোভাব ভালোভাবে অনুধাবন করে তাদের কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে প্রেষণা দানের ব্যবস্থা রাখতে হবে।  যদি কর্মচারীদের সঠিক পারা যায় তাহলে কর্মী স্বেচ্ছায় কাজে আত্মনিয়োগ করে ফলে কাজের মান ও গতি বৃদ্ধি পায়।

কর্ম সম্পাদন ও মূল্যায়ন

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা অন্যতম একটি গুরুত্ব পুরনো উদ্দেশ্য হচ্ছে কার্য সম্পাদন করা। প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা যাতে সঠিকভাবে  তাদের কাজগুলো মূল্যায়ন করতে পারে, এবং সেই কাজের অবকাঠামো অনুসারে কাজের গতি বৃদ্ধি করে এবং যত্ন সহকারে কাজ সম্পাদন করে সেদিকে নজর রাখতে হবে। আর এর ফলে প্রতিষ্ঠান উন্নতি সাধিত হয়ে থাকে।

মানবীয় সম্পর্ক উন্নয়ন 

একটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ধরনের কাজ করা হয়ে থাকে আর এ সমস্ত কাজ সম্পাদনের জন্য কর্মীদের মধ্যে ভিন্ন হয়ে থাকে।  আর  কর্মীদের মধ্যে এই ভিন্ন মনোভাবকে নৈতিকতার সাথে মূল্যায়ন করে সম্পর্কের উন্নয়ন গড়ে তুলতে হবে। 

কার্য বিশ্লেষণ

আমরা জানি একটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ধরনের কাজ থাকে। আর সেই কাজের ধরন, প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য অনুসারে কর্মীদের মধ্যে বিভাজন করে নেয়াকে কার্য বিশ্লেষণ বলা হয়। এতে করে কর্মীদের কাজের প্রেসার অনেকাংশে কমে যায় এবং যে কর্মী যে কাজে পারদর্শী সে কর্মীকে সে কাজ দেয়ার ফলে প্রতিষ্ঠান কার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন হয়।

সঠিক কার্য পরিবেশ গঠন

একটু কত রকমের সামগ্রিক কার্য পরিবেশ সঠিকভাবে গঠন করার ফলে কর্মীদের মধ্যে কাজের আগ্রহ এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন হয়ে থাকে। মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগানোর জন্য অবশ্যই সঠিক কার্য পরিবেশ তৈরি করতে হবে।  নতুবা কর্মীদের মধ্যে কাজের প্রতি অনীহা তৈরি হয়ে যাবে।

আরো দেখুনঃ খনিজ সম্পদ কাকে বলে?

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার পরিধি

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার মৌলিক ব্যবস্থাপনা হচ্ছে গুরুত্বসহকারে  প্রতিষ্ঠান বিভাগীয় কাজের উন্নয়ন এবং সম্প্রসারণ।  একটি প্রতিষ্ঠান দৈনন্দিন কাজ সম্পাদনের জন্য যেসকল উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি করার ফলে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার সঠিক, এবং গতিশীল হয়। আর তাই শিল্পকর্ম উন্নয়ন ও মজুরি নির্ধারণের উন্নয়ন এর মাধ্যমে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য।  

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার পরিধি কেমন হওয়া উচিত আর এই পরিধি একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য মঙ্গল বয়ে আনে। সুতরাং মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার পরিধি নিম্নে উল্লেখ করা হলো-

পরিকল্পনা

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার পরিধির অন্যতম একটি উপাদান হচ্ছে মানব সম্পদ পরিকল্পনা। একটি প্রতিষ্ঠান কাজের প্রকৃতি ও ধরন অনুসারে সেই প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মধ্যে সকল কার্য সঠিকভাবে পরিকল্পনা অনুসারে বন্টন করে দেয়া হয়।  সঠিক সময়ে সঠিক ব্যক্তিকে সঠিক দায়িত্বে নিয়োজিত করার এবং বর্তমানে ভবিষ্যতের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে কর্মীকে নির্ধারিত কাজ করে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ মানব সম্পদ পরিকল্পনা বলা হয়।

সংগঠন

একটি প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সংগঠন গড়ে তুলতে হবে। সংগঠন তৈরি করার জন্য কার্যকর কাঠামো নির্ধারণ,  কার্যভিত্তিক পদ সৃষ্টি পদবিন্যাস, পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ, কর্মীদের মধ্যে দায়িত্ব-কর্তব্য প্রদর্শন করা,  এগুলোই হচ্ছে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং চাহিদা নির্ধারণ ও উচ্চ নির্বাচন এর ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ করতে হয়।

কার্য পরিচালনা ধরন

সংগঠনের প্রণীত নকশা পথ ভিত্তিক বন্টন করার ফলে স্বীকার্য ও সঠিকভাবে পরিচালনা করাই হচ্ছে কার্য পরিচালনার ধরন।বিভিন্ন পদে বিভিন্ন রাজ্যের সীমানা নির্ধারণ করা হয় আর শেষ কার্য কার্য পরিচালনা।

প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন

কর্মীকে তার কাজের পরিবেশ এবং পারস্পরিক অবস্থা সাথে কর্মীদের হাতে-কলমে  শিক্ষাকে প্রশিক্ষণ বলা হয়। এছাড়াও কর্মরত কর্মীদেরকে অধিক গড়ে তোলার জন্য কাজের উন্নয়ন নিয়ে আসার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। সুতরাং প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন এর মাধ্যমে কর্মীদের কাজের জন্য উপযুক্ত হিসেবে গড়ে তোলা হয়।

কার্য পরিবেশ

একটি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটি কর্মচারী যাতে সুষ্ঠু পরিবেশে কাজ করে প্রতিষ্ঠান উৎপাদন এবং উন্নয়ন বৃদ্ধি  করার লক্ষ্যে কর্মীর কার্য পরিবেশ অবশ্যই একটি সুষ্ঠু পরিবেশ রাখতে হবে। যাতে করে কর্মীরা নিরাপত্তা এবং কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করতে পারে। সুতরাং মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিধি মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

নির্বাচন ও স্টাফিং

একটি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের লক্ষ্যে অবশ্যই প্রয়োজনীয় দক্ষ ও অনভিজ্ঞ কর্মী খুঁজে বের করতে হয়। উপযুক্ত কাজের জন্য উপযুক্ত কর্মী নির্বাচন এবং সেই কাজ অনুসারে কর্মীদের পদায়ন  করতে হবে।

মজুরি ও বেতন

একটি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কর্মী থাকে। এবং সকল কর্মীদের কাজ একরকম নয়। আর তার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান কাজের ধরন এবং কর্মীদের যোগ্যতা অনুসারে তাদের মজুরি ও বেতন প্রদান করতে হবে। যাতে করে কর্মচারীরা তাদের কাজের বিনিময়ে উপযুক্ত বেতন ও মজুরি পায়।

সাংগঠনিক উন্নয়ন

প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের মধ্যে সঠিকভাবে মূল্যায়ন ও মূল্যায়ন করে সংগঠনের সকল স্তরের কর্মরত কর্মীদের মধ্যে আন্তঃব্যক্তিক ও অন্তর্দলীয় সম্পর্ক উন্নয়ন সাধন করাই হচ্ছে সাংগঠনিক উন্নয়ন এর কাজ।

শ্রমিক ব্যবস্থাপনার সম্পর্কের উন্নয়ন 

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার অন্যতম একটি উপাদান হচ্ছে শ্রমিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কের উন্নয়ন। একটি প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের লক্ষ্যে অবশ্যই সেই প্রতিষ্ঠানের শান্তি,  শৃঙ্খলা, সেবা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি জন্য শ্রমিকদের মধ্যে সুন্দর ও মনোরম সম্পর্ক তৈরি করতে হবে।

বিনোদন এর সুবিধা

একটি প্রতিষ্ঠান বিপুল পরিমাণে কর্মচারী থাকে। আর সে কর্মচারীদের মধ্যে একঘেয়েমি ভাব দূর করার জন্য তাদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। এতে করে কাজের আগ্রহ অনেক বৃদ্ধি পায়। বাৎসরিক পিকনিকের আয়োজন করার ফলে কর্মীদের মধ্যে উৎফুল্লতা তৈরি হয়। যেমনঃ চিত্তবিনোদন, খেলাধুলা, বনভোজন, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে সংযুক্ত করার মাধ্যমে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা যায়।

গবেষণা ও তথ্য ব্যবস্থাপনা

আমরা সকলেই জানি যে প্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য আজ পৃথিবী এত উন্নয়ন হচ্ছে। আরেকটি প্রতিষ্ঠান যদি প্রযুক্তির ব্যবস্থা রাখা হয় এবং সেই প্রতিষ্ঠান কার্য গবেষণা ও তথ্য ব্যবস্থাপনা রাখা হয় তাহলে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন বৃদ্ধি পায়। কর্মীদের প্রত্যাশা ও আচরণ করে তাদের মধ্যে প্রত্যাশা মাফিক কাজ আদায় করতে মানবসম্পদ উন্নয়নের গবেষণা ও তথ্য ব্যবস্থাপনা উপাদান প্রয়োজনীয়তা লক্ষ করা যায়।

আরো দেখুনঃ জাতীয় সম্পদ কাকে বলে?

উপসংহার: আশা করি আপনারা মানব সম্পদ কি? এবং মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কি? সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।  এর পাশাপাশি আমরা মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য এবং পরিধি তুলে ধরেছি। যাতে করে আপনারা মানব সম্পদের সঠিক ধারণা পেয়ে যান। এছাড়াও যদি আপনারা মানবসম্পদ সম্পর্কিত তথ্য জানতে চান তাহলে আমাদের নিজের কমিশনে এসে জানাতে পারেন।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex