vlxxviet mms desi xnxx

নামাজের ফরজ কয়টি ও কি কি?

0

নামাজের ফরজ কয়টি ও কি কি? (ওয়াজিব, সুন্নত ও মোস্তাহাব)

প্রত্যেক মুসল্লির পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া ফরজ। তাই প্রত্যেকদিন আমরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে থাকি। আর এই পাঁচ নামাজের মধ্যে এবং নামাজের বাহিরে কিছু ফরজ রয়েছে। আপনারা যারা নামাজের ফরজ কয়টি জানতে চান তাদের জন্য আমরা এ প্রশ্নের উত্তর নিয়ে এসেছি।

আমরা ইসলামের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় আছে যা জানি না। তার জন্য আমরা কমবেশি সকলেই জানার চেষ্টা করে থাকি। আর তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নামাজের ফরজ কয়টি? আপনারা যারা এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন এবং আমাদের ওয়েবসাইটে এসেছেন তারা আশাহত হবেন না। কারণ আমরা আমাদের এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নামাজের ফরজ কয়টি এবং এর বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরব। চলুন তাহলে আমরা এবার বিস্তারিত জেনে নিই নামাজের ফরজ কয়টি ও কি কি?।

আরো দেখুনঃ আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম।

নামাজের ফরজ কয়টি ও কি কি?

নামাজের ফরজ হচ্ছে ১৩টি। আর এই ১৩ ফরজের মধ্যে কিছু ফরজ আছে বাহিরে এবং কিছু ফরজ আছে ভেতরে। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা এই সকল ফরজ গুলো উল্লেখ করার পর প্রমাণস্বরূপ হাদিস জানিয়ে দিবো। সুতরাং নামাজের ফরজ গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো-

নামাজের ভিতরের ফরজ:

নামাজের ভিতরের ফরজ ৬ট। আর সেগুলো হচ্ছে-

  • তাকবীরে তাহরীমা বা নামাজ শুরু করার সময় আল্লাহু আকবার বলা। (সূরা মুদ্দাসসির; আয়াত সংখ্যাঃ ৩; বুখারী- ১/১০১, হাদিস নংঃ- ৮৩৩; মুসলিম ১/১৭৬, হাদিস নংঃ- ৪১১, ৪১২; তিরমিজি ১/৫৫, হাদিস নংঃ- ২৩৮)।
  • ফরজ এবং ওয়াজিব নামাজ দাঁড়িয়ে আদায় করা।(সূরা বাকারা; আয়াত সংখ্যাঃ ২৩৮; বুখারী- ১/১৫০, হাদিস নংঃ- ১১১৭; তিরমিজি ১/৬৬, হাদিস নংঃ- ২০৪)।
  • কেরাত পাঠ করা। কোরআন শরীফের ছোট একটি আয়াত পাঠ করা ফরজ। (সূরা মুজ্জাম্মিল; আয়াত সংখ্যাঃ ২০; বুখারী- ২/৯২৪, হাদিস নংঃ- ৬২৫১; তিরমিজি ১/৬৬, ৬৭, হাদিস নংঃ- ৩০২, ৩০৩)।
  • রুকু দেয়া।  (সূরা হজ; আয়াত সংখ্যাঃ ৭৭; বুখারী- ১/১৫০, হাদিস নংঃ- ১১১৩, ১১১৪; মুসলিম ১/১৭৭, হাদিস নংঃ- ৪১২)।
  • দুই সেজদা দেয়া।  (সূরা হজ; আয়াত সংখ্যাঃ ৭৭; বুখারী- ১/১০১, হাদিস নংঃ- ৭৩৩; মুসলিম ১/১৭৬, হাদিস নংঃ- ৪১১)।
  • শেষ বৈঠক নামাজের শেষে তাশাহুদ পরিমাণ।  (য়াবু দাউদ ১/১৩৯, হাদিস নংঃ- ৯৭০)।

নামাজের বাহিরের ফরজ:

নামাজের বাহিরের ফরজ ৭ট। আর সেগুলো হচ্ছে-

  • শরীর পাক পবিত্র করা। (সূরা মায়িদা; আয়াত সংখ্যাঃ ৬; তিরমিজি, হাদিস নংঃ ১, ৩)
  • কাপড় পাক পবিত্র করা। (সূরা মুদ্দাসসির; আয়াত সংখ্যাঃ ৪; তিরমিজি, হাদিস নংঃ ১, ৩)
  • নামাজের জায়গা পাক পবিত্র করা। (সূরা বাকারা; আয়াতঃ ১২৫; তিরমিজি, হাদিস নংঃ ১, ৩)
  • সতর ঢাকা। পুরুষের ক্ষেত্রে নাভি থেকে হাটুর নীচ পর্যন্ত এবং নারীর ক্ষেত্রে চেহারা, দুই হাতের কব্জি এবং পায়ের পাতা পর্যন্ত ঢেকে দিতে হবে। ( এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে নারীর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ শরীর সতরের অন্তর্ভুক্ত)। (সুরা আরাফ;আয়াত সংখ্যাঃ- ৩১; সুরা নূর; আয়াত সংখ্যাঃ- ৩১; আবু দাউদ, হাদিস : ৪৯৬ (হাসান); মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ৬৭৫৬ (হাসান); তিরমিজি ১/২২২, হাদিস : ১১৭৩, ৩৭৭ (সহিহ); আবু দাউদ ১/৯৪, হাদিস : ৬৪১ (সহিহ), ২/৫৬৭, হাদিস : ৪১০৪; মারাসিলে আবি দাউদ ৮৬, হাদিস : ২৮)।
  • কিবলামুখী হতে হবে।(সূরা বাকারা; আয়াত সংখ্যাঃ ১৪৪; বুখারী ২/৯২৪, হাদিস নংঃ ৬২৫১)।
  • ওয়াক্ত মত নামাজ আদায় করা। ( সূরা নিসা; আয়াত সংখ্যাঃ ১০৩; বুখারী ১/৭্‌ হাদিস নংঃ ৫২১)।
  • অন্তরে নির্দিষ্ট নামাজের জন্য নিয়ত করা। ( বুখারী ১/২; হাদিস নংঃ- ১)।

নোটঃ নামাজি ব্যক্তি যদি নিজস্ব কোন কাজের মাধ্যমে সালাম ফেরানোর মধ্যে দিয়ে নামাজ থেকে বের হওয়া ও একটা ফরজ। ( আল বাহ্রুর রায়িক ১ঃ ৫১৩)।

তাছাড়া ফরজ নামাজের ক্ষেত্রে কোন ফরজ কাজ বাদ হয়ে গেলে তা যদি সাহু সিজদা করা হয় তাহলে তার সহীহ হয় না। ( আল বাহ্রুর রায়িক ১ঃ ৫০৫; ফাতাওয়া শামি ১ঃ ৪৪৭, হিদায়া ১ঃ ৯৮)।

আরো দেখুনঃ আল্লাহর ৯৯ নাম মুখস্ত করার সহজ উপায়।

নামাজের ওয়াজিব, সুন্নত মোস্তাহাব

ইতিমধ্যে আমরা নামাজের ফরজ গুলো জেনে গিয়েছি। কিন্তু নামাজের ফরজ ছাড়াও নামাজের ওয়াজিব, সুন্নাত এবং মুস্তাহাব রয়েছে। এগুলো আপনাদের মধ্যে আমরা শেয়ার করে দিব।

নামাজের সুন্নত সমূহ

নামাজের মধ্যে যেমন ফরজ রয়েছে ঠিক তেমনি নামাজের মধ্যে সুন্নত রয়েছে। আর নামাজের মধ্যে সুন্নত গুলো পালন করা হয় মূলত হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাজের মধ্যে যে সকল ফরয-ওয়াজিব ছাড়াও আমল করতেন সে সকল আমল গুলো। আরে সম্পর্কে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ তোমরা নামায আদায় করো, যেমনি ভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছো’। ( বুখারী)।

সুতরাং নামাজের সুন্নাত ২১টি। এগুলো হলো-

  • নামাজ পড়ার সময় যখন তাকবীরে তাহরীমা বলা হয় তখন পুরুষের কানের লতি এবং নারীর কাছ পর্যন্ত দুই হাত উঠানো।
  • তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় দুই হাতের আঙ্গুলগুলো খুলে রাখা এবং কিবলামুখী করে থাকা।
  • নিয়ত সম্পন্ন হওয়ার পর ডান হাত বাম হাতের উপর রাখতে হবে। পুরুষের ক্ষেত্রে নাভির উপরে এবং নারীর ক্ষেত্রে বুকের ওপরে হাত রাখতে হয়।
  •  তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় মাথা অবনত করে রাখা।
  • আপনি যদি ইমামের পেছনে নামাজ আদায় করে থাকেন তাহলে ইমামের জন্য জুড়ে তাকবীর বলতে হয়।
  • সানা পাঠ করা।
  • আউজুবিল্লাহ বলা।
  • প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পূর্বে বিসমিল্লাহ পাঠ করা।
  • নামাজের ক্ষেত্রে তৃতীয় এবং চতুর্থ রাকাতে নামাজ আদায়ের সময় সূরা ফাতিহা পাঠ করা।
  • প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর আমিন বলা।
  • সানা, আউযুবিল্লাহ এবং আমিন বলার সময় আস্তে বলতে হয়।
  • এখন থেকে অন্য রুমে যাওয়ার সময় তাকবীর বলতে হয়।
  • রুকু এবং সিজদার তাসবীহ পাঠ করা।
  • রুকুতে যাওয়ার সময় মাথা এবং কোমর সোজা রাখা এবং দুই হাতের আঙ্গুল দিয়ে উপর হাঁটু ধরতে হয়।
  • রুকু থেকে উঠার সময় ইমামের সাথে “সামি আল্লাহুলিমান হামিদাহ এবং মুক্তাদির রাব্বানা লাকাল হামদ বলতে হয়। যদি নামাজ ইমাম ব্যতীত পড়া হয় তাহলে পুরোটাই বলতে হবে।
  • সিজদায় যাওয়ার সময় প্রথমে হাটু তারপর দুই হাত এবং তারপর নাক এবং কপাল মাটিতে রাখতে হয়।
  • বসার সময় বাম পা বিছিয়ে তার উপর বসা হয় এবং ডান পা খারাপ অবস্থায় রাখতে হয়।
  • তাশাহুদে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর আবদুহু ওয়ারাসুলূহু’- পাঠ করার সময় শাহাদাত আংগুল উঠাতে হয়। 
  • শেষ বৈঠকের সময় তাশাহুদের পর দুরুদ পাঠ করতে হয়।
  • দুরুদ পাঠ করার পর অবশ্যই মাসুরা পাঠ করতে হবে বা এ জাতীয় কোন দোয়া পাঠ করতে হয়।
  • সালাম ফিরানোর সময় প্রথমে ডান পাশে এবং পরে বাম পাশে সালাম ফেরাতে হয়।

 নামাজের ওয়াজিব সমূহ

নামাযের ওয়াজিব সমূহ হচ্ছে ১৪টি। সেগুলো হচ্ছে-

  • নামাজ পড়ার সময় প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা।
  • সূরা ফাতিহার সাথে অন্য যে কোন দোয়া সংযুক্ত করে পাঠ করা।
  • রুকু সিজদা এবং তেলাওয়াত এর আয়াত গুলো ধারাবাহিকতা সঠিক রাখতে হবে।
  • নামাজের রুকন গুলো সঠিকভাবে আদায় করতে হবে।
  • রুকু করার পর সোজা হয়ে দাঁড়াতে হয়। 
  • দুই সিজদার মাঝখানে  সোজা ভাবে বসা হয়।
  • তিন রাকাত বা চার রাকাত নামাজ আদায় করার ক্ষেত্রে দুই রাকাত পর তাশাহুদ পাঠ করতে হয়।
  • দুই রাকাত পর পর অবশ্যই তাশাহুদের জন্য বসতে হয়।
  • যদি মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করা হয় সে ক্ষেত্রে ইমামের জন্য উচ্চস্বরে তেলোয়াত এর স্থলে উচ্চস্বরে এবং নিম্ন স্বরে তেলাওয়াতের স্থলে চুপে চুপে তেলাওয়াত করতে হয়।
  • বিতর নামাজের সময় দোয়া কুনুত পাঠ করা।
  • সিজদার মধ্যে উভয় হাত ওহাট মাটিতে রাখতে হয়
  • নামাজের মধ্যে যদি কোন আয়াত পাঠ করার সময় চিন্তা চলে আসে তাহলে তিলাওয়াতের সিজদা দিতে হবে।
  • মুসলিমদের দুই ঈদে অতিরিক্ত 6 তাকবীর পাঠ করা।
  • আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ বলে নামাজ শেষ করতে হয়।

 নামাযের মোস্তাহাব সমূহ

নামাযের মোস্তাহাব ৭টি। সেগুলো হচ্ছে-

  • নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় সিজদার স্থান এর দৃষ্টি রাখতে হয়।
  • রুকুর সময় পায়ের ওপর এবং সিজদার সময় নাকের উপর এবং বসার সময় কোলের ওপর দৃষ্টি রাখতে।
  • হাতি এলে, হামি তুললে এবং কাশি হলে চেপে রাখার চেষ্টা করতে হবে।
  • ধীর-স্থিরভাবে কোরআনের আয়াত পাঠ করতে হবে।
  • সিজদার সময় উভয় হাতের মধ্যে স্থানে মাথা রাখতে হবে।
  • মাগরিবের নামাজের সময় ছোট সূরা পাঠ করা উত্তম।
  • যখন আপনি একা একা নামাজ আদায় করবেন তখন রুকু-সিজদা তাজবি তিনবারের বেশি সাতবার অথবা ৫ বার অথবা ৯ বার পাঠ করতে পারেন।

আরো দেখুনঃ সালাতুত তাসবিহ নামাজের নিয়ম.

উপসংহারঃ আশা করছি আপনারা যারা আমাদের ওয়েবসাইটে এসেছেন তারা নামাজের ফরজ কয়টি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এর পাশাপাশি আপনারা নামাজের ফরজ কয়টি ও কি কি? সুন্নত, ওয়াজিব এবং মুস্তাহাব সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। তবে আপনারা যদি নামাজ সম্পর্কে আরও অন্যান্য তথ্য বা বিস্তারিত তথ্য জানতে চান তাহলে আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। আমরা অবশ্যই আপনাদের কমেন্টের মাধ্যমে জেনে উত্তর দিয়ে দিবো। জাযাকাল্লাহ খাইরান।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex