vlxxviet mms desi xnxx

ইস্তেখারা নামাজের নিয়ম

0

ইস্তেখারা নামাজের নিয়ম (নিয়ত, দোয়া এবং ফজিলত)

একজন মুসলিম ব্যক্তি যখন কোন কাজ করতে গিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হয় অর্থাৎ সিদ্ধান্ত নিতে ইতস্ত বোধ করে তখন সে মুসলিম ব্যক্তি মহান আল্লাহতালার উপর ভরসা রেখে ইস্তেখারা নামাজ আদায় করে থাকে। কিন্তু এই ইস্তেখারা নামাজের নিয়ম কি? তা আপনারা অনেকেই জানেন না। কারণ আমরা সকলেই জানি যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাশাপাশি অন্যান্য অনেক বিশেষ নামাজ আছে যা বিশেষ বিশেষ কারণে আদায় করা হয়।

আর এই সকল নামাজের নিয়ম রয়েছে। সঠিক নিয়মে এই ধরনের বিশেষ নামাজ আদায়ের ফলে দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সুতরাং নতুন কোন কাজ শুরু করার আগে ইস্তেখারা নামাজ পড়া হয়। তাই আজ আমরা আপনাদেরকে ইস্তেখারা নামাজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানাবো এবং এর পাশাপাশি ইস্তেখারা নামাজের নিয়ম সম্পর্কে আপনাদেরকে জানাবো। চলুন তাহলে শুরু করি আমাদের আজকের বিষয় ইস্তেখারা নামাজের নিয়ম।

আরো দেখুনঃ সালাতুত তাসবিহ নামাজের নিয়ম.

ইস্তেখারা কি?

ইস্তেখারা শব্দটি আরবি শব্দ। আর এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে কোন বিষয়ের ওপর কল্যাণ চাওয়া। ইসলামিক পরিভাষায় ইস্তেখারা হচ্ছে দুটি বিষয়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অথবা কল্যাণ কামনার জন্য যে বিশেষভাবে দু রাকাত সালাত এবং বিশেষ দোয়া আল্লাহর নিকট করা হয়।

অর্থাৎ আপনি যখন দুটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যর্থ হবেন তখন আল্লাহর উপর ভরসা রেখে এই নামাজের মাধ্যমে মহান আল্লাহতালার কাছে বিশেষভাবে দোয়া প্রার্থনা করার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া নামাজ হিসেবে অভিহিত করা হয়। (ইবনে হাজার, ফাতহুল বারি শরহু সহীহুল বুখারী)।

ইস্তেখারা করার হুকুম

ইস্তেখারা নামাজ পড়া সুন্নত। এই নামাজ হযরত মুহাম্মদ সাঃ গুরুত্ব সহকারে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। হাদীসে এসেছে হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের যেভাবে কুরআনের সূরা শেখাতেন ঠিক সেভাবে প্রতিটি কাজের আগে আমাদের ইস্তেখারা করার শিক্ষা দিতেন।

ইস্তেখারার নামাজ সম্পর্কে শায়খুল ইসলাম আল্লামা ইবনে তাইমিয়া রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন যে, যে ব্যক্তি অনুতপ্ত হবে না, যে আল্লাহর কাছে ইস্তেখারা বা কল্যাণ কামনা করবে, পরামর্শ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে এবং তার ওপর অটল অবিচল থেকে।

আর মহান আল্লাহতালার পরামর্শ অনুসারে কাজ করার কথা বলেছেন যে, তুমি তার সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মানুষের সঙ্গে পরামর্শ করে এবং আল্লাহ ভরসা ওপর ভরসা রাখ। কারন নিশ্চয় আল্লাহ ভরসা দানকারীদের কে ভালোবাসেন। ( সূরা আল ইমরান, আয়াত সংখ্যা- ১৫৯)।

আরো দেখুনঃ তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম.

সুতরাং বস্তুত এটাই বোঝাই যে কোন বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ অথবা পরামর্শ গ্রহণের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহতালার উপর সম্পূর্ণ ভরসা রেখে মানুষের সাথে পরামর্শ গ্রহণ করা উত্তম। এবং সেইসাথে ইস্তেখারা নামাজ পড়া জরুরী।

ইস্তেখারা নামাজের সময়

ইস্তেখারা নামাজের সময় নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। তাই আজ আমরা আপনাদেরকে এই বিভ্রান্তি থেকে অবসান দিতে এসেছি। আমরা সকলেই জানে যে ইসলামের নির্দেশনা হল যে কোন নতুন কাজ শুরু করার পূর্বে ইস্তেখারা করে নেয়া এবং সেই কাজটি যদি কোন দ্বিধা দ্বন্দে মধ্যে থাকে তাহলে অবশ্যই ইস্তেখারার কোনো বিকল্প নেই। আর যদি কোন বান্দা সুন্নতের অনুসরণ ইস্তেখারা করে মহান আল্লাহতালা এই বান্দাকে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ইঙ্গিত প্রদান করে।

সহজ কথায় বলতে গেলে, আপনি যখন আপনি যেকোন বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ইতস্ত বোধ করবেন বা সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না তখন আপনি মহান আল্লাহতালার উপর ভরসা রেখে ইস্তেখারা নামাজ আদায় করতে পারেন। সাধারণত হুকুমের পরে ইস্তেখারা নামাজ। তাই এর কোন নির্দিষ্ট সময় নেই। তবে আপনারা চাইলে এশার ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার পরে ইস্তেখারা নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে থাকতে পারেন। এমন হতে পারে মহান আল্লাহতালা নির্দেশে আপনারা স্বপ্নের মাধ্যমে সেই সিদ্ধান্তটি জানতে পারবেন। 

ইস্তেখারা নামাজের নিয়ত

অন্যান্য নামাযের মত করে এই নামাজের নিয়ত আপনারা করতে পারবেন তবে নিহতের সময় অবশ্যই ইস্তেখারা নামাজ উল্লেখ করতে হবে এবং এটির নফল ইবাদতে উল্লেখ করতে হবে। সুতরাং আপনারা কারা নামাজের নিয়ত উচ্চারণ করে বলতে পারবেন আবার মনে মনে বলতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা ইস্তেখারা নামাজের বাংলা এবং আরবি উচ্চারণ উপস্থাপন করছি।

ইস্তেখারা নামাজের নিয়ত

ইস্তেখারা নামাজের নিয়ম

ইস্তেখারা নামাজের দুই একটি বিশেষ নাম আছে তো সকলের মনে করেন যে ইস্তেখারা নামাজের বিশেষ নিয়ম রয়েছে। কিন্তু তা নয়। ইস্তেখারার নামাজ সাধারণত আমরা নফল নামাজে ভাবে আদায় করি ঠিক সে ভাবে পড়া যায়। তাই আমরা যেরকম ভাবে নফল নামাজ আদায় করে থাকে ঠিক সেভাবেই আমরা ইস্তেখারার নামাজ পড়তে পারি। নিম্নে ইস্তেখারা নামাজের নিয়ম উল্লেখ করা হলো-

  • প্রথমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে অজু করে নিতে হবে।
  • এবার কেবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে মহান আল্লাহতালার উপর ভরসা রেখে আস্থার উদ্দেশ্যে দুই রাকাত নফল নামাজ এর নিয়ত করতে হবে। আপনারা চাইলে মনে মনে নিয়ত করতে পারেন অথবা উচ্চারণ করে ইস্তেখারা নামাজের নিয়ত করতে পারেন।
  • এখন সানা পাঠ করার পর সূরা ফাতিহা পাঠ করতে হবে এবং সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর অন্যান্য ফল নামাযের মত করে যেকোনো সূরা সংযুক্ত করে পাঠ করতে হবে। তবে আপনারা যদি চান তাহলে এই নিয়মটি অনুসরন করতে পারেন-  সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর সূরা ইখলাস ৩ বার পাঠ করতে পারেন।
  • ইস্তেখারা নামাজের ক্ষেত্রে প্রথম রাকাত যেভাবে আদায় করবেন ঠিক সেভাবে দ্বিতীয় রাকাত আদায় করতে পারেন।
  • দ্বিতীয় রাকাতে রুকু সিজদা শেষ করার পর তাশাহুদ, দুরুদ শরীফ এবং মাসুরা পড়ে সালাম ফিরানোর পর আল্লাহতালার এবং মর্যাদার কথা স্মরণ করে একান্ত অভিনয় এবং আন্তরিকতার সাথে দোয়া পাঠ করতে হবে। হাদিস থেকে বর্ণিত হয়েছে যে-  রাসুল (সাঃ) বলতেন, “খন তোমাদের কেউ কোন কাজের ইচ্ছা পোষণ করবে তখন সে যেন ফরজ সালাত ছাড়া দুই রাকাত সালাত আদায় করে নেয়”।

আরো দেখুনঃ সালাতুল হাজত নামাজের নিয়ম.

সুতরাং কিভাবে দোয়া করার মধ্যদিয়ে ইস্তেখারার নামাজ পড়তে হয়। আপনাদের জন্য আমরা নিম্নের নামাজের দোয়া উপস্থাপন করছি এবং সেইসাথে ইস্তেখারা নামাজের কিছু করনীয় বিষয় রয়েছে যা অবশ্যই প্রত্যেক মুমিনদেরকে ইস্তেখারার নামাজ পড়ার সময় পালন করতে হয়।

ইস্তেখারা দোয়া

আপনারা যারা ইস্তেখারা নামাজের দোয়া জানেন না এবং এই দোয়ার একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে যেখানে আপনার নিজের মনের ইচ্ছার কথা স্মরণ করতে হবে উল্লেখ করতে হয় সেই নিয়মটি আমরা নিম্নে জানিয়ে দিব। তবে তার আগে আপনাদেরকে অবশ্যই ইস্তেখারা নামাজের আরবি উচ্চারণ এবং বাংলা উচ্চারণ জানিয়ে দিচ্ছি।

সালাতুল ইস্তেখারা দোয়া

ইস্তেখারা নামাজের বিশেষ দোয়ার বাংলা অর্থ হচ্ছে-

“হে আল্লাহ! আমি তোমার জ্ঞানের সাহায্য চাইছি, তোমার শক্তির সাহায্য চাইছি এবং তোমার মহান অনুগ্রহ চাইছি। তুমিই শক্তি ও ক্ষমতার অধিকারী, আমার কোন ক্ষমতা নেই। তুমি অফুরন্ত জ্ঞানের অধিকারী, আমার কোন জ্ঞান নেই। তুমি অদৃশ্যবিষয়ে সম্পূর্ণরূপে জ্ঞাত। হে আল্লাহ! তুমি যদি এ কাজটি আমার জন্য, আমার দ্বীনের দৃষ্টিকোণ হতে, আমার জীবন যাপনের ব্যাপারে এবং আমার কাজের পরিণামের দিক হতে, ভাল মনে কর তবে তা আমার জন্য নির্দিষ্ট করে দাও এবং আমার জন্য সহজ করে দাও।

পক্ষান্তরে তুমি যদি এ কাজটি আমার জন্য আমার দ্বীনের দৃষ্টিকোণ হতে, আমার জীবন যাপনের ব্যাপারে এবং আমার কাজকর্মের পরিণামের দিক হতে ক্ষতিকর মনে কর, তবে তুমি সে কাজটি আমার থেকে দূরে সরিয়ে দাও। এবং আমাকে তা থেকে বিরত রাখ। এবং যেখান থেকে হোক তুমি আমার জন্য কল্যাণ নির্ধারণ করে দাও”। (তিরমিজি ৪৮০ ইবনু মাজাহ (১৩৮০,রিয়াদুস সলিহীন ৭২২)।

ইস্তেখারা নামাজের যে বিশেষ দোয়া রয়েছে সেই বিশেষ দেওয়াল মধ্যেই আমাদের মনের ইচ্ছা উল্লেখ করার যে বিশেষ স্থান রয়েছে সেগুলো অবশ্যই আমাদের স্মরণ রাখতে হবে। এই বিশেষ দোয়ার মধ্যে যেখানে “ হাজার আমরা” আসবে সেখানে আপনারা আপনাদের যে কাজটি করার জন্য সিদ্ধান্ত নিতে চাচ্ছেন সে কাজের কথা স্মরণ করবেন। 

ইস্তেখারা নামাজের ক্ষেত্রে কিছু করনীয় বিষয়

ইস্তেখারা নামাজের ক্ষেত্রে কিছু করনীয় বিষয় রয়েছে আর এই বিষয়গুলো অবশ্যই ইস্তেখারা নামাজ আদায় করবে সে ব্যক্তিকে মনে রাখতে হবে।

ইস্তেখারার নামাজ আদায় করার পর যে বিশেষ দোয়া পাঠ করা হয় সেই বিশেষ দোয়া পাঠ করে কিবলামুখী হয়ে ঘুমিয়ে পড়বেন। আর ঘুম থেকে জেগে উঠার পর আপনার মন যেদিকে যাবে সেদিকে যাবেন। আর সেটি আপনার ফলাফল হিসেবে মন স্থির করবেন। আশা করছি আপনারা সে কাজের মধ্য দিয়ে আপনার কল্যাণ বয়ে আসবে।

তবে কোন কারণে যদি ঘুমানোর সময় না থাকে তাহলে আপনারা দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এটি শেষ হওয়ার পর আপনাদের মন যেদিকে যাবে ঠিক সেদিকেই কাজ করতে থাকবেন এবং সেই মন স্থির করাকে ফলাফল হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। ইনশাল্লাহ আপনাদের কাজ সফল হবে। 

ইস্তেখারা নামাজের যে বিশেষ দোয়া রয়েছে বিশেষ দোয়াটি যদি কারো মুখস্ত না থাকে তাহলে কোন অসুবিধা নেই এই বিশেষ দোয়া দেখে দেখে পড়া যাবে। তবে পড়া থাকলে বেশি সুবিধে হয়।

ইস্তেখারা পড়ার পর নির্দিষ্ট করে স্বপ্নের মধ্যে দিকনির্দেশনা দেয়া হবে তার কোনো আবশ্যকতা নেই। আপনারা স্বপ্নের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে পারবেন অথবা স্বপ্ন ছাড়া মনের মধ্যে যে দিকের প্রতি আগ্রহ বেশি তৈরি হবে তা গ্রহণ করার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণে উপনীত হতে পারেন।

তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পরবর্তী সময় অবশ্যই মহান আল্লাহতালার উপর ভরসা রেখে কাজে এগিয়ে যেতে হবে। যেকোনো ধরনের বাধা আসলে তখন পিছপা হওয়া যাবেনা হীনমন্যতায় ভোগা যাবেনা। আর এ সম্পর্কে মহান আল্লাহতালা বলেছেন যে, “ আর যখন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ফেলে তখন আল্লাহর উপর ভরসা করো”। ( সূরা আলে ইমরান, আয়াত নং- ১৫৯)।

আপনারা যদি সত্যিকার নামাজ এবং দোয়া পড়ার পর যদি কোনো সিদ্ধান্তে উপনীত না হতে পারেন তাহলে একাধিকবার এ নামাজ পড়ে যাবেন। যতদিন না পর্যন্ত আপনারা কোন সিদ্ধান্তে স্থির হতে পারছেন।

ইস্তেখারা নামাজ একজনের পক্ষ হতে অন্যজন আদায় করতে পারে না। প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজ কল্যাণের জন্য এই নামাজ আদায় করতে পারবে এবং দোয়া করতে পারবে।

অন্যায় এবং হারাম কাজের জন্য এ নামাজের মধ্য দিয়ে কোন দোয়া করা যাবে না। এ নামাযের মধ্যে যে দোয়া পড়া হয় সেই দোয়া অবশ্যই হালাল এবং নয় কাজের জন্য পড়তে হয়। 

এ নামাজ পড়ার সময় অবশ্যই মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি বিশ্বাস এবং তিনি একমাত্র মহত্ব এবং বড় কথা স্মরণ করে দোয়া করতে হবে।

ইস্তেখারা নামাজ ধীরগতিতে পড়তে হবে। তাড়াহুড়া করে নামাজ শেষ করা উচিত নয়।

যে সকল সময় নামাজ পড়া নিষিদ্ধ সে সকল সময়ের ইস্তেখারা নামাজ পড়া নিষিদ্ধ।

নারীদের সন্তান প্রসব প্রবাহ কাল এবং ঋতুস্রাব কাল চলাকালীন সময়ে ধরনের নামাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। এই সকল সময় নারীদের খাড়া করার প্রয়োজন হলে ভালোভাবে ওযু করে এসে খাঁড়া নিয়তের দোয়া পাঠ করতে পারে।

আরো দেখুনঃ শরিয়ত অর্থ কি? শরিয়তের গুরুত্ব।

উপসংহারঃ আপনারা যারা ইস্তেখারা নামাজের নিয়ম জানতেন না তারা আশা করছি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে থেকে ইস্তেখারা নামাজের নিয়ম জানতে পেরেছেন এবং সেই সাথে ইস্তেখারা নামাজের অন্যান্য বিষয় সমূহ জেনে নিতে পেরেছেন। তবে আপনি মহান আল্লাহ আল্লাহর প্রতি ভরসা এই নামাজ আদায় করতে হবে এবং তার আনুগত্য হয়ে দোয়া পাঠ করতে হবে। এছাড়াও আপনার ও যদি অন্যান্য বিশেষ নামাজ অথবা ইস্তেখারা নামাজের নিয়ম সম্পর্কিত কোন কিছু জানতে চান তাহলে আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। জাযাকাল্লাহ খাইরান।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex