vlxxviet mms desi xnxx

পূর্ণবর্গ সংখ্যা কাকে বলে?

0

পূর্ণবর্গ সংখ্যা কাকে বলে? | পূর্ণবর্গ সংখ্যা বের করার নিয়ম 

অংক বিষয়টির একটা মজার পার্ট হচ্ছে বর্গ করা। বর্গ করা অংক গুলো বরাবরই খুব মজার। কিছু পূর্ণ সংখ্যা গুলোর নির্দিষ্ট একটা ফলাফল পাওয়ার জন্য মূলত এই বর্গ করা হয়। অনেকেই আছেন যাদের অংক বিষয়টির বর্গমূল করার অধ্যায়টি বেশ পছন্দ। বর্গ অংক করা মানেই হচ্ছে নামতার ছড়াছড়ি। যা ছোট বেলায় আমরা প্রায় অনেকেই বেশ মজার ছলে নামতা গুলো পড়তাম এবং শিখতাম।

আজকের আর্টিকেল টি পূর্ণবর্গ সংখ্যা কাকে বলে সেটির উপর এবং পূর্ণবর্গ সংখ্যা কাকে বলে বা কি এবং এটি চেনার উপায় তার উপরই বিস্তারিত। চলুন তাহলে এর বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

আরো দেখুনঃ পূর্ণ সংখ্যা বের করার নিয়ম.

পূর্ণবর্গ সংখ্যা কি? 

“Integer” এর বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে পূর্ণ সংখ্যা। আর এই পূর্ণ সংখ্যার সাথে একই পূর্ণ সংখ্যার গুণফলই হচ্ছে পূর্ণবর্গ সংখ্যা।

পূর্ণবর্গ সংখ্যা কাকে বলে? 

একটি পূর্ণ সংখ্যার সাথে একই পূর্ণ সংখ্যার গুণফলকে পূর্ণবর্গ সংখ্যা বলা হয়। যেমনঃ ৭X৭ = ৪৯। এখানে ৪৯ হলো ৭ এর পূর্ণবর্গ সংখ্যা। তবে অনেক সময় এই বর্গ করার জন্য বেশ কয়েকটি পৌণপুণিক পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

পূর্ণবর্গ সংখ্যা বের করার নিয়ম

এতক্ষণের আলোচনায় আমরা জানলাম পূর্ণবর্গ সংখ্যা কাকে বলে বা পূর্ণবর্গ সংখ্যা মূলত কি তা সম্পর্কে। এখন চলুন জেনে নেই পূর্ণবর্গ সংখ্যা বের করা যায় সেটির নিয়ম সম্পর্কে। 

প্রথমেই যদি ভাবি যে পূর্ণবর্গ সংখ্যা কিভাবে বের করা যায় তবে পূর্ণবর্গ সংখ্যার ক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে পূর্ণবর্গ সংখ্যা একক স্থানীয় অংক কিনা। অর্থাৎ, একক স্থানীয় অংক ০, ১, ৪, ৫, ৬, এবং ৯ কিনা। 

পূর্ণবর্গ সংখ্যা একক স্থানীয় অংক কখনোই ২, ৩, ৭ এবং ৮ হবে না।

পূর্ণবর্গ সংখ্যা যদি আমরা পরপর যোগ করে এক অংকের একটি সংখ্যা পাই এবং সেটি যদি ১, ৪, ৫, ৬, এবং ৯ হয় তবে সেটি অবশ্যই পূর্ণবর্গ সংখ্যা। উদাহরণ দিয়ে যদি বলি তাহলে, 

২৫ কে বর্গ করলে আমরা পাবো ৬২৫। আর এই ৬২৫ কে যদি আমরা পরপর সংখ্যা হিসেবে যোগ করি তাহলে দাঁড়াচ্ছে, ৬+২+৫ = ১৩। 

এবার ১৩ কে যদি পরপর যোগ করি তাহলে দাঁড়াচ্ছে ১+৩ = ৪। 

আমরা প্রথমেই বলেছি, ১, ৪, ৫, ৬ এবং ৯ থাকলে সেটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা। অর্থাৎ, ৬২৫ কে আমরা পূর্ণবর্গ সংখ্যা বলতে পারি।

পূর্ণবর্গ সংখ্যা চেনার উপায়

পূর্ণবর্গ সংখ্যা চেনার একটি সহজ পদ্ধতি হচ্ছে পূর্ণ সংখ্যা কে ভাগ পদ্ধতিতে বর্গ করা এবং বর্গমূল বের করা। বর্গমূল বের করার পর যদি দেখা যায় সংখ্যাটি নিঃশেষে ভাগ গিয়েছে তবে সেটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা। 

কোনো সংখ্যার ক্ষেত্রে যদি সে সংখ্যার শেষে বিজোড় সংখ্যক শূন্য থাকে অর্থাৎ, ৪০, ৪০০০ ইত্যাদি তাহলে নিশ্চিত হতে হবে যে এটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা নয়। 

এভাবেই পূর্ণবর্গ সংখ্যা চেনা যায় এবং প্রয়োজন ভেদে সংখ্যাটির বর্গমূলও বের করা যায়।

আরো দেখুনঃ

পরিশেষে বলতে পারি, পূর্ণবর্গ সংখ্যা কাকে বলে এটি জানার পাশাপাশি জানতে হয় পূর্ণবর্গ সংখ্যা কিভাবে বের করতে হয় এবং এর চেনার সহজ উপায়। যার ফলে পূর্ণ সংখ্যাটি সহজে এবং নির্ভুল ভাবে বর্গ করা যায়। 

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex