vlxxviet mms desi xnxx

ভিপিএন কি ? | ভিপিএন ব্যবহারের নিয়ম

0

ভিপিএন শব্দটির সাথে আমরা কমবেশি সবাই বেশ পরিচিত। কেউ কিছুটা জানি আবার কেউ পুরোটা জানি। মূলত ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্কের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো এই VPN৷ VPN সাধারণত আপনার  ডিভাইসের সাথে অন্য একটি নেটওয়ার্কের মাঝে সিকিউর কানেকশন তৈরী করে দেয়। আজকালকার অসংখ্য ভিপিএনের মাঝে কোন ভিপিএনটি সবচেয়ে বেশি ভালো, ফ্রি VPN সম্পর্কে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, VPN ব্যবহারে বিভিন্ন জটিলতা এবং তার সমাধান, VPN ব্যবহারে ঝুঁকি সম্পর্কে আজ আমরা আলোচনা করবো। বলতে গেলে VPN সম্পর্কে মোটামুটি বিস্তারিত লেখা থাকছে আজ।

ভিপিএন কি?

আমরা অনেকেই ট্যানেল চিনি। একটি লম্বা পথ আমাদের কাছে ট্যানেল হিসেবে পরিচিত। সেটা হতে পারে স্থলপথ, আকাশপথ কিংবা নৌপথ। উদাহরণের সাহায্যে বোঝাতে গেলে ভিপিএনও ঠিক তেমনি একটি কাল্পনিক ‘Tunnel’। যার মাধ্যমে নিরাপদে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। মূলত এই ‘Tunnel’ বা সুড়ঙ্গের বাস্তবে কোন অস্তিত্ব নেই বলেই এটিকে কাল্পনিক ট্যানেল বলা হয়।

ট্যানেল শব্দটির সঠিক এবং সহজ সংজ্ঞা সম্পর্কে তো জানা গেলো। এবার চলুন নেটওয়ার্ক সম্পর্কে কিছুটা জেনে নেওয়া যাক। ভিপিএনের পূর্নরূপ Virtual Private Network হিসেবে ঠিক করতে গিয়ে নেটওয়ার্ক শব্দটির ব্যবহারের মূল কারণ হলো উক্ত উপকরণটির আবশ্যক প্রয়োজনীয়তা। এখানে মূলত নেটওয়ার্ক বলতে বোঝানো হচ্ছে ইন্টারনেটে নিরাপদে তথ্য আদান প্রদান করার মাধ্যম।

আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইন্টারনেট কী ? ইন্টারনেট কি কি কাজে লাগে

ইন্টারনেট উন্মুক্ত তথ্য আদান প্রদানের জায়গা হওয়ায় সরাসরি তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাবার একটা ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন থাকা বেশ জরুরি। আমরা সকলেই চাই এই ঝুঁকি থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখতে। মূলত এই কারণেই ঝুঁকি এড়ানোর জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজের ব্যক্তিগত বা প্রাইভেট নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় VPN বা Virtual Private Network পদ্ধতি।

ভিপিএন কত প্রকার?

ভিপিএন বিভিন্ন ধরণের হতে পারে। এর কিছু পারফেক্ট উদাহরণ হলোঃ- 

  • PPTP VPN.
  • Site to Site VPN.
  • L2TP VPN.
  • Remote Access VPN.
  • IPsec.
  • SSL.
  • MPLS VPN.
  • Hybrid VPN.

ভিপিএন কিভাবে কাজ করে?

ব্যবহারকারী মূলত একটি VPN সার্ভারে বাহ্যিক নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকতে পারেন। ওই যে প্রথমদিকেই বললাম? কাল্পনিক ট্যানেলের কথা? সেটাই মূলত ভিপিএনের নেটওয়ার্ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে তথ্য আদান- প্রদান করা হয়, ফলে তথ্যগুলো সুরক্ষিত থাকে। যারা VPN ব্যবহার করেন তাদের জন্য প্রাইভেট নেটওয়ার্কে একটা VPN সার্ভার থাকে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীর পিসিতে VPN ক্লায়েন্ট কনফিগার থাকে।

ব্যবহারকারী VPN এর মাধ্যমে তার প্রাইভেট নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে হলে প্রথমে তার পিসিতে ইন্টারনেট কানেকশন নিশ্চিত করতে হবে এর পর VPN ক্লায়েন্টের মাধ্যমে VPN সার্ভারে লগিন করবে। খুশির খবর এই যে ভিপিএনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো লগিন করার পর যদিও ব্যবহারকারী তার নেটওয়ার্ক থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে তারপরও সে প্রাইভেট নেটওয়ার্কের সব সুযোগ সুবিধাগুলো পাবে।

ভিপিএন ব্যবহারের নিয়ম

প্রথমত আপনি চাইলে মোবাইল অথবা কম্পিউটার যেকোনো জায়গাতেই VPN এর ব্যাবহার করতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক Mobile এ কিভাবে ভিপিএন ব্যবহার করবেন সে সম্পর্কে।

ভিপিএন ব্যবহারের নিয়ম

সবার আগে প্লেস্টোর (Playstore) থেকে যেকোনো একটি VPN অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে হবে। অ্যাপটিকে এক্টিভ (active) করার পর যেকোনো website ভিজিট করলে তা VPN এর মাধ্যমেই ভিজিট হবে। 

আরেকটি ব্যাপার! Play store এ গিয়ে শুধু VPN লিখে সার্চ করলেই প্রচুর VPN এ্যাপ চলে আসবে। এর যেকোনো একটি অ্যাপ কে ইনস্টল করে, কানেক্ট করার পরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো ওয়েবসাইটে ভিজিট করলে তা VPN এর মাধ্যমে ব্যবহার করা হবে। এবার আসা যাক কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপে VPN ব্যবহার করা সহজ উপায় সম্পর্কে আলোচনায়। 

গুগল ক্রমে (Chrome) এ VPN Extension লিখে সার্চ দিলেই অসংখ্য লিংক চলে আসবে। সেখান থেকে যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করলেই এড হয়ে যাবে। যা থেকে আপনি অতি সহজেই ভিপিএন ব্যবহার করতে পারবেন৷ 

 ভিপিএন দিয়ে ফ্রি ইন্টারনেট ২০২১

কথায় আছে বাঙালিরা সবসময় টাকা খরচ করার বিপক্ষে। তাই বলে কি আমরা এই প্রযুক্তির যুগে VPN ব্যবহারের স্বাদ ভোগ করবো না? অবশ্যই করবো। সেই সুযোগ রেখেছে VPN। চলুন একটি জনপ্রিয় ফ্রি ভিপিএন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই৷

Qeencee VPN

Qeencee VPN হলো শুধুমাত্র এয়ারটেল সিমের গ্রাহকদের ব্যবহারযোগ্য একটি VPN৷ অর্থ্যাৎ এই সেবাটি ভোগ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই এয়ারটেল সিমের গ্রাহক হতে হবে। পাশাপাশি অন্য কেনো সিমের ব্যবহারকারীরা এ সুবিধাটি পাবেন না। আমাদের সবার কাছেই কম-বেশী এয়ারটেল সিম থাকে। সেদিক দিয়ে Qeencee VPN হতে পারে দারুণ একটি মাধ্যম। আর যাদের নেই তাদের উদ্দেশ্যে বলবো যেহেতু সিম ক্রয় করা এতটাও ব্যয়বহুল না, সেহেতু একটা এয়ারটেল সিম কিন্তু কিনেই ফেলা যায়। 

যাইহোক প্রথমে আপনাকে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। ওপেন করার পর কাস্টমাইজ করার জন্য আপনাকে Remove Port এই অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে। পাশাপাশি Proxy Type এর স্থানে Real Host দিয়ে দিতে হবে। এরপর আসা Proxy Server নামক অপশনটিতে আপনাকে লিখতে হবে airtellive.com”। মনে রাখা উচিত, এই সেটিংসটি কিন্তু অবশ্যই আপনাকে গুরুত্বসহকারে করতে হবে।

পেইজটিকে একটু নিচের দিকে স্ক্রল করলে আপনি দেখতে পারবেন Real Type Proxy নামের একটি অপশন দেওয়া আছে। উক্ত সেটিংসটি Default করে দিতে হবে। Real Proxy Server এই স্থানে 220.83.91.45 এবং Real Proxy port এর স্থানে 8080 দিয়ে সেভ করে নিতে হবে। সবশেষে সমস্ত সেটিংগুলোকে সেভ করে দিতে হবে। 

আপনার কাছে আসা একটি ওয়ার্নিং মেসেজ একসেপ্ট করতে হবে। সবশেষে Tunel Whole Device নামক অপশনে যখনই আপনি ক্লিক করবেন এবং Allow অপশনে ক্লিক দিলেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আপনার ডিভাইস এর সমস্ত ব্রাউজারে এই ভিপিএনের  আপনি ফ্রী ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

এই নিয়মে সারা জীবনের জন্য আপনি খুব সহজেই চাইলেই আপনার এয়ারটেল সিমে Vpn দিয়ে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। 

ভিপিএনের সুবিধাগুলো কি কি?

  • VPN ব্যবহারে আপনি ডাটা নিরাপদে আদান প্রদান করতে পারছেন।
  • ভিপিএন ব্যবহার করাকালীন সময়ে আপনার অবস্থান কেউ ট্র্যাক করতে পারবে না।
  • IP address (Internet Protocol address) হাইড করে রাখার ফলে হ্যাকারদের কবলে পড়ার সম্ভাবনা নাই।
  • VPN ব্যবহারে আপনি আইএসপি তে ব্লক করা সাইট ভিজিট করতে পারবেন।
  • নেটের ফুল স্পিড পাবেন।
  • আপনার যখন নিরাপদ যোগাযোগ এবং ডাটা encrypt করার একটি পদ্ধতির প্রয়োজন পড়বে আপনি তখন ভিপিএন ব্যবহার করতে পারবেন।

ভিপিএন ব্যবহারে অসুবিধাগুলি কি কি?

  • VPN আপনাকে কখনোই টরেন্ট ফাইল ডাউনলোডের সুবিধা দেবে না।
  • এটি সম্পূর্ণ ইন্টারনেট নির্ভর।
  • অধিকাংশ VPN সার্ভিসের ক্ষেত্রেই টাকা গুনতে হয়।

শেষকথা: ভিপিএন নিরাপদে ব্যবহার করার দায়িত্ব কিন্তু আপনার। প্রযুক্তির এই যুগে বিভিন্ন আশীর্বাদ পেয়ে নিরাপত্তার দিকাটাও ভুললে চলবে না। নিজের সচেতনতার ব্যাপারে নিজেকেই সতর্ক থাকতে হবে। সবসময় সচেতনতা অবলম্বন করে নেট ব্রাউজ করার চেষ্টা করুন। এতে করে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যাপারটি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন। মূলত আমরা অনেক সময় বাইরের দেশগুলির website open করতে চাই , যা আমাদের গভর্মেন্ট অথবা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (ISP) block করে রেখেছে।

এই ব্লকের কারণেই আমরা ওই ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করে ওই website টি খুলতে পারি না। পাশাপাশি এটাও জেনে রাখা উচিত যে বাইরের দেশের website শুধুমাত্র ওই দেশের মানুষের জন্যই। তবুও নানান কারণে বিভিন্ন সময়ে আমাদেরও সে-সব ওয়েবসাইটে ভিজিট করার প্রয়োজন পড়ে। ঠিক ওই মুহূর্তে আমরা প্রয়োজনের তাগিদে VPN ব্যবহার করবো।

যেহেতু এখানে নিরাপত্তার ব্যাপারে বেশ কড়া প্রশ্ন রয়েছে, সেহেতু আমাদের প্রয়োজনের বাইরে গিয়ে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠা প্রযুক্তি নিয়ে অতিরিক্ত মাতামাতি করা উচিত নয়। আশা করি ভিপিএন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ব্যাপারে উপরের আর্টিকেলটি আপনার সহায়ক হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex