vlxxviet mms desi xnxx

ফরজ গোসলের নিয়ম

0

ফরজ গোসলের নিয়ম | গোসল ফরজ হওয়ার কারণ 

আমরা সকলেই জানি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হচ্ছে ঈমানের অংশ। আর গোসল করার মাধ্যমে প্রত্যেক মানুষ নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে তোলে। কিন্তু ইসলাম ধর্মের ফরজ গোসলের কথা উল্লেখ রয়েছে। আমরা অনেকেই ফরজ গোসল সম্পর্কে জানিনা। তাই আপনারা যারা ফরজ গোসলের নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান তাহলে একদম সঠিক স্থানে এসেছেন। কারণ আমরা আপনাদেরকে ফরজ গোসলের নিয়ম এবং ফরজ গোসলের অন্যান্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনাদের মাঝে তুলে ধরব।

আপনারা যাতে ফরজ গোসল সম্পর্কে সঠিকভাবে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন এবং সেইসাথে আপনাদের প্রয়োজন অনুসারে ফরজ গোসলের নিয়ম পালন করতে পারেন। আশা করছি আপনারা আমাদের এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে ফরজ গোসল সম্পর্কিত সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। তবে চলুন আর দেরি না করে আমরা ফরজ গোসলের নিয়ম সম্পর্কে জেনে নিই।

আরো দেখুনঃ সালাতুত তাসবিহ নামাজের নিয়ম.

ফরজ গোসল কি?

ফরজ গোসলের নিয়ম জানার আগে সবার আগে আমাদের জানতে হবে ফরজ গোসল কি? গোসল হচ্ছে আরবি শব্দ। তবে জাতি এবং অঞ্চলভেদে এই গোসলকে একেক জন একেক নামে চিনে থাকে। খাঁটি বাঙালি ভাষায় গোসলকে স্নান বলা হয়। তবে কিছু কিছু ব্যক্তিবর্গ মনে করেন যে স্নান হচ্ছে হিন্দু ভাষা। তবে বেশির ভাগ মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা আরবি ভাষায় গোসল বলে থাকে।

গোসল শব্দের অর্থ হচ্ছে সম্পূর্ণ শরীর ধোয়া। আর ইসলামের পরিভাষায় পবিত্রতা ও আল্লাহর নৈকট্য পাওয়ার জন্য পবিত্র পানির ধারা পুরো শরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ধোয়াকে গোসল বলা হয়।

তবে ফরজ গোসল তাহলে কি? ফরজ গোসল হচ্ছে ইসলামিক রীতি অনুসারে যে তিনটি কাজ করলে অবশ্যই ইসলামিক নিয়ম অনুসারে গোসল করার পদ্ধতিকে ফরজ গোসল বলা হয়। তাই আমরা আপনাদের মাঝে যে নিয়ম অনুসরণ করে ফরজ গোসল করা হয় সেই নিয়ম জানিয়ে দিব।

গোসল ফরজ হওয়ার কারণ

সব সময় গোসল করা ফরজ হয় না তবে কিছু কিছু সময় গোসল করা ফরজ হয়েছে। বিশেষ করে চারটি কারণে জন্য গোসল করা ফরজ হয়ে যায়। আপনারা যারা এই কারণগুলো জানেন না তাদের জন্য আমরা নিম্নে এ কারণগুলো উপস্থাপন করছি।

  • জানাবাত অর্থাৎ অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা হওয়ার জন্য গোসল করা ফরজ। যেমনঃ যখন নারী এবং পুরুষের মধ্যে যৌন মিলন হয়, স্বপ্নদোষ বা যেকোন ভাবে বীর্যপাত ঘটে তখন অবশ্যই ফরজ গোসল করা আবশ্যক। আরে সম্পর্কে মহান আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দেন, “ আর যদি তোমরা অবহিত হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নিও”। ( সূরা মায়েদা, আয়াতঃ ৬)।
  • মাসিক বন্ধ হওয়ার পর অর্থাৎ নারীদের অনিয়মিত ঋতুস্রাব হয় তা বন্ধ হয়ে গেলে নারীদের পবিত্র হওয়ার জন্য ফরজ গোসল করা আবশ্যক।
  • সন্তান প্রসবের পর যখন রক্ত বন্ধ হয়ে যায় তখন নারীদের অবশ্যই পবিত্র হওয়ার জন্য ফরজ গোসল করা প্রয়োজন।
  • যেসকল ব্যক্তিবর্গ মৃত ব্যক্তিকে গোসল করিয়ে দেন সে সকল ব্যক্তিদের অবশ্যই ফরজ গোসল করা আবশ্যক

সুতরাং আপনাদের মধ্যে যদি যেকোনো একটি কারণ সংঘটিত হয় তাহলে অবশ্যই আপনাদের ফরজ গোসল করতে হবে। নতুবা আপনারা অপবিত্র থেকে যাবেন।

দেখুন: অনিয়মিত মাসিক হলে বাচ্চা নেওয়ার উপায়.

ফরজ গোসলের নিয়ম

এখন আপনাদের মধ্যে প্রশ্ন আসতেই পারে যে আমাদের মধ্যে যে কোন একটি কারণ সংঘটিত হলে আমরা ফরজ গোসল কিভাবে করব। আপনারা ভাবেন না আমরা তার জন্য আপনাদের কাছে ফরজ গোসল করার নিয়ম উপস্থাপন করব। এতে করে আপনারা ফরজ গোসল করার সঠিক নিয়ম জেনে নিতে পারবেন এবং আপনাদের প্রয়োজন অনুসারে ফরজ গোসল করে নিতে পারবেন। আর ফরজ গোসল করার প্রধানত তিনটি কাজ করতে হয় আর সেই তিনটি কাজ হচ্ছে-

  • প্রথমে কুলি করে নিতে হবে। ( বুখারী, ইবনে মাজাহ)।
  • নাকে পানি দিতে হবে। ( বুখারী, ইবনে মাজাহ)।
  • সারা শরীর পানি দিয়ে ধৌত করতে হবে। সম্পূর্ণ শরীর এমন ভাবে ধৌত করতে হবে যাতে দেহের চুল পরিমান জায়গা ও শুকনা থাকে। ( আবু দাউদ)।

ফরজ গোসল করার সময় আমাদের অবশ্যই এই তিনটি কাজ করতে হবে।  এখন চলুন জেনে নেই ফরজ গোসল করার সম্পূর্ণ নিয়ম-

  • প্রথমে বিসমিল্লাহ বলে শুরু করতে হবে। অর্থাৎ বিসমিল্লাহি রহমানের রাহিম বলে গোসল করা শুরু করতে হবে। ( তবে এখানে খেয়াল রাখতে হবে যে গোসলখানা বিসমিল্লাহ মুখে উচ্চারণ করে বলা যাবে না, এক্ষেত্রে বিসমিল্লাহ মনে মনে বলতে হবে)।
  • হাত ভালো করে ধৌত করতে হবে। অর্থাৎ দুই হাতের কব্জি পর্যন্ত ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে।
  • নাগ ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। নাকের ভেতরে আঙ্গুল দিয়ে নাক পরিষ্কার করে পানি দিয়ে সুন্দর করে ধুয়ে নিতে হবে।
  • শরীরের কোন স্থানে যদি নাপাকি কোন বস্তু লেগে থাকে তাহলে তা ধুয়ে নিতে হবে। অর্থাৎ শরীরের যে অংশ নাপাক হবে সে অংশ ভালোভাবে ধুতে হবে।
  • লজ্জাস্থান ধুয়ে নিতে হবে। লজ্জাস্থান ধোয়ার সময় অবশ্যই বাম হাত ধুয়ে নিতে হবে। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে ইস্তিঞ্জা অর্থাৎ প্রস্রাব করে নিতে হবে। এবং অবশ্যই পাক হয়ে নিতে হবে কোনভাবেই নাপাক থাকা যাবে না।
  • অজু করে নিতে হবে। আমরা সাধারণত যেভাবে অজু করে থাকি ঠিক সেভাবে অজু করে নিতে হবে কিন্তু পা ধোয়া যাবে না। যেমন করে আমরা নামাজ পড়ার সময় ওযু করার ক্ষেত্রে পা ধুয়ে থাকি সে রকম করে পাওয়া যাবে না।
  • অতঃপর আমরা ফরজ গোসলের যে তিনটি কাজ করেছি সেগুলো সম্পন্ন হয়ে যাবে এবং সেইসাথে সম্পূর্ণ শরীর সুন্দর করে ধ্বংস করে নিতে হবে। যাতে করে শরীরের একটি লোম পরিমান স্থান শুকনো না থাকে।
  • গোসল করার সর্বশেষ পা ধুয়ে নিতে হবে এবং এর মাধ্যমে ফরজ গোসল করা সম্পন্ন হবে।

ফরজ গোসলের দোয়া

ফরজ গোসল করার একটি নির্দিষ্ট দোয়া রয়েছে। তবে অবশ্যই আপনাদের মনে রাখতে হবে যে এই ফরজ গোসলের দোয়া উচ্চারণ করার ক্ষেত্রে যদি গোসলের স্থান এবং টয়লেট একই স্থানে হয়ে থাকে তাহলে উচ্চারণ করা যাবে না। মনে মনে উচ্চারণ করতে। ফরজ গোসল করার বাংলা উচ্চারণ করার দোয়াটি হচ্ছে-

ফরজ গোসলের দোয়া

শেষ কথা: ফরজ গোসলের নিয়ম যারা জানতেন না তারা আশা করছি আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে জানতে পেরেছেন। মহান আল্লাহ তাআলার নির্দেশ অনুসারে প্রত্যেক মুসলমানের উচিত সঠিকভাবে ফরজ গোসল করা এবং নিজেকে পবিত্র রাখা। আপনারা যদি আমাদের পক্ষ হতে ইসলামিক অন্যান্য বিষয় এবং ফরজ গোসলের নিয়ম সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে চান তাহলে আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। জাযাকাল্লাহ খাইরান।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex