vlxxviet mms desi xnxx

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম

0

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ২০২১ | E Passport In Bangladesh

পাসপোর্ট এমন একটি জিনিস যা অন্য দেশ ভ্রমণের কাজে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষের কাছে পাসপোর্ট রয়েছে কারণ ভ্রমন, ব্যাবসায়িক বা চিকিৎসার জন্য অন্য দেশে পাড়ি জমাতে পাসপোর্ট এর বিকল্প নেই। সাধারণ পাসপোর্ট এর তুলনায় ই-পাসপোর্ট বর্তমানে তুমুল সাড়া ফেলেছে। আজ আমরা জানবো ই পাসপোর্ট করার নিয়ম

ই পাসপোর্ট কি?

ই-পাসপোর্ট হলো ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট যেখানে একটি ইলেকট্রনিক চিপ লাগানো থাকবে যার মাধ্যমে পাসপোর্টধারীর সকল ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা যাবে। পাসপোর্টের একাধিক কাগজ গুচ্ছ বিশৃংখলা সৃষ্টি করে বলেই নতুন ই-পাসপোর্ট সূচনা ঘটেছে পুরো বিশ্বে। ই পাসপোর্ট এর ভিতরেই থাকছে পাসপোর্টধারীর দশটি আঙ্গুলের ছাপ এবং চোখের স্ক্যান। এছাড়াও এই ই-পাসপোর্টে পাসপোর্টধারীর তিন রকমের ছবি ও সংরক্ষন করা হবে যাতে তার পরিচয়ে কোন ব্যাঘাত না ঘটে।

ই-পাসপোর্ট আবেদন ফি

  • ৫ বছরের ৪৮ পৃষ্ঠার ই পাসপোর্ট এর জন্য সাধারণ ফি সাড়ে তিন হাজার টাকা আপনাকে গুনতে হবে। (১৫ দিন)
  • জরুরি ই-পাসপোর্ট এর জন্য আপনাকে দিতে হবে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। (৭ দিন)
  • আর আপনার যদি অতি জরুরিতে ই পাসপোর্ট এর দরকার পড়ে তাহলে ফি হিসেবে আপনাকে গুনতে হবে সাড়ে সাত হাজার টাকা। (২ দিন)
  • ১০ বছরের জন্য আপনাকে ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট এর জন্য সাধারণ ফি পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে। (১৫ দিন)
  • জরুরি ই-পাসপোর্ট এর জন্য আপনাকে গুনতে হবে সাত হাজার টাকা। (৭ দিন)
  • আর আপনার যদি অতি জরুরিতে ই পাসপোর্ট এর দরকার পড়ে তাহলে ই-পাসপোর্টের ফি হবে নয় হাজার টাকা।(২ দিন)
  •  ৫ বছরের  ৬৪ পৃষ্ঠার ই পাসপোর্টের জন্য সাধারণ  ফি সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। (১৫ দিন)
  • জরুরি ই-পাসপোর্টের জন্য আপনাকে গুনতে হবে  সাড়ে সাত হাজার টাকা। (৭ দিন)
  •  অতি জরুরিতে আপনার যদি ই পাসপোর্ট এর প্রযোজন পড়ে তখন আপনার  ফি হবে সাড়ে ১০ হাজার টাকা।(২ দিন)
  • ১০ বছরের জন্য ৬৪ পৃষ্ঠার ই-পাসপোর্টের জন্য সাধারণ ফি সাত হাজার টাকা। ( ১৫ দিন)
  • ই-পাসপোর্ট জরুরি ভাবে আপনি যদি তৈড়ি করতে চান তাহলে আপনাকে ফি দিতে হবে নয় হাজার টাকা ।(৭ দিন)
  • অতি জরুরি ই-পাসপোর্ট আপনার প্রয়োজন হলে আপনাকে গুনতে হবে ১২ হাজার টাকা। (২দিন)

এই ই-পাসপোর্ট ফি এর সাথে যথারিতি ১৫% ভ্যাট যুক্ত হবে।

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ২০২১

ই পাসপোর্ট এর আবেদন করার জন্য প্রথমে তিনটি জিনিস আবশ্যক।

ই পাসপোর্ট এর ফরম ডাউনলোড করে  জাতীয় পরিচয় পত্র এবং জন্ম নিবন্ধন পত্র অনুযায়ী ফিলাপ করে নির্দিষ্ট স্থানে জমা দিতে হবে। 

আপনি যদি প্রাপ্তবয়স্ক অর্থাৎ 18 বছরের নিচে হন তাহলে আপনাকে আপনার ই পাসপোর্ট ফরমে আপনার বাবার অথবা মায়ের ভোটার আইডি কার্ড নং সংযুক্ত করতে হবে।

ই পাসপোর্ট এর পেমেন্ট দেওয়ার জন্য আপনাকে এখন আর ব্যাংকে দৌড়াতে হবে না আপনি চাইলে আপনার নগদ বিকাশ এবং রকেট থেকেও নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ই পাসপোর্ট এর জন্য পেমেন্ট দিতে পারবেন।

ই পাসপোর্ট সংক্রান্ত সকল তথ্য আপনি সরকার কর্তৃক গঠিত বিশেষ ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন। ই পাসপোর্ট করার নিয়ম বিশেষ ওয়েবসাইটের লিংক নিচে দেওয়া হল।  epassport.

গুরুত্বপূর্ণ: নিজের পাসপোর্ট চেক করুন.

অফলাইনে পাসপোর্ট ফরম পুরন | E Passport Application Form

অফলাইনে পাসপোর্ট অথবা ই-পাসপোর্ট দুইটার ক্ষেত্রে যদি আপনি আবেদন ফরম পূরণ করতে চান তাহলে আপনাকে আপনার স্থানীয় পাসপোর্ট অফিসে চলে যেতে হবে। পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর নির্দিষ্ট লাইনে দাঁড়িয়ে আপনাকে ফরম সংগ্রহ করে সেটি ফিলাপ করে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিয়ে আসতে হবে।  আপনি যদি নিজে অনলাইনে আবেদন করতে না পারেন তাহলে আপনার স্থানীয় বিভিন্ন ইন্টারনেট সেবাদানকারী দোকানগুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন তারা আপনার জন্য অনলাইনে পাসপোর্ট ফরম পূরণ করে দেবে।

অফলাইনে পাসপোর্ট ফরম পুরন পাসপোর্ট করার খরচ ও আবেদনের ধরন

পাসপোর্ট হয়েছে কিনা

পাসপোর্ট হয়েছে কিনা তা চেক করার জন্য অবশ্যই আপনাকে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত পাসপোর্ট চেকিং ওয়েবসাইটটিতে যেতে হবে যেখানে আপনার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর আপনাকে একটি ক্যাপচা পূরণ করতে হবে তারপর আপনি দেখতে পারবেন আপনার পাসপোর্টটি হয়েছে নাকি এখনো প্রসেসিং এ আছে। ই পাসপোর্ট এবং সাধারণ পাসপোর্ট দুইটার ক্ষেত্রেই একই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর

১: আমার বাচ্চার বয়স দুই বছর তার কি ই-পাসপোর্ট করানো যাবে?

উত্তর: জি অবশ্যই। আপনার বাচ্চার ই-পাসপোর্ট করানো যাবে কারণ দুই বছর পর থেকেই বাচ্চাদের ভ্রমণের জন্য পাসপোর্ট এর প্রয়োজন পড়ে।

২: ই-পাসপোর্ট আর সাধারণ পাসপোর্ট এর মধ্যে কোনটি বেশি ভালো?

উওর: আমরা যেহেতু দিন দিন আধুনিক হচ্ছি তাই আমাদের ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করাই উচিত কারণ এটি এম্বাসিতে আপনার প্রসেসিং স্পিড ফাস্ট করে দেবে। আগের যুগের সাধারণ পাসপোর্ট এর একগুচ্ছ কাগজ চেকিং করতে যতটা সময় প্রয়োজন তার অর্ধেকেরও কম সময়ে ই পাসপোর্ট চেক করে দেওয়া যায়। 

৩: পাসপোর্ট সাধারণ কয় বছর মেয়াদী হয়ে থাকে?

উওর: পাসপোর্ট সাধারণ পাঁচ বছর এবং 10 বছর মেয়াদী হয়ে থাকে আপনি আপনার সুযোগ সুবিধা মত পাসপোর্ট এর মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex