vlxxviet mms desi xnxx

তাজবীদ কাকে বলে?

0

তাজবীদ কাকে বলে? | তাজবীদের গুরুত্ব 

প্রত্যেক মুসলমান ব্যক্তির কোরআন তেলাওয়াত করা বাধ্যতামূলক অর্থাৎ কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। কারণ একজন মুসলমান হিসেবে নিজেকে দাবী করা বা মুসলিম হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেওয়ার জন্য অবশ্যই মুসলিম ধর্ম গ্রন্থ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হয় এবং মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য অবশ্যই পবিত্র কোরআন মাজীদ জানতে হয়। কুরআন মাজীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে তাজবীদ। আপনারা যারা তাজবীদ কাকে বলে জানেন না তাদের জন্য আমরা এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাতে এসেছি।

কুরআন মাজীদ পাঠ করা বা কোরআন মাজীদ নিয়মিত পড়ার জন্য তাজবীদ সম্পর্কে জানা বাধ্যতামূলক। তাজবীদ কোরআন মাজীদ এর এমন একটি অংশ যে অংশটি এর মাধ্যমে কোরআন শরীফ শুদ্ধভাবে উচ্চারণ করা যায়। শুদ্ধভাবে কোরআন শরীফ উচ্চারণ করা প্রত্যেক মুসলিম একান্ত কর্তব্য। কারণ কোরআন মাজিদে শুদ্ধভাবে উচ্চারণ করা হয় তাহলে এর অর্থ ভিন্ন হয়ে যায়। কারণ কোরআন মাজিদে শুদ্ধভাবে উচ্চারণ না করা হয় তাহলে এর অর্থ ভিন্ন হয়ে যায় তাই অবশ্যই কোরআন মাজীদ শুধু হবে পাঠ করার জন্য  তাজবীদ সম্পর্কে জানতে হয়। চলুন তাহলে তাজবীদ কাকে বলে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেই।

আরো দেখুনঃ গোসল ফরজ হওয়ার কারণ।

তাজবীদ অর্থ কি?

তাজবীদ সম্পর্কে জানার পূর্বে অবশ্যই তাজবীদ শব্দের অর্থ কি জানা আবশ্যক। তাজবীদ শব্দের অর্থ হচ্ছে “ সুন্দর করা”। অর্থাৎ কোরআনের হরফ গুলো সুন্দর করে পাঠ করা।

তাজবীদ কাকে বলে?

ইসলামী পরিভাষায় তাজবীদ হচ্ছে কোরআনের হরফ তার হক অনুযায়ী আদায় করা। অর্থাৎ কোরআন শরীফের প্রতিটি হরফ এর মূল মাখরাজ ও সিফাত অনুসারে আদায় করতে হবে। যেমনঃ মাদ, মাখরাজ, ইদ্গম, গুন্না, ইখফা, ইক্কলাব ইত্যাদি। সেই সাথে হরফের সাথে যুক্ত করে পড়া এবং শুদ্ধভাবে উচ্চারণ করে পড়া। যাতে করে এর পরিপূর্ণ উচ্চারণ এর মাধ্যমে সঠিক শব্দটি ফুটে ওঠে। কোরআন পাঠ করার সময় কোন রকম বেশি, বাড়াবাড়ি এবং লৌকিকতা দেখিয়ে আদায় করা যাবেনা।

তাছাড়া তারতীল সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করাকে তাজবিদ বলে। আর যদি সকল নিয়ম-নীতি এবং বিধি-বিধান অধ্যায়ন করে তার বিধান ও নিয়ম নীতি সম্পর্কে অবগত হওয়া যায় তাকে ইলমে তাজবীদ বলে।

তাজবীদ শিক্ষা বিধান

তাজবীদ শিক্ষা বিধান রয়েছে। আর এই বিধান গুলো অনুসরণ করে অবশ্যই তাজবীদ শিক্ষা অর্জন করতে হয়। হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহমাতুল্লাহ বলেন যে,  “তাজবীদ শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ। কারণ কোরআন আরবী ভাষায় নাযিল হয়েছে এবং আরবি ভাষায় কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করা ফরজ। তাই তাজবীদ শিক্ষা করা ছাড়া আরবি ভাষায় সঠিক ও যথাযথ উচ্চারণ করে কোরআন পাঠ করা সম্ভব নয়। সুতরাং অবশ্যই তাজবীদ শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত”।

প্রত্যেক হরফের মাখরাজ এর উচ্চারন এবং যথাযথভাবে আদায় করার নামকেই তাজবীদ বলা হয়। যে স্থান থেকে হরফ উচ্চারণ করা হয় সেই স্থানে মাখরাজ বলা হয়। আর আরবি হরফের মাখরাজ এর সংখ্যা সর্বমোট ১৭টি এবং সিফাত হচ্ছে ২টি। 

তাজবীদের গুরুত্ব 

তাজবীদের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ আমরা পূর্বে জেনেছি যে সঠিকভাবে তাজবীদ সম্পর্কে না জানলে কোরআন শরীফ উচ্চারণ করা সঠিক হয় না। আর এই তাজবীদ সম্পর্কে মহান আল্লাহতালা আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন সঠিক ভাবে কোরআন তেলাওয়াত করতে। মহান আল্লাহতালার মর্যাদাপূর্ণ কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আর এই সম্পর্কে এরশাদ করেছেন- “ তোমরা  তারতিল সহকারে কুরআন তেলাওয়াত করো”। (সূরা মুজাম্মিল, আয়াত সংখ্যাঃ ৪)।

উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা’আলা তার সাথে কুরআন তেলাওয়াত করার নির্দেশ করেছেন। তাই তারতিল সহকারে কুরআন তেলাওয়াত করা ফরজে আইন। তারতিল  হচ্ছে আরবি প্রত্যেকটি হরফের নির্দিষ্ট মাখরাজ ও সিফাত অনুসারে যথাযথভাবে আদায় করার পরিপূর্ণ উচ্চারণ।

এ বিষয়টি সম্পর্কে সাহাবী আলী (রা.) আনহু বলেছেন, “তারতিল  অর্থাৎ অক্ষরসমূহ সুন্দর করে আদায় করা, ওয়াকফের স্থান সম্পর্কে জানা এবং হলে ঐ সকল স্থান হচ্ছে উত্তম স্থান (আয়াতে সর্বশেষ স্থান) অর্থাৎ যেখানে শ্বাস ফেলা হয়”। 

তাছাড়া আলিঙ্গন রা কুরআন মাজীদ তেলাওয়াতের জন্য তিনটি স্থান ভাগ করে দিয়েছেন। সেগুলো হচ্ছে-

  • তারতিল।
  • হদর এবং
  • তাদবীর।

অন্যদিকে তাজবীদের বিপরীত কোরআন মাজীদ পাঠ করাকে লাহন বলে। লাহন কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমনঃ

  • লাহনে জালি (বড় ভুল)।
  • লাহনে খাফি (ছোটো ভুল)।

লাহনে জালি (বড় ভুল):

লাহনে জালি হচ্ছে প্রকাশ্য ভুল যা সাধারণত মানুষ এবং কুরআনের আলিমগণ সকলেই বুঝতে পারে। আর সেই সকল ভুল গুলো হচ্ছে-

  • এক হরফের জায়গায় অন্য হরফ পাঠ করা।
  • যেকোনো হরফকে বাড়িয়ে দেয়া।
  • যেকোনো হরফকে কমিয়ে দেয়া।
  • যের, যবর, পেশ এবং থেকে একটিকে অপরটির সাথে অপর অপরটি পাঠ করা।

লাহনে খাফি (ছোটো ভুল):

লাহনে খাফি হচ্ছে কুরআন তেলাওয়াতের সৌন্দর্য বিষয়ে ভুল করা উচ্চারণ করা। অর্থাৎ নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন এর বিপরীতে কোরআন পাঠ করা। তবে এরকম ভাবে কোরআন পাঠ করা মাকরুহ। তাই অবশ্যই মাকরুহ থেকে আমাদের প্রত্যেকের দূরে থাকা উচিত।

উপসংহারঃ তাজবীদ কাকে বলে? এ সম্পর্কে আপনারা যারা জানতেন না আশা করছে আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে জানতে পেরেছেন। আমরা ইসলামিক সকল প্রকার খুটিনাটি বিষয় আমাদের ওয়েবসাইটের তুলে ধরেছি। আপনারা যাতে কোরআন তেলাওয়াত করার জন্য সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারেন তার জন্য অবশ্যই আপনাদের কোরআন তেলাওয়াতের শুদ্ধভাবে উচ্চারণ করার পদ্ধতি গুলো জেনে নিতে হবে।

তাছাড়া আপনারা যদি ইসলামী অন্যান্য বিষয় অথবা কোরআন তেলাওয়াতের অন্যান্য বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে। জাযাকাল্লাহ খাইরান।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex