vlxxviet mms desi xnxx

উপন্যাস কাকে বলে?

0

উপন্যাস কাকে বলে? | উপন্যাসের উদ্ভাবন কিভাবে?

মুখে মুখে গল্প বলার প্রচলন বহু বছর আগে থেকেই। মানুষের জীবনধারা, নিত্যদিনের চাল-চলন, ব্যক্তি জীবন, সুখ-দুঃখ, হতাশা এমন আরো অনেক কিছু নিয়েই তৈরি হতো একেকটা কল্প কাহিনী, গ্রন্থ, কাব্য, মহাকাব্য এবং নাটক। বাংলা সাহিত্যে এ যেনো এক অন্যভুবন। আর এই বাংলা সাহিত্যেই এক অনন্যতম যায়গা করে নিয়েছে ‘উপন্যাস’। আজকের আলোচনা এই ‘উপন্যাস’ কে ঘিরে। উপন্যাস কাকে বলে, কিভাবে এর উদ্ভব সকল কিছুই আলোচনা করবো এই আর্টিকেলে। তাহলে চলুন, বিস্তারিত পর্বে যাওয়া যাক।

উপন্যাস কাকে বলে?

উপন্যাস যার ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে Novel. আর উপন্যস্ত কিংবা উপনয় শব্দ থেকে মূলত উপন্যাস শব্দটির উৎপত্তি। বাংলা সাহিত্যের এটি একটি বিশেষ শাখা। বাংলা সাহিত্যে এটি এক নতুন আঙ্গিকে যুক্ত হয়েছে।

মূলত উপন্যাস কাকে বলে? উপন্যাস হচ্ছে একটি কাহিনি বা ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেটি বর্ণনা করে দির্ঘায়িত করা। উপন্যাস এর আক্ষরিক অর্থ যদি বলি, উপন্যাস হলো উপযুক্ত কিংবা বিশেষ রূপে স্থাপন করা। অর্থাৎ, গদ্য জগতে একটি কাহিনীকে দীর্ঘায়িত করে বিশেষ কৌশলে বর্ণনা করাকে উপন্যাস বলে। উপন্যাসে বিভিন্ন মানব-মানবীর জীবনচিত্র গুলো কল্পকাহিনী করে পাঠকদের কাছে উপস্থাপন করে বিশেষ ভাবে গদ্য জগতে লিপিবদ্ধ হয়।

একটি সাবলীল ও সুন্দর উপন্যাসে থাকে কাহিনী, চরিত্র, বর্ণনা, সংলাপ, ঘটনা, ভাষা প্রভৃতি। এই সকল কিছু মিলেই একটি উপন্যাসের জন্ম হয়। আর উপন্যাস কিভাবে পাঠকদের কাছে জীবন্ত ভাবে ফুটিয়ে তুলতে হয় এবং মানব-মানবীর জীবনদর্শন কিভাবে আকর্ষনীয় করে তোলা যায় তার সবটুকু নির্ভর করে একজন ঔপন্যাসিকের উপর। যিনি উপন্যাস লিখেন তিনি মূলত ঔপন্যাসিক।

উপন্যাসের উদ্ভাবন কিভাবে?

১৭৮৯ সালে মূলত রাজতন্ত্রের উচ্ছেদ, ফরাসি বিপ্লব, গণতন্ত্রের চর্চা, আমেরিকার স্বাধীনতা, মানবধিকার প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি বিষয় কে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ কে নিয়ে সাহিত্য জগতে তৈরি হয় মূল পটভূমি। এভাবেই তাদের জীবনকে কেন্দ্র করে তাদের জীবনদর্শন, জীবনচর্চা সকল কিছুই ফুটিয়ে তোলা হয় গদ্য সাহিত্যে উপন্যাস হিসেবে। তবে বলা হয়ে থাকে উনিশ শতক উপন্যাস রচনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়টাতে উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে তার নিজের অবস্থান করে নেয়। সাহিত্য জগতে জন্ম হয় উপন্যাস নামক এক নতুন শাখার।

উপন্যাস এর শ্রেণিবিভাগ

বাংলা সাহিত্যে বিষয়বস্তুর উপর নির্ভর করে উপন্যাস এর বেশ কয়েকটি শ্রেণিবিভাগ রয়েছে। সেগুলো হলোঃ 

  • সামাজিক উপন্যাস।
  • আঞ্চলিক উপন্যাস।
  • ঐতিহাসিক উপন্যাস।
  • কাব্যধর্মী উপন্যাস।
  • রহস্যমূলক উপন্যাস।
  • রোমাঞ্চমূলক উপন্যাস।
  • গোয়েন্দামূলক উপন্যাস।
  • হাস্যরসাত্মক উপন্যাস।
  • রাজনৈতিক উপন্যাস।
  • পত্রোপ্যানাস।
  • মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস প্রভৃতি।

আমরা উপরের লেখনী থেকে জেনেছি উপন্যাস কাকে বলে, উপন্যাস এর উদ্ভাবন সম্পর্কে। এবার চলুন আরো বিস্তারিত ভাবে জেনে নেই উপন্যাস এর শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কে।

  • সামাজিক উপন্যাসঃ উপন্যাস শ্রেণিবিভাগের মধ্যে সামাজিক উপন্যাস হচ্ছে একটি বিশেষ শ্রেণিবিভাগ। এখানে সাধারণত সমাজের বিভিন্ন চিত্র, সমস্যা গুলো তুলে ধরা হয়।
  • আঞ্চলিক উপন্যাসঃ এ ধরণের উপন্যাসে মূলত একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলকে ঘিরে কাহিনী কিংবা চরিত্রের পটভূমি সাজানো হয়।
  • ঐতিহাসিক উপন্যাসঃ এই ঐতিহাসিক উপন্যাসে রচিত হয় ঐতিহাসিক কোনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে। অতীতের ইতিহাস, সংস্কৃতি সকল কিছু নিয়েই রচিত হয় ঐতিহাসিক উপন্যাস।
  • কাব্যধর্মী উপন্যাসঃ এই শ্রেণির উপন্যাস যিনি লিখেন অর্থাৎ, লেখকের জীবনদর্শন, চিন্তা-চেতনা প্রাধান্য পেয়ে রচিত হয়।
  • রহস্যমূলক উপন্যাসঃ এই রহস্যমূলক উপন্যাস রচিত হয় কিংবা সাজানো হয় বিভিন্ন রহস্য, ভয় কে ঘিরে। পাঠক এতে রহস্য উদঘাটনের জন্য ডুবে যায় লিখার গভীরে।
  • রোমাঞ্চমূলক উপন্যাসঃ রোমান্স অর্থ আমরা সকলেই জানি। এ ধরণের উপন্যাসে ফুটে উঠে কাল্পনিক কিংবা অবাস্তব, উচ্ছ্বাসে ভরপুর কল্পকাহিনী।
  • গোয়েন্দামূলক উপন্যাসঃ গোয়েন্দা এবং অপরাধ মিশ্রিত করে রচিত হয় এ ধরণের উপন্যাস। টানটান উত্তেজনায় যেনো পাঠকের মন বিভোর থাকে এ ধরণের উপন্যাসে।
  • হাস্যরসাত্মক উপন্যাসঃ এ ধরণের উপন্যাসে লেখক চরিত্রকে ঘিরে অসঙ্গতি বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে হাস্যরসাত্মকে পরিণত করে লিখে থাকেন।
  • রাজনৈতিক উপন্যাসঃ এই উপন্যাসে রচিত হয় রাজনৈতিকমূলক পটভূমি। রাজনৈতিক ঘটনাবলি, মতাদর্শ, ক্ষোভ-বিক্ষোভ সকল কিছুই থাকে এই শ্রেণির উপন্যাসে।
  • পত্রোপ্যানাসঃ এ ধরণের উপন্যাস বেশ আগ্রহজনক হয়ে থাকে। এতে রচিত হয় বিভিন্ন পত্রকে ঘিরে লিখা উপন্যাস। পত্র আকারে রচনা করা হয় এই উপন্যাস।
  • মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসঃ মনব মনের বিভিন্ন জটিল দিক গুলো ফুটিয়ে তোলা হয় এক ভিন্ন আঙ্গিকে এই উপন্যাসে। মানব মনের ভাবনা, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া, ঘাত-সংঘাত সকল কিছুকে কেন্দ্র করেই রচনা করা হয় এই উপন্যাস।

আরো দেখুনঃ

পরিশেষে বলা যায়, এই পুরো আর্টিকেলে একটা বিষয়ই মুখ্য ভাবে তুলে ধরা আর তা হলো উপন্যাস কাকে বলে এ সম্পর্কে জানা। উপন্যাস কাকে বলে তা প্রকৃতপক্ষে জানতে গেলে অবশ্যই তার গোড়াপত্তন সম্পর্কেও জানতে হয় কারণ সাহিত্য জগতে এর পদার্পন খুব বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex