vlxxviet mms desi xnxx

বিল গেটস এর জীবনী | বিল গেটস কত টাকার মালিক

0
Rate this post

বিল গেটস কে? | বিল গেটস এর জীবনী । বিল গেটস কত টাকার মালিক | বিল গেটস কোন ধর্মের অনুসারী

দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকা প্রথম স্থান অধিকারী ব্যক্তির নাম হল বিল গেটস। মূলত বিল গেটস হল খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী। এবং তিনি ২৮ অক্টোবর ১৯৫৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। আর বিল গেটস এর মোট সম্পদের পরিমাণ ১৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা আমাদের বাংলাদেশী টাকায় ১১ লাখ ৮৯ হাজার ৬৭২ কোটি টাকার সমান।

আরো দেখুন: পৃথিবীতে সবচেয়ে ভালো মানুষ কে?

সংক্ষিপ্ত পরিসরে বিল গেটস এর জীবনী

নাম: উইলিয়াম হেনরি গেটস Biography of Bill Gates পেশা: ব্যবসায়ী
পিতার নাম: উইলিয়াম এইচ গেটস সন্তানের নাম: জেনিফার ক্যাথরিন গেটস, ফোবি এডেল গেটস, ররি জন গেটস
মাতার নাম: মেরি ম্যাক্সওয়েল গেটস শিক্ষা: হাভার্ড ইউনিভার্সিটি
জন্ম তারিখ: ১৯৫৫ অক্টোবর ২৮ জন্মস্থান: ওয়াশিংটন
স্ত্রীর নাম: মেলিন্ডা গেটস বাসস্থান: আমেরিকা

প্রিয় পাঠক, আজকের এই আলোচনার মাধ্যমে আমি আপনাকে বিল গেটস এর জীবনী উল্লেখ করার চেষ্টা করব। যদিও বা বিল গেটস এই নামটি কে নতুন করে আর পরিচয় দেয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ তিনি হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি গোটা বিশ্বের মধ্যে দীর্ঘ 13 বছর পর্যন্ত। ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় প্রথম স্থান অধিকারী ছিলেন। এবং বর্তমান সময়ে তিনি গোটা বিশ্বের মধ্যে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান দখল করে আছেন।

যেহেতু তিনি গোটা বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় আছেন। সেহেতু আমাদের অনেকের মনে বিল গেটস এর জীবনী সম্পর্কে জানার ইচ্ছা জাগে। এর পাশাপাশি বিল গেটস আরও বেশ কিছু বিষয় রয়েছে। যে গুলো আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমি আপনাকে জানিয়ে দিবো।

বিল গেটস কে? | Who is Bill gates?

যদি কেউ প্রশ্ন করে যে, বিল গেটস কে। তাহলে আমি সেই প্রশ্নের উত্তরে বলব, বিল গেটস হলো কম্পিউটার সফটওয়্যার কোম্পানি মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠাতা। কারণ বিল গেটস হল এমন একজন ব্যক্তি। যার হাত ধরেই বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠানের সূচনা হয়েছিল। এর পাশাপাশি বিল গেটস হলো গোটা বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করা একজন ব্যক্তি। আর সবচেয়ে অবাক করা মত বিষয় হলো যে।

বিল গেটস গোটা বিশ্বের মধ্যে দীর্ঘ 13 বছর পর্যন্ত ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নিয়ে ছিলেন। কিন্তু এ গুলোর পাশাপাশি বিল গেটস হলো একজন লেখক, একজন সমাজসেবী। এবং বিল গেটস হলো একজন, সফটওয়্যার বিকাশকারী।

আরো দেখুন: মনীষীদের শিক্ষামূলক উক্তি.

বিল গেটস কোন ধর্মের অনুসারী

যেহেতু আপনি বিল গেটস এর জীবনী সম্পর্কে জানতে এসেছেন। সেহেতু অবশ্যই আপনার মনে একটি প্রশ্ন জেগে থাকবে। আর সেই প্রশ্নটি হল যে, বিল গেটস কোন ধর্মের অনুসারী। তো আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছেন। যারা আসলে মনে করে যে, বিল গেটস হলো ইসলাম ধর্মের অনুসারী। আর যারা এই বিষয় টি মনে করেন। তাদের বলব যে, বিল গেট হল খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী। তবে ২০১৫ সালে বিল গেটস এর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায় যে, বিল গেটস খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। 

কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য যে, এই ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি মূলত সত্য নয়। বরং সেই ভিডিও তে দেখা যায় যে, বিল গেটস এর মত দেখতে। একজন মানুষ কালিমা পড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছেন। কিন্তু সেই ব্যক্তিটি বিল গেট নয়। বরং সেটি হল অন্য আরেকজন ব্যক্তি। আর সেজন্য আপনাকে আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই যে। বিল গেট হল খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী।

বিল গেটস কত টাকার মালিক? | How Much Money Is Bill Gates?

আমরা সবাই জানি যে, বিল গেটস হলো গোটা বিশ্বের মধ্যে ধনী ব্যক্তি। কারণ তার এত বেশি পরিমাণে সম্পত্তি রয়েছে। যা সত্যিই অবাক করে দেওয়ার মতো। আর সে কারণেই আমাদের অনেকের জানার ইচ্ছা জাগে যে। বিল গেটস যেহেতু গোটা বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন। সেহেতু এই বিল গেটস কত টাকার মালিক হতে পারে। তো আপনার মনে যদি এই ধরনের প্রশ্ন জেগে থাকে। তাহলে আমি আপনাকে বলব যে।

বিল গেটসের মোট টাকার পরিমাণ হল ১১ লাখ ৮৯ হাজার ৬৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ বিল গেটস এর মোট অর্থের পরিমাণ ১৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এবং বিল গেটস যদি প্রতিদিন এক কোটি ডলার করে খরচ করেন। তাহলে তার সম্পূর্ণ সম্পদ শেষ হতে সময় লাগবে ৩৭ বছর এর বেশি। তাহলে একবার চিন্তা করে দেখুন যে, বিল গেটস কত টাকার মালিক হতে পারে।

বিল গেটস এর জীবনী

আলোচনার শুরু থেকে আপনি জানতে পেরেছেন যে, বিল গেটস কে এবং বিল গেটস কত টাকার মালিক। তো এই বিষয় টা জানার পাশাপাশি আপনাকে বিল গেটস এর জীবনী সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নিতে হবে। কারণ আজকের দিনে আমরা যে মানুষটি কে গোটা বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় দেখতে পাচ্ছি। সেই মানুষ টি কিন্তু একদিনে এই সফলতা পায়নি। বরং তার পিছনে বিল গেটস নামক মানুষ টি প্রচুর পরিমাণে পরিশ্রম করেছেন। সেই সাথে তিনি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছেন। যার কারণে তিনি গোটা বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকা নিজের নাম লেখাতে পেরেছেন। চলুন এবার তাহলে সেই বিখ্যাত ধনী ব্যক্তি বিল গেটস এর জীবনী জেনে নেওয়া যাক।

বিল গেটস এর শৈশব জীবন | Bill Gates’s childhood life

আজকের দিনে আমরা যে মানুষটি কে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় দেখতে পাচ্ছি। সেই বিল গেটস জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯৫৫ সালের অক্টোবর মাসের ২৮ তারিখ। এবং তিনি আমেরিকার Seattle, Washington নামক একটি জায়গা তে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বিল গেটস নামক বিশ্বের এই ধনী ব্যক্তির পিতার নাম হল, উইলিয়াম। এবং মাতার নাম হল, মেরি ম্যাক্সওয়েল গেটস। তবে বিল গেটস ছাড়াও তার পিতা এবং মাতার আরো দুইটি মেয়ে সন্তান ছিল। আর পারিবারিক সূত্রে জানা যায় যে, বিল গেটস এর পিতা একজন আইনজীবী ছিলেন। এবং বিল গেটস এর মা বিভিন্ন রকমের কোম্পানি তে উচ্চ পদের কর্মকর্তা ছিলেন।

বিল গেটসের Harvard University ত্যাগ

জীবনে চলার পথে আপনি অবশ্যই একটি কথা কখনো না কখনো শুনে থাকবেন। আর সে কথাটি হলো যে, বিল গেটস যদি ইউনিভার্সিটি ত্যাগ করার পরেও বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হতে পারে। তাহলে তুমি কেন পারবে না। আর এই উক্তিটির মধ্যে সত্যতা খুঁজে পাবেন। যখন আপনি বিল গেটস এর জীবনী সম্পর্কে জানবেন। কারণ বিল গেটস যখন তার প্রিপারেটরি স্কুলের মধ্যে অনেক ভালো ফলাফল করেছিলেন। তার পরবর্তী সময়ে তিনি হাভার্ড ইউনিভার্সিটি তে পড়ার সুযোগ পান। মূলত সেই সময়ে আমেরিকার মধ্যে এই ইউনিভার্সিটি অনেক বিখ্যাত ছিল। কিন্তু এরপরও বিল গেটস তার ইউনিভার্সিটি ছেড়ে দেন। এবং তিনি মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে পা বাড়ান। 

Harvard University

কিন্তু বিল গেটস এর পিতা এবং মাতার স্বপ্ন ছিল যে। তারা তাদের সন্তান কে আইন জীবী হিসেবে তৈরি করবে। আর সে কারণেই বিল গেটস যখন ইউনিভার্সিটি ত্যাগ করে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠার দিকে অগ্রসর হন। তখন তার পরিবার সবাই এই সিদ্ধান্ত কে অপছন্দ করেছিল। এবং পরবর্তী সময়ে তারা বিল গেটসের সিদ্ধান্ত কে মেনে নেয়। আর তারপরে বিল গেটস মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠা করতে পারে। এবং পরবর্তী সময়ে তিনি শুধু আমেরিকার মধ্যে নয়। বরং গোটা বিশ্বের মধ্যে নিজেকে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় স্থান দিতে পেরেছেন।

বিল গেটস এর কম্পিউটার পরিচয়

যেহেতু আপনি বিল গেটস এর জীবনী সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। সেহেতু অবশ্যই আপনাকে বিল গেটস এবং তার সাথে কম্পিউটারের পরিচয় এর ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে। কেননা বিল গেটস এর জীবনে এই কম্পিউটার মূলত টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে। কারণ বিল গেট যখন স্কুলে পড়াশোনা করত। তখন সে তার স্কুল থেকে Teletype Model 33 নামের একটি কম্পিউটার গিফট করেন। এবং সেই সময়ের অন্যান্য কম্পিউটার গুলোর থেকে এই Teletype Model 33 কম্পিউটার টি অনেক উন্নত ছিল। মূলত এই কম্পিউটারের মাধ্যমে বিল গেটস এমন কিছু করেছিল, যা সত্যি অবাক করে দেয়ার মত।

কারণ সে সময়ে প্রোগ্রামিং করা ছিল অনেক মজার একটি বিষয়। সে সময়ে আজকের দিনের মত কম্পিউটারে প্রোগ্রামিং করা হতো না। বরং একটি পাঞ্চ কার্ড এর মধ্যে প্রোগ্রাম লিখতে হতো। এবং সে প্রোগ্রাম গুলো বারবার চেক করা হতো। কারণ প্রোগ্রাম গুলোর মধ্যে যেন কোন প্রকারের ভুল না থাকে। যখন পাঞ্চ কার্ডের মধ্যে থাকা প্রোগ্রাম গুলো ঠিক থাকতো। তখন সেই পাঞ্চ কার্ড টি কম্পিউটার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হতো। আর এরপরে কম্পিউটার কর্তৃপক্ষ পাঞ্চ কার্ডের মধ্যে থাকা প্রোগ্রাম গুলো কে চেক করতো। কেননা সেই সময় যে সকল কম্পিউটার ছিল, সেই কম্পিউটার গুলো অধিক পরিমাণ প্রোগ্রাম এর লোড নিতে পারত না।

অপরদিকে বিল গেটস ছিল ম্যাথমেটিক্স এ অনেক দক্ষ একজন ব্যক্তি। এরপর ও তিনি নিজের চেষ্টা থেকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিখে নেন। এবং তিনি যখন কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিখেন। তখন তিনি নিজে থেকে একটি কম্পিউটার এর প্রোগ্রাম তৈরি করেন। আর তার প্রথম তৈরি করা কম্পিউটার প্রোগ্রামের নাম হল tic-tac-toe. যেটি মূলত গেমস এর মধ্যে ইমপ্লিমেন্ট করা হয়েছিল। তবে এই প্রোগ্রাম তৈরি করার পাশাপাশি বিল গেটস সেই সময়ে।

তার সহপাঠী বন্ধুদের নিয়ে ছোট্ট একটা ক্লাব তৈরি করে। এর পাশাপাশি বিল গেটস বিভিন্ন প্রকারের কম্পিউটার সফটওয়্যার কোম্পানির মধ্যে থাকা ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করার কাজ করেছিলেন। এবং বিভিন্ন প্রকারের ছোটখাটো কোম্পানি এবং প্রজেক্টে কাজ করতেন। এর ফলে তার মধ্যে থাকা প্রোগ্রামিং এর দক্ষতা আরো কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়।

বিল গেটস এবং Windows এর সূচনা

আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি। তারা বেশ ভালো করে জানি যে উইন্ডোজ হলো কম্পিউটারের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত একটি অপারেটিং সিস্টেম। আর এই উইন্ডোজের সূচনা হয়েছিল ১৯৮৫ সালে। কেননা সেই সময়ে বিল গেটস এর মাইক্রোসফট কোম্পানি থেকে এই উইন্ডোজ তৈরি করা হয়েছিল। এবং যখন এই উইন্ডোজ তৈরি করা হয়। তখন গোটা বিশ্বের মধ্যে বিল গেটসের তৈরি করা অপারেটিং সিস্টেম ব্যাপক পরিমাণে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। আর এই জনপ্রিয়তার পেছনে বেশ কিছু কারণ ছিল। যেমন:

  1. সেই সময়কার মার্কেটে যে ধরনের অপারেটিং সিস্টেম গুলো ছিল। তার মধ্যে উইন্ডোজ ব্যবহারের দিক থেকে অনেক সহজ একটি অপারেটিং সিস্টেম ছিল।
  2. উক্ত সময়ে আরো বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম থাকলেও। উইন্ডোজ এর মধ্যে যে ইউজার ইন্টারফেস ছিল। তা খুব দ্রুত তার সাথে মানুষের মনে জায়গা করে নেয়।
  3. যেহেতু বিল গেটস একজন দক্ষ প্রোগ্রামার ছিলেন। সেহেতু তিনি তার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে উইন্ডোজ নামক অপারেটিং সিস্টেম কে আরো জনপ্রিয় করতে পেরেছিলেন।

Windows

উপরে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। যে কারণ গুলোর জন্য শুরু থেকে এখন পর্যন্ত উইন্ডোজ নামক অপারেটিং সিস্টেমের জনপ্রিয়তা রয়েছে। আর আপনি যদি বর্তমান সময়ের দিকে লক্ষ্য করেন। তাহলে দেখতে পারবেন যে পৃথিবীতে থাকা অধিকাংশ কম্পিউটার এর মধ্যে। অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে উইন্ডোজ কে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

বিল গেটস এবং মাইক্রোসফট এর অগ্রযাত্রা

যখন বিল গেটস উইন্ডোজ নামক একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে। এবং সেই অপারেটিং সিস্টেম টি গোটা বিশ্বব্যাপী মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তখন তিনি তার এই অপারেটিং সিস্টেম কে আরো উন্নত করার চেষ্টা করেন। এবং পরবর্তী সময়ে তিনি উইন্ডোজ এর মধ্যে আরও বিভিন্ন প্রকারের ভার্সন নিয়ে আসেন। অবাক করা মত বিষয় হলো যে, উইন্ডোজ এর অন্যান্য ভার্সন গুলো মানুষের কাছে আরো বেশি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেছিল। আর উইন্ডোজ এর বিভিন্ন প্রকারের ভার্সন গুলো হলো:

  1. Windows NT
  2. Windows 2000
  3. Windows XP
  4. Windows Vista
  5. Windows 2007
  6. Windows 8
  7. Windows 8.1
  8. Windows 10

বর্তমান সময়ে উইন্ডোজ নামক এই অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন প্রকার এর ভার্সন থাকলেও। মানুষ এখন অধিকাংশ সময় Windows 10 এর লেটেস্ট ভার্সন কে ব্যবহার করে থাকে। তবে আমরা অনেকেই মনে করি যে মাইক্রোসফট কোম্পানি থেকে শুধুমাত্র। কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা হয়ে থাকে। আর যদি আপনিও যদি এই বিষয় টি ভেবে থাকেন। তাহলে আপনার ভাবনা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ অপারেটিং সিস্টেম ছাড়াও মাইক্রোসফট কোম্পানি থেকে আরও বিভিন্ন প্রকারের প্রোডাক্ট রয়েছে। সে গুলো হলো:

Microsoft

  1. Microsoft Word
  2. Microsoft Teams
  3. Microsoft One Drive
  4. Microsoft One Note
  5. Microsoft Outlook
  6. Microsoft Powerpoint
  7. Microsoft Excel

তো উপরে আপনি বেশ কিছু প্রোডাক্ট দেখতে পাচ্ছেন। মূলত এ গুলো হলো মাইক্রোসফট কোম্পানি থেকে তৈরি হওয়া প্রোডাক্ট। যে গুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর বর্তমান সময়ে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে উইন্ডোজ যেমন জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছে। ঠিক তেমনি ভাবে মাইক্রোসফট কোম্পানি থেকে অন্যান্য প্রোডাক্ট গুলো ব্যাপক পরিমাণে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

বিল গেটস এর ব্যক্তিগত জীবন | Personal Life

বিল গেটস এর জীবনী সম্পর্কে এতক্ষণে আমি আপনাকে অনেক কিছু জানিয়ে দিয়েছি। তবে পৃথিবীতে বসবাস করা প্রত্যেক টা মানুষের যেমন ব্যক্তিগত জীবন থাকে। ঠিক তেমনি ভাবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বিল গেটস এর কিছু ব্যক্তিগত জীবন রয়েছে। যে গুলো সম্পর্কে আমাদের অনেকের অজানা রয়েছে। আর আপনি যাতে সেই বিষয় গুলো সম্পর্কে জানতে পারেন। সে কারণে এবার আমি বিল গেটস এর জীবনী তে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একটু কথা বলব।

বিল গেটস তার বৈবাহিক জীবনের শুরু করেন ১৯৯৪ সালে। এবং তিনি যাকে বিয়ে করেন, সেই মহিলার নাম হল মেলিন্ডা গেটস। এবং বর্তমান সময়ে বিল গেটস এর স্ত্রী মাইক্রোসফটের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে যুক্ত রয়েছেন। এর পাশাপাশি বর্তমান সময়ে বিল গেটস এর তিনটি সন্তান রয়েছে। আর বিল গেটসের তিনটি সন্তানের নাম হল Rory, Phoebe এবং Jennifer. আর এই বিষয় গুলো জানার পাশাপাশি আপনি জানলে আরো অবাক হয়ে যাবেন যে।

বিশ্বের ধনী ব্যক্তি বিল গেটস এর সাথে অ্যাপেল কোম্পানির সিইও স্টিভ জবস এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ ছিল। কেননা যখন windows নামক অপারেটিং সিস্টেম এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। তখন অ্যাপেল কোম্পানি থেকে বলা হয় যে বিল গেটস অ্যাপেল কোম্পানির আইডিয়া চুরি করেছে। এবং তা নিজের নামে প্রকাশ করেছে।

বিল গেটস এর জীবনী এবং কিছু মজার কাহিনী

উপরের আলোচনা থেকে আপনি বিল গেটস এর জীবনী সম্পর্কে অনেক অজানা বিষয় জানতে পেরেছেন। তবে এই বিল গেটস এর জীবনী সম্পর্কে লিখতে গিয়ে। আমি বেশ কিছু মজার তথ্য পেয়েছি। যে গুলো এবার আপনার সাথে শেয়ার করব। আশা করি যখন আপনি বিল গেটস এর মজার জীবন কাহিনী গুলো সম্পর্কে আপনি জানতে পারবেন। তখন আপনার কাছেও ভালো লাগবে। চলুন এবার তাহলে বিল গেটস এর জীবনী থেকে মজার কাহিনী গুলো জেনে নেওয়া যাক।

  1. শৈশব কালে বিল গেটস কখনোই শান্ত স্বভাবের ছিলেন না। বরং তিনি ছিলেন অনেক চঞ্চল প্রকৃতির।
  2. যখন বিল গেটস স্কুলে পড়াশোনা করতেন। তখন তার পছন্দের মেয়েদের কে এক ক্লাসে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেছিলেন।
  3. যখন বিল গেটস হাভার্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছিলেন। তখন তিনি যে সকল কোর্সের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন। সেই কোর্সের মধ্যে তিনি একদিন ও হাজিরা দিতে পারেন নি।
  4. যখন বিল গেটস মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠার দিকে ঝুঁকে পড়েন। তখন ভার্সিটি থেকে বলা হয়েছিল যে, বিল গেটস ভুল পথে পা বাড়াচ্ছে।
  5. বিল গেটস অতিরিক্ত মাত্রায় জোরে গাড়ি চালাতেন। আর এর কারণে বিল গেটস কে একবার নয় বরং মোট তিনবার জরিমানা দিতে হয়েছিল।
  6. অবাক করার মত বিষয় হলো যে, বিল গেটস এত জোরে গাড়ি চালাতো। যার কারণে তার একটি গাড়ি জোরে চালানোর কারণে ভেঙে গেছিল।
  7. বিল গেটস মাইক্রোসফট কোম্পানি তে কর্মরত কর্মকর্তাদের গাড়ির নেমপ্লেট মনে রাখবেন। এর ফলে কোন কর্মচারী আগে আসে, কোন কর্মচারী পরে আসে তা তিনি নজরে রাখতেন।
  8. ছোট থেকেই বিল গেটস কম্পিউটার গেমস এর প্রতি অনেক আসক্ত ছিলেন।
  9. বিল গেটস এর মধ্যে প্রোগ্রামিং এর আলাদা একটা আগ্রহ ছিল। যার কারণে তিনি খুব দক্ষতার সাথে প্রোগ্রামিং এর কাজটি করতে পারতেন।
  10. বিল গেটস খাওয়া দাওয়ার শেষে তার নিজের প্লেট নিজেই পরিষ্কার করতেন। এবং তিনি বলতেন যে, তিনি নিজের কাজ গুলো করতে অনেক বেশি পছন্দ করেন।

উপরে আপনি বিল গেটস এর জীবনী থেকে নেওয়া মজার কিছু কাহিনী সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। মূলত তিনি ছোটবেলা থেকেই অনেক চঞ্চল প্রকৃতির ছিলেন। এবং এর পাশাপাশি তিনি প্রোগ্রামিং করতে অনেক ভালবাসতেন। আর এই ভালোবাসা থেকেই তিনি মাইক্রোসফট কোম্পানির প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলেন। যার ফলে তিনি আজকে গোটা বিশ্বের মধ্যে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় নিজের নাম লেখাতে পেরেছেন।

বিল গেটস এর জীবনী এবং আমাদের কিছু কথা

প্রিয় পাঠক, এতক্ষণ এর আলোচনা থেকে আপনি বিল গেটস এর জীবনী সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। যেখানে আমি বিল গেটসের শৈশব থেকে শুরু করে। বর্তমান সময় পর্যন্ত যে বিষয় গুলো গুরুত্বপূর্ণ। সে বিষয় গুলো কে উল্লেখ করার চেষ্টা করেছি। এর পাশাপাশি আমি আপনাকে মাইক্রোসফট কোম্পানির বেশ কিছু প্রোডাক্ট এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছি। আর সবশেষে বিল গেটস এর জীবনী থেকে যে সকল মজার তথ্য রয়েছে। সে গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। 

আশা করি আজকের এই আলোচনা থেকে আপনি বিল গেটস এর জীবনী সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পেয়ে গেছেন। আর এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো সবার আগে পেতে চাইলে। অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিজিট করবেন। যদি আমাদের লেখা সম্পর্কে আপনার কোন ধরনের অভিযোগ কিংবা মতামত থাকে। তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। কারণ আমরা আপনাদের কমেন্ট কে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে থাকি।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex