ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম ২০২১

0

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম: আপনি কি  ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ইচ্ছুক ? ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান ?

প্রযুক্তির উৎকর্ষতার স্বার্থে পেশাগত জীবনে পরিবর্তন হয়েছে। মানুষ নিজের পছন্দে আজকাল নিজের পছন্দের পেশা বেছে নিচ্ছে। নিজের আর্থ-সামাজিক উন্নতির স্বার্থে আজকাল সকলের একটি ব্যক্তিগত গাড়ির চাই ই চাই। গাড়ি মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা হিসেবে বিদ্যমান হয়েছে। তাই শুধুমাত্র শখের গাড়িটি কিনলেই হবে বরং সেই গাড়িটির চালানোর জন্য ড্রাইভিং জানতে হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম  জানতে হলে চোখ রাখুন।

একটি গাড়ি অনেকের যেমন নিজের স্বপ্ন আবার অন্যদিকে অনেকের টাকা আয়ের অন্যতম উৎস। কারণ অনেকেই ড্রাইভিং করাকে নিজের স্কিল হিসেবে বিবেচনা করে টাকা আয়ের অন্যতম একটি মাধ্যম হিসেবে নিজের পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে ড্রাইভিংকে। অনেকে আবার পার্ট টাইম জব হিসেবে বেছে নিয়েছে ড্রাইভিংকে। তাই ড্রাইভিং বর্তমানে চাহিদাসম্পন্ন পেশা হিসেবে নিজের আসন পাকাপোক্ত করে নিয়েছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম জানতে সাথেই থাকুন।

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার খরচ

 বর্তমানে সময়ে অনেকের মধ্যে ড্রাইভিং শেখার একদম আগ্রহ কাজ করে। তা অবশ্যই একটি ভালো দিক। উন্নত বিশ্বে নেই নিজের পার্ট টাইম চাকরি হিসেবে বেছে নেওয়া হচ্ছে ড্রাইভিং পেশাকে। তাই নিজের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আপনাকে শুধুমাত্র ড্রাইভিং জানলেই হবে না সেই সাথে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আপনাকে আবেদন করতে হবে। একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হলে আপনাকে আগে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার খরচ সম্পর্কে জানতে হবে। চলুন তাহলে জেনে আসি ড্রাইভিং লাইসেন্স করার খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত-

  • আপনি যদি ড্রাইভিংয়ে একদম নতুন হয়ে থাকেন তাহলে আপনি লাইসেন্স করার ক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন ক্যাটাগরি ১ কে। ক্যাটাগরি ১ এ লাইসেন্স করতে হলে আপনাকে খরচ করতে হবে ৩৪৫ টাকা।

  • আপনি যদি ড্রাইভিংয়ে কিছুটা অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকেন তাহলে আপনি বেছে নিতে পারেন ক্যাটাগরি ২ এ। ক্যাটাগরি ২ এ আপনি রেজিস্ট্রেশন করতে হলে আপনার খরচ পড়বে  ৫১৮ টাকা।

  •  আপনি যদি পেশাদার হিসেবে ড্রাইভার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি মাসিক ১৬৮০ টাকা চার্জ হিসেবে কাটা হবে।

  •  আপনি যদি অপেশাদার হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে ২৪৪২ টাকা জমা দিতে হবে। 

আপনি ড্রাইভিং লাইসেন্সের  জন্য আবেদন করতে হলে সেই আবেদন আপনাকে আপনার  করে আপনি সেই লাইসেন্স এর কপির সাথে তাদের অনুমোদিত ব্যাংক সমূহে টাকা প্রদান করে সেই রশিদ জমা দিতে হবে আবেদন পত্রে জমা দেওয়ার সময়ে । যদি জানতে চান ড্রাইভিং লাইসেস্ন করার নিয়ম সম্পর্কে তাহলে সাথেই থাকুন।

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম ২০২১

ড্রাইভিং লাইসেন্স মূলত একটি দলিলস্বরূপ। যা আপনাকে একটি বৈধ সনদ প্রদান করে থাকে। যা আপনাকে ভবিষ্যতে নিরাপদে ড্রাইভিং করতে ভূমিকা পালন করে থাকে। চলুন তাহলে জেনে নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম সম্পর্কে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম 

আপনি যদি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চান সে ক্ষেত্রে আপনাকে দুই ধরণের নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। 

  • অফলাইন। 

  • অনলাইন। 

আমি এখন অফলাইনের নিয়মসমূহ আলোচনা করব। আপনি যদি ড্রাইভিং লাইসেস্ন পেতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে নিচের নিয়মসমূহ অনুসরণ করতে হবে।

  • প্রথমে আপনাকে বিআরটিএ(BRTA) অনুমোদিত অফিস সমূহে যেতে হবে। 

  • আপনার সাথে করে এনআইডি /জন্ম নিবন্ধন/পাসপোর্টের ফটোকপি নিয়ে যেতে হবে।

  • সাথে অবশ্যই নিতে হবে দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

  • অনুমোদিত যেকোনো রেজিস্ট্রার্ড ডাক্তার কর্তৃক সনদপত্র।

  • কর্তৃপক্ষ থেকে আপনাকে একটি ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে।

  • ফর্মে উল্লেখিত তথ্যাদি পূরণ করে আপনাকে ব্যাংক বরাবর আপনি যে লাইসেন্স করতে চান তার উপর নির্ভর করে অর্থ প্রদান করবেন।

  • অভিজ্ঞতা হিসেবে ড্রাইভিং শেখার ৩ মাসের অধিক ড্রাইভিং করার সনদের পাশাপাশি  আপনাকে লিখিত এবং মৌলিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

  • সকল তথ্যাদি পূর্ণ করে নির্ধারিত ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে সেই রশিদ সহ ফর্ম পূরণ করে কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিতে হবে।

  • আপনার তথ্যাদি যাচাই বাছাই করে নির্ধারণ করা হবে আপনি যোগ্য কিনা।

এভাবেই উপরোক্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম অনুসরণ করে আপনি পেয়ে যেতে পারেন আপনার কাঙ্খিত ড্রাইভিং লাইসেন্স। 

অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স  করার নিয়ম:

বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যানে আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা হয়ে উঠেছে সহজ, সরল এবং স্বাভাবিক। আপনি চাইলে অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসেই আবেদন করতে পারেন ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য। চলুন জেনে নেই অনলাইনের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম সম্পর্কে:

  • প্রত্যমে আপনাকে আপনার নিকটস্থ কম্পিউটার দোকানে গিয়ে কিংবা আপনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কিংবা ল্যাপটপ থেকে যেতে হবে নিচের লিংকে

  • www.brta.govt.com

  • লিংকে গিয়ে প্রথমে আপনাকে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/জন্মনিবন্ধন এর স্ক্যানকপি সহ ফরম এ তথ্যাদির স্থানে পূরণ করতে হবে।

  • ফর্ম এর সাথে জমা দিতে হবে ২ কপি ছবি। তবে ছবির ক্ষেত্রে ছবির আয়তম অবশ্যই ৩০০×৩০০ হতে হবে।

  • বাংলাদেশ সরকারের অধীনস্থ যেকোনো মেডিকেল অফিসার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট ফাইল এর স্ক্যান কপি জমা দিতে হবে।  ফাইল সাইজ ৩০০ এর কিলোবাইটের বেশি হওয়া উচিত নয়।

  • এই সকল তথ্যাদির পাশাপাশি আপনি কোন ধরণের ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চাচ্ছেন তার ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে প্রয়োজনীয় টাকা প্রদত্ত ব্যাংকে এ জমা দিয়ে প্রাপ্ত রশিদের স্যান কপি পূরণ করতে হবে।

  • ড্রাইভিং লাইসেন্সের এর জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে অবশ্যই পূর্বে অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হবে। লাইসেন্স করতে হলে  হবে এ,তার জন্য নূন্যতম ড্রাইভিং ৩ মাস শেখার সনদ এর পাশাপাশি লিখিত, মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

  • সকল তথ্যাদি পূরণ করতে আপনাকে সাবমিট করতে হবে।

কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদন যাচাই করে আপনাকে তাদের ফলাফল জানাবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরম :

ড্রাইভিং লাইসেন্স আজকাল নানা ধরনের ক্ষেত্রে কাজে লাগে আমাদের। তাই আপনাকে প্রথমে একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স করে নিতে হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে আপনাকে আবেদন করতে হবে একটি নির্দিষ্ট ফরমের মাধ্যমে। উপরে আলোচনা করেছি ড্রাইভিং লাইসেন্সকরার দুই ধরণের প্রক্তিয়া রয়েছে।

অনলাইন ফরম:

আপনি আপনার ধরণের উপর নির্ভর করে সম্পন্ন করবেন ড্রাইভিং  লাইসেন্স এর ফরম । আপনি যে উপায়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করুন না কেন আপনাকে আবেদন করতে হবে  নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে। সেক্ষেত্রে আপনি যদি অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার  জন্য  অনলাইনে ফরমে আবেদন করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাক যেতে হবে www.barta.govt.com

 ওয়েবসাইটে সেখানে আপনি ড্রাইভং লাইসেন্স করার জন্য নির্দিষ্ট ফরম পেয়ে যাবেন।

ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরম

ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরম

অফলাইন ফরম:

এছাড়াও আপনি যদি অফলাইনের মাধ্যমে ড্রাইভিং  লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে চান সেই ক্ষেত্রে আপনাকে বিটিআর অনুমোদিত অফিসে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আপনি সেখানে উপস্থিত হলে নিয়োজিত কর্তৃপক্ষকে আপনাকে ড্রাইভিং লাইসেস্ন করার জন্য প্রদান করবে একটি নির্দিষ্ট ফর্মে। ড্রাইভিং লাইসেন্স  করার ইচ্ছা থাকলে পূরণ করতে হবে সেই ফরমটি।

ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা পদ্ধতি

আপনি যেভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চান না কেন, আপনাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার উত্তীর্ণ হলে অবশ্যই আপনাকে আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। আপনি  দুই ধরণের পরীক্ষার এই এক্ষেত্রে অনুষ্ঠিত  হয়ে থাকে। 

  • লিখিত। 

  • মৌখিক।

তবে পরীক্ষা যে মাধ্যমে হউক না কেন আপনাকে পরীক্ষার আগে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। মুলত brta এর অনুমোদিত কিছু অফিসসমূহ রয়েছে সারাদেশে সেই সকল প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয় এই পরীক্ষা। 

লিখিত পরীক্ষা:

ড্রাইভিং লাইসেন্স একটি  সরকারি পরীক্ষা ,এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নাম্বারের উপর ভিত্তি  করে আপনাকে প্রদান করা হবে লাইসেন্স। তাই লাইসেন্স পেতে হবে হলে নির্দিষ্ট নম্বরের পেয়ে  উত্তীর্ণ হতে হবে। আপনি যদি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হতে চান আপনাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স নমুনার  প্রশ্নত্তর মূলত বেশির ভাগ বই পাওয়ায় যায় বাজারে। আপনি সেই সকল বইয়ে পেয়ে যাবেন  পারেন উক্ত পরীক্ষার উপর কিছু প্রশ্ন উত্তর। মূলত নমুনা প্রশ্নোত্তর সমূহ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পুনরায় দেওয়া হয় পরীক্ষায়। তাই এই প্রশ্ন উত্তর সমূহ চর্চা করলে আপনি নিজের  অবস্থা পরিবর্তন করে নিতে পারেন।

মৌখিক পরীক্ষা:

এছাড়াও আপনি মৌলিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে আপনাকে ট্রাফিক চিহ্নসমূহে ভালো ধারণা রাখতে হবে। মূলত মৌখিক পরীক্ষায় ক্ষেত্রে প্রশ্নসমূহ ট্রাফিক চিহ্নসমূহের উপর করা হয়। আপনাকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে সেই চিহ্ন সমূহের উপর পর্যাপ্ত ধারণা থাকতে হবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়েছে কিনা কিভাবে জানবো

ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর আপনাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়েছে তা কিনা তা চেক করে নিতে হবে। আপনি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন কিনা তা জানতে হলে আপনি দুই ধরণের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে পারেন।

  • মোবাইল এর মাধ্যমে। 

  • সফটওয়্যারের মাধ্যমে।

এই দুই মাধ্যমে আপনি খুব সহজে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়েছে কিনা তা জানতে পারবেন।

বিআরটিএ ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক: Driving License Check BD

আপনি যদি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আপনার আবেদন সম্পন্ন করে থাকেন তখন  আবেদনের ফলাফল জানতে আপনার মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে টাইপ করতে হবে DL নাম্বার লিখে পাঠিয়ে দিন 6969 নাম্বারে।

পরবর্তী ম্যাসেজের মাধ্যমে তারা আপনাকে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের বর্তমান অবস্থা,সেই পেতে কতক্ষন সময় লাগবে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার সফটওয়্যার

আপনি যদি ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়েছে কি না তা জানতে চান সেক্ষেত্রে আপনি সফটওয়্যারের মাধ্যমে তা করতে পারবেন। আপনাকে আপনার মোবাইল অপশনে গিয়ে Dl Checker  নাম সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিতে হবে। আপনাদের সুবিধার্থে আমি নিচে লিংক যুক্ত করে দিচ্ছি। 

https://play.google.com/store/apps/

ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার সফটওয়্যার

লিংকে গিয়ে আপনি সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করার পর সফটওয়্যারটি ওপেন করে নিতে হবে। সেখানে আপনাকে আপনার DL নামাবার টি জানতে চাইলে। DL নম্বর প্রদান করে আপনার ড্রাইভিং লাইসেস্ন সম্পন্ন হয়েছে কিংবা বা কত সময় লাগবে তা সহজে জানতে পারবেন।

ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর

ড্রাইভিং লাইসেন্স অনেকের কাছে বহু আকাঙ্খিত কার্ডের নাম। তাই এই ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে থাকে অনেকের অনেক ধরণের জিজ্ঞাসা। আমি তাই আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কিত নমুনা কিছু প্রশ্ন তুলে ধরছি। আশা করি আপনাদের যথাযথ তথ্যাদি দিয়ে সম্পম্ম করতে পারব।

১.ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন কিভাবে করব?

 উত্তরঃ আপনি অনলাইন কিংবা অফলাইন এই দুই মাধ্যমের  ফলে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

২ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার বয়স কত?

উত্তরঃ একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার করে সর্বনিম্ন বয়স ১৮ নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আরও কিছু বিষয়াদি উল্লেখিত থাকে।

৩.ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য পাশ নম্বর কত?

উত্তরঃ আপনি লিখিত পরীক্ষায় সর্বনিম্ন ১২ নম্বর পেলে পাশ করতে পারবেন।

৪.ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার দক্ষত অর্জন করতে হলে কি করতে হবে?

উত্তরঃ সবার আগে ড্রাইভিং শিখতে হবে। পাশাপাশি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।

৫.ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ কয় বছর?

উত্তরঃ পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৫ বছর এবং অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মেয়ার সর্বনিম্ন ১০ বছর।

৬.ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ডাক্তারি সনদ কেন প্রয়োজন?

উত্তরঃ আপনি কতটা ফিট রয়েছে তা জানার জন্য প্রয়োজন হয় ডাক্তারি সনদ।

উপসংহারঃ আশা করি আজকের পোস্টের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে অনেক জানা অজানা তথ্যাদি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। তাই আজই ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম অনুসরন করে সংগ্রহ করুন নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্স। 

Leave A Reply

Your email address will not be published.