vlxxviet mms desi xnxx

ট্রান্সফরমার কাকে বলে?

0

ট্রান্সফরমার কাকে বলে? | ট্রান্সফরমার এর কাজ কি?

ট্রান্সফরমার কাকে বলে এবং ট্রান্সফরমার কত প্রকার ও কি কি  জানার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটের ইতিমধ্যে যারা এসেছে তাদেরকে স্বাগত জানাচ্ছি। কারণ আমরা আপনাদেরকে ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইস সমূহের মধ্যে এমন একটি যন্ত্রের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব যে যন্ত্রের সাহায্যে ইলেকট্রনিক্স এর বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে জানতে পারবেন।

তাছাড়া যে সকল শিক্ষার্থীরা ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করছেন তাদের জন্য আমাদের এই ট্রান্সফরমার কাকে বলে বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনারা যদি আমাদের সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়েন তাহলে অবশ্যই ট্রান্সফরমার সম্পর্কে ধারণা তৈরি  তৈরি হয়ে যাবে এবং অনেক কিছু জানতে পারবেন। তবে চলুন তাহলে আমরা আর অপেক্ষা না করেই আমাদের মূল বিষয়টি সম্পর্কে জেনে নিই।

ট্রান্সফরমার কি? | ট্রান্সফরমার কাকে বলে?

ট্রান্সফরমার সম্পর্কে জানার আগে অবশ্যই আমাদেরকে ট্রান্সফরমার কাকে বলে অথবা ট্রান্সফরমার কি সম্পর্কে জানতে হবে। ট্রান্সফরমার হচ্ছে একটি ইলেকট্রিক ডিভাইস বা যন্ত্র। এটি ইলেকট্রনিক্স সম্পর্কিত কাজের অনেক গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হিসেবে এর মূল ভূমিকা পালন করে থাকে।

ট্রান্সফরমার শব্দটি এসেছে ইংরেজি শব্দ “ ট্রানসফরম” শব্দ থেকে। মূলত এটি একটি স্থির যন্ত্র বিশেষ যার সাহায্যে ফ্রিকোয়েন্সি হিসেবে ম্যাগনেটিক ফিল্ড পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এসি (AC) সাপ্লাই এর ভোল্টেজ (V) কমিয়ে এবং বৃদ্ধি করে ব্যবহার করা যায়।

ট্রান্সফরমার যন্ত্রটিতে দুইটি কোয়েল থাকে। প্রথম কয়ার দিকে প্রাইমারি এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে সেকেন্ডারি পয়েন্ট হিসেবে ধরা হয়। আর এই পয়েন্টের উপর নির্ভর করে আউটপুটে কি পরিমাণ ভোল্টেজ পাওয়া যাবে।

আরো দেখুন: ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কি?

ট্রান্সফরমার এর কাজ কি?

এখন অবশ্যই আপনাদের জানতে ইচ্ছে করবে ট্রান্সফরমার কিভাবে কাজ করে বা এর মূল কাজ কি? ট্রান্সফরমার মূলত করছে একটি যন্ত্র। যা মিউচুয়াল ইনডাকশনের মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে কাজ করে থাকে। ট্রান্সফরমার প্রাইমারি থেকে সেকেন্ডারি পাওয়ার ট্রান্সফার করে এবং এই পদ্ধতিতে এই যন্ত্রটি তার কাজ চালিয়ে যায়। প্রাইমারির কয়েল বিদ্যুৎ প্রবাহ করলে তখন এর চারপাশে একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয় এবং সেটি চৌম্বকীয় আবেশ এর সৃষ্টি করে। এবং এই ধরনের প্ল্যান্স গুলো সেকেন্ডারি কোয়েল হিসেবে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে থাকে।

ট্রান্সফরমার কত প্রকার ও কি কি?

ট্রান্সফরমারকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয় থাকে। তাই আপনাদের জন্য আমরা নিম্নে ট্রান্সফরমার এর সকল প্রকারভেদ গুলি তুলে ধরছি।

ব্যবহার অনুসারে ট্রান্সফরমার এর প্রকারভেদ

ব্যবহার অনুসারে ট্রান্সফরমারকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমনঃ

  • পাওয়া ট্রান্সফরমার।
  • ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার।
  • ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার।

পাওয়া ট্রান্সফরমার:

একটি ট্রান্সফরমার যে কারেন্ট এবং ভোল্টেজের কথা তো ভালোই পরিবর্তন করে আউটপুট দিয়ে থাকে এবং সাধারণত এই ধরনের ট্রান্সফরমার ইনপুট থেকে স্টেপ আপ অথবা স্টেপ আপ ডাউন করে থাকে বলে এদিকে পাওয়ার ট্রান্সফরমার বলে।

ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার:

মূলত  ট্রান্সফরমার ডিস্ট্রিবিউট করার ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়। তবে সাধারণত বাংলাদেশের ডিস্ট্রিবিউশন ভোল্টেজ ১১ কেভি , ৩.৩ কেভি, ০.৪ কেভিব্যবহার করে থাকে। আর এই ডিস্ট্রিবিউশন লাইনের মাধ্যমে গ্রাহক সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহ পেয়ে যায়। ডিস্ট্রিবিউশনে ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমের এবং ট্রান্সমিশন লাইনের পাওয়ার ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার:

যে ট্রান্সফরমার পাওয়ার স্টেশন অথবা সাবস্টেশনের ভোল্টেজ অথবা কারেন্ট পরিমাপের ক্ষেত্রে অথবা প্রটেক্টিভ ডিজাইন হিসেবে ব্যবহার করার জন্য যে সকল ট্রান্সফরমারকে কাজে লাগানো হয় তাদেরকে ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার বলে।

 স্থান অনুযায়ী ট্রান্সফরমার  এর প্রকারভেদ 

ব্যবহার স্থান ট্রান্সফরমারকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমনঃ

  • ইনডোর ট্রান্সফরমার।
  • আউটডোর ট্রান্সফরমার।

ইনডোর ট্রান্সফরমার:

যে সকল ট্রান্সফরমার ভিতরে অর্থাৎ ঘরের মধ্যে অথবা সেডের ভিতরে স্থাপন করা হয় সেই সকল ট্রান্সফরমারকে ইনডোর ট্রান্সফরমার বলে। 

আউটডোর ট্রান্সফরমার:

যে সকল ট্রান্সফরমার বাহিরে অর্থাৎ ঘরের বাহিরে অথবা খোলা স্থানে করা হয় সেই সকল ট্রান্সফরমারকে আউটডোর ট্রান্সফরমার বলে। 

ইলেকট্রিক সাপ্লাই অনুসারে ট্রান্সফরমার এর প্রকারভেদ

ইলেকট্রিক সাপ্লাই অনুসারে ট্রান্সফরমারকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমনঃ

  • সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার।
  • ত্রি ফেজ ট্রান্সফরমার।

সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার:

একটি অর্থাৎ সিঙ্গেল ফেজ লাইন এর কাজ করার জন্য যে ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় তাকে সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার বলে।

ত্রি ফেজ ট্রান্সফরমার:

যে ট্রান্সফরমার  প্রেমের মধ্যে দিয়ে দিন বা ত্রি ফেজ লাইন এ কাজ করে তখন তাকে ত্রি ফেজ ট্রান্সফরমার। 

ভোল্টেজ লেভেল অনুসারে ট্রান্সফরমার  এর প্রকারভেদ

ভোল্টেজ অনুসারে ট্রান্সফরমারকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমনঃ

  • স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার।
  • স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।

স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার:

ট্রান্সফরমার যখন প্রাইমারি সাইডের নিম্নমানের মুলটিসোর্স দেওয়ার পর সেকেন্ডারি উচ্চ মানের ভোল্টেজ পেয়ে যায় তখন তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে।

স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার:

যখন ট্রান্সফরমার একটি উচ্চ ভোল্টেজ সাপ্লাই দেওয়ার পর সেকেন্ডারি তে নিম্নমানের ভোল্টেজ পায় তখন তাকে এ স্তেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলা হয়।

ট্রান্সফরমারের কন্ডাকশন এর উপর এর প্রকারভেদ 

ট্রান্সফরমারের কন্ডাকশন এর উপর ট্রান্সফরমারকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমনঃ

  • কোর টাইপ ট্রান্সফরমার।
  • সেল টাইম ট্রান্সফরমার।

কোর টাইপ ট্রান্সফরমার:

যে ধরনের ট্রান্সফরমার এর ওয়াডিং গুলো কে ঘিরে রাখে এবং ওয়াডিং গুলো সিলিন্ডারের আকৃতির মত রুপ নেয়, প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারী ওয়াডিং এর স্টলগুলোতে সাজানো থাকে প্রাইমারি ওয়াডিং  কোরের কাছাকাছি অবস্থান করে এবং তার ওপরে সেকেন্ডারী ওয়াডিং করা হয়। আর এই সম্পূর্ণ পদ্ধতিটি কোর টাইপ ট্রান্সফরমার।

সেল টাইপ ট্রান্সফরমার:

যে ট্রান্সফরমার এর ভিতর ওয়াডিং গুলো থাকে এবং কোন ওয়াডিং গুলোকে ঘিরে রাখে সে রকম ট্রান্সফরমারকে সেল কোর  ট্রান্সফরমার বলে থাকে।

কোর মিডিয়াম এর উপর ট্রান্সফরমার এর প্রকারভেদ 

কোর মিডিয়াম  এর উপর ট্রান্সফরমারকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমনঃ

  • এয়ার কোর ট্রান্সফরমার 
  • আয়রন কোর ট্রান্সফরমার 

এয়ার কোর ট্রান্সফরমার:

যখন ট্রান্সফরমার বাতাসের মাধ্যমে পাওয়ার ট্রান্সফার করে অর্থাৎ ট্রান্সফরমার এর মধ্যে কোন রকমের কোর থাকবেনা সেটিকে মূলত এয়ার কোর ট্রান্সফরমার  বলা হয়ে থাকে। 

আয়রন কোর ট্রান্সফরমার:

যখন ট্রান্সফরমার সিলিকন আয়রন ফুলের মধ্যে দিয়ে পাওয়ার ট্রান্সফার হয়ে থাকে তখন সেটিকে আয়রন কোর ট্রান্সফরমার  মনে হয়।

ট্রান্সফরমার এর গঠন

ট্রান্সফরমার এর গঠন হচ্ছে তিনটি। যথাঃ

  • প্রাইমারি কোয়েল/ ওয়াইন্ডিং
  • সেকেন্ডারি কোয়েল/ ওয়াইন্ডিং
  • ম্যাগনেটিক কোর

প্রাইমারি কোয়েল/ ওয়াইন্ডিং:

সাধারণত প্রাইমারি কোয়েল/ ওয়াইন্ডিং এর ক্ষেত্রে আমরা যে পাওয়ার সাপ্লাই দিয়ে থাকি এবং যে পরিমাণ ভোল্টেজ সেকেন্ডারিতে পেতে চাই সেটিকে ডিপেন্ড করে প্রাইমারি ওয়াইন্ডিং এর তাদের সাথে প্যাচের সংখ্যার উপর নির্ভর করে।

সেকেন্ডারি কোয়েল/ ওয়াইন্ডিং:

সেকেন্ডারি কোয়েল/ ওয়াইন্ডিং এর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র এর আউটপুট পাওয়া যায়।

ম্যাগনেটিক কোর:

প্রাইমারি থেকে সেকেন্ডারি তে পাওয়ার পাঠানোর জন্য ট্রান্সফরমার এর যে সকল ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে থাকে এবং সেই অনুসারে কাজ করে থাকে তাকে ম্যাগনেটিক কোর বলে।

উপসংহারঃ আপনারা যারা ট্রান্সফরমার কাকে বলে এবং এর অন্যান্য বিষয়গুলো জানতে চেয়েছেন আশা করছে তারা আমাদের এই আর্টিকেল থেকে জানতে পেরেছেন। আমরা আপনাদেরকে প্রতিনিয়ত শিক্ষণীয় আর্টিকেল উপহার দিয়ে থাকি। যাতে করে আপনারা শিক্ষণীয় বিষয় গুলো সম্পর্কে সঠিকভাবে জ্ঞান অর্জন করতে পারে এবং জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে পারেন। তবে আপনারা যদি আমাদের পক্ষ হতে যেকোনো শিক্ষণীয় বিষয় অথবা ট্রান্সফরমার সম্পর্কিত আরও অন্যান্য তথ্য জানতে চান তাহলে আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex