vlxxviet mms desi xnxx

আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে

0

আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে

আপনি কি আউটপুট ডিভাইস সম্পর্কে জানতে চান? আপনার কি আউটপুট ডিভাইস সম্পর্কে কোন ধারণা আছে? আপনি কি জানতে চান আউটপুট ডিভাইস কত প্রকার ও কি কি?

উপরোক্ত প্রশ্নের উত্তরগুলো যদি আপনার জানা না থাকে এবং আপনি যদি  জানতে আগ্রহী হন যে আসলে আউটপুট ডিভাইস কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে  তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

কম্পিউটার বর্তমানে জনপ্রিয় একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস। কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বিদ্যমান রয়েছে। আউটপুট ও হল কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত বিভিন্ন ডিভাইস। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না আউটপুট ডিভাইস কি আর এটা কিভাবে কাজ করে। তাই যারা এ ব্যাপারে জানেন না তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট। চলুন প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে।

আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে:

আউটপুট ডিভাইস হল কম্পিউটারের এমন একটি অংশ যার মাধ্যমে  ব্যবহারের কাছে কোন ইনফরমেশন বোধগম্য করে প্রেরণ করে। সিপিও থেকে আসা বিভিন্ন বাইনারি ইনফর্মেশন কে আউটপুট ডিভাইস ব্যবহারকারীর বোধগম্য করে রূপান্তরিত করে। কম্পিউটার ব্যবহারকারীই বিভিন্ন ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য উপাত্ত প্রদান করলে সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আউটপুট ডিভাইস ব্যবহারকারীর বোধগম্য ফলাফল প্রদান করে থাকে।

এককথায় আমরা বলতে পারি কম্পিউটার আউটপুট ডিভাইস কম্পিউটার ইনপুট কৃত ডাটাকে বিশ্লেষণ করে আউটপুট হিসেবে ফলাফল প্রদর্শন করে। ব্যবহারকারীর সাথে কম্পিউটার এবং বিভিন্ন ডিভাইসের যোগাযোগ স্থাপন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আউটপুট।

আউটপুট ডিভাইস কত প্রকার:

আউটপুট ডিভাইস গুলোকে  মূলত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। নিচে আউটপুট এর প্রকারভেদ  দেয়া হলো: 

  1. ভিজুয়াল আউটপুট ডিভাইস।
  2. ডাটা আউটপুট ডিভাইস।
  3. প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস।
  4. সাউন্ড আউটপুট ডিভাইস।

আউটপুট ডিভাইস সমূহ:

উপরোক্ত চার ক্যাটাগরির বিভিন্ন আউটপুট  ডিভাইস গুলো সম্পর্কে লেখা হলো। 

ভিজুয়াল আউটপুট ডিভাইস- 

  • মনিটর.
  • প্রজেক্টর এবং.
  • ভিডিও কার্ড.

মনিটর (Monitor):

কম্পিউটারের ডিসপ্লে বা স্ক্রিনটি হল মনিটর। মনিটরকে কম্পিউটারের মূল বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়। এটি কম্পিউটারের মূল আউটপুট ডিভাইস। কম্পিউটার থেকে আসা ইনফরমেশন কে টেক্সট, ইমেজ, অডিও-ভিডিও রূপে প্রকাশ করে থাকে  মনিটর। বিভিন্ন ধরনের মনিটর হল ক্যাথোড রে টিউব মনিটর(CRT), লিকুইড ক্রিস্টাল  ডিসপ্লে মনিটর(LCD), TFT মনিটর, লাইট ইমিটিং ডায়োড মনিটর(LED), DLP মনিটর, টাচ স্ক্রিন মনিটর, প্লাজমা স্ক্রিন মনিটর,  অর্গানিক লাইট ইমিটিং ডায়োড মনিটর(OLED)।

মনিটর (Monitor)

প্রজেক্টর(Projector):

কম্পিউটার থেকে আসা আউটপুট ইমেজ বা ভিডিওকে কোন পর্দা বা দেয়ালে প্রজেক্ট করা হয়  প্রজেক্টরের মাধ্যমে। বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্টর গুলো হল ডিজিটাল লাইট প্রসেসিং(DLP), লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে(LCD), ক্যাথোড রে টিউব(CRT)। প্রজেক্টর হল মূলত একটি অপটিক্যাল ডিভাইস। এটি একটি স্কিনের উপর একটি ছবি প্রজেক্ট করে।  একটি ছোট স্বচ্ছ লেন্স এর মাধ্যমে আলো জ্বালিয়ে বেশিরভাগ প্রজেক্টর একটি ছবি তৈরি করে। আবার নতুন ধরনের কিছু প্রজেক্টর আছে যেগুলা লেজার ব্যবহার করে সরাসরি ছবিটি প্রজেক্ট করতে পারে।

প্রজেক্টর(Projector)

ভিডিও কার্ড(Video card):

একটি মাদারবোর্ড এর অংশ হিসেবে ভিডিও  কার্ডকে ধরা হয়।  ভিডিও কার্ড মুভিস বা ইমেজ দেখা এবং  কম্পিউটারে গেমস খেলার এক্সপেরিয়েন্সকে বৃদ্ধি করে।

ডাটা আউটপুট ডিভাইস- 

  • গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম(GPS)

 GPS:

কোন ডিভাইস এর লোকেশন কে ক্যালকুলেট করার জন্য জিপিএস ব্যবহার করা হয়। কৃত্রিম উপগ্রহ ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা হল জিপিএস।  যেকোনো আবহাওয়াতে জিপিএস পৃথিবীর যেকোন স্থির বা চলমান বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করতে পারে। অবস্থান নির্ণয় করাই এটিৱ প্রধান কাজ। একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা হল জিপিএস। জিপিএস ব্যবহারকারীরা নিজেরা কোন সংকেত উপগ্রহ প্রেরণ করতে পারেনা। তারা শুধুমাত্র উপগ্রহ থেকে পাঠানো সংকেত গ্রহণ করতে পারে।

GPS

প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস-

  • প্রিন্টার.
  • প্লটার.
  • ব্রেইল রিডার(Braille reader).

প্রিন্টার (Printer):

প্রিন্টার হলো সবচাইতে অন্যতম একটি আউটপুট ডিভাইস। কম্পিউটারের ইনপুট হিসেবে যেসব তথ্য প্রদান করা হয় তা আউটপুট হিসেবে ফলাফল প্রদর্শন করে প্রিন্টার। কাগজে আউটপুটের এই কপিটি কে বলা হয় হার্ডকপি।

প্রিন্টার (Printer)

প্লটার (Plotter):

প্রিন্টারের ন্যায় আরেকটি আউটপুট ডিভাইস হলো প্লটার। এটি অংকন, চার্ট, গ্রাফ ইত্যাদি প্রিন্ট করতে পারে। এমনকি এটি থ্রিডি প্রিন্টিং ও করতে পারে। ব্যানার এবং পোস্টার প্রিন্ট করা যায় এটির মাধ্যমে। বড় ধরনের কোন ছবিকে বা গ্রাফ প্রিন্ট করার জন্য প্লটার ব্যবহার করা হয়।

ব্রেইল রিডার (Braille Reader):

ব্রেইল ৱিডার সাধারণত একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা কিনা একজন অন্ধ ব্যক্তি কে কম্পিউটারের মনিটরের প্রদর্শিত লেখা গুলোকে পড়তে সাহায্য করে। এটি একটি electro-mechanical ডিভাইস। এটি একটি সমতল পৃষ্ঠ ছিদ্রের মধ্য দিয়ে উত্থিত গোলাকার টিফিন এর মাধ্যমে অক্ষর প্রদর্শন করে।

সাউন্ড আউটপুট ডিভাইস-

  • অডিও স্পিকার.
  • হেডফোন.
  • সাউন্ড কার্ড.

অডিও স্পিকার (Audio Speakers): 

কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা কম্পিউটারের শব্দ শোনার জন্য অডিও স্পিকার ব্যবহার করে থাকে। স্পিকার বর্তমান মাল্টিমিডিয়ার পিসির সবচেয়ে অন্যতম অংশ।  অডিও শোনার জন্য বর্তমানে বেশিরভাগ ব্যবহারকারীরাই এক্সটার্নাল স্পিকার ব্যবহার করে থাকেন। এক্সটার্নাল স্পিকারেৱ অডিও মান অত্যন্ত ভালো। এক্সটার্নাল স্পিকারের এমপ্লিফায়ার যুক্ত থাকার ফলে ম্যানুয়ালি হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

হেডফোন (Headphones):

কানের কাছে রাখা এক জোড়া ট্রান্সডুসার হলো হেডফোন। এটি মিডিয়াপ্লেয়ার বাড়ি সিলেট থেকে বঞ্চিত তরঙ্গ ধরে সেটিকে শ্রবণযোগ্য শব্দ তরঙ্গের রূপান্তর করে। সাধারণত ওয়াকম্যান, সেলুলার টেলিফোন, সিডি গেমার, ভার্চুয়াল অডিও প্লেয়ার এমপি 3 প্লেয়ার এবং ব্যক্তিগত কম্পিউটার সিস্টেমের সাথে হেডফোন ব্যবহার করা হয়। 

হেডফোন (Headphones)

সাউন্ড কার্ড (Sound Card):

একটি অভ্যন্তরীণ সম্প্রসারণ কার্ড হল সাউন্ড কার্ড। কম্পিউটার প্রোগ্রামের নিয়ন্ত্রণে থাকা কম্পিউটার থেকে এবং তার থেকে অডিও সিগন্যালের ইনপুট এবং আউটপুট প্রদান করাই হল সাউন্ড কার্ডের কাজ।

উপসংহার: আজকের পোস্টটি এই পর্যন্তই।  আশা করি আজকে আমাদের এই পোষ্টটি পড়ে আপনি আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে এই সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা পেয়েছেন। আজকের পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়লে আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে এবং এর কাজ কি বিষয়ে আপনার আর কোন সন্দেহ থাকবে না। আশাকরি আমাদের আজকের এই পোষ্ট টি আপনার খুব ভালো লেগেছে। আউটপুট ডিভাইস সম্পর্কে আর কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন। আউটপুট ডিভাইস ছাড়া অন্য কোন বিষয় জানার থাকে তাহলে আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন আমরা অবশ্যই সেগুলো নিয়ে লিখার চেষ্টা করব

Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex