vlxxviet mms desi xnxx

সিজারের কতদিন পর বাচ্চা নেওয়া যায়

0

সিজারের কতদিন পর বাচ্চা নেওয়া যায়

কিছু বিশেষ কারনে যখন নরমাল প্রসব সম্ভব হয় না তখনই সিজারিয়ান পদ্ধতি অবলম্ব করা হয়। সিজারের সময় মায়ের শরীর এর উপর অনেক চাপ পড়ে। অনেকেই বলে থাকেন আমার ৬ মাস আছে বাচ্চা হয়েছে আমি কি পুনরায় বাচ্চা নিতে পারি বা বলে থাকেন সিজারের কতদিন পর বাচ্চা নেওয়া যায়?  এইসব প্রশ্নের উওর নিয়েই আজ আমরা হাজির হয়েছি। চলুন বিষয়টি একটু বিস্তারিত ভাবে জানি।

সিজারের কতদিন পর সহবাস করা যায়?

সিজারের পর সবার মনের মাঝেই বার বার এই প্রশ্ন জাগতে থাকে আমি কবে আমার যৌনজীবনে ফিরে যেতে পারবো। সিজারিয়ান জটিলতা না থাকলে ৬ সপ্তাহ পরই আপনি যৌনমিলন করতে পারবেন কিন্তু যদি জটিলতা থাকে তাহলে আপনাকে ৩ মাস অপেক্ষা করতে হতে পারে। আর বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া থাকে প্রথম ২/১ সপ্তাহের মাঝে কোন ভাবেই যেন যৌনমিলন না করা হয় কারন এতে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার সম্ভনাটা বেশি থাকে।

দেখুন: অনিয়মিত মাসিক হলে বাচ্চা নেওয়ার উপায়

সিজারের পর কি কি সেক্স পজিশন গুলো এড়িয়ে চলা উচিত?

সিজারের পর আপনার শরীরটি আগের মত নেই সামান্যতম ভুলে আপনার জীবন নিয়ে টান দিতে পারে। আপনাকে স্বাভাবিক হতে বছর খানিক লেগে যাব তাই সিজারের কতদিন পর বাচ্চা নেওয়া যায়? এই প্রশ্নের উওর জানার আগে আপনার জানা দরকার সিজারের পর কি কি  সেক্স পজিশন গুলো এড়িয়ে চলা উচিত?

মিশনারি পজিশন টি আপনার এড়ানো উচিত কারন এমন কোন পজিশন চুজ করা যাবে না যাতে আপনার পেটের উপর চাপ পড়ে। ওম্যান–অন–টপ পজিশনটি ব্যবহার করে দেখতে পারেব বা একটি পাশে ফিরে বা পিছন থেকে কোন মনপছন্দ পজিশন চুজ করতে পারেন।

সিজারের কতদিন পর বাচ্চা নেওয়া যায়?

সিজারিয়ান মা এর শরীর অনেক ক্রিটিকাল সময় ফেস করে যার কারনে আবার বাচ্চা নেওয়ার আগে অনেক ভেবেচিন্তে নিতে হবে। সাধারণ  সিজারের ২ বছরের আগে বাচ্চা না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারন আপনার শরীর আগের সিজারিয়ান ক্রিটিকাল পজিশন থেকে পুনরায় উজ্জীবিত হতে সময় লাগবে ২ বছর। এর আগে আপনি বাচ্চা নেওয়ার কথা ভাবলে আপনি আপনার মৃত্যুর ঝুকি ডেকে আনছেন।

দেখুন: গর্ভবতী হওয়ার প্রথম মাসের লক্ষণ

সিজারের পর কি কি খাবার খাওয়া উচিত?

১. লো ফ্যাট যুক্ত খাবার:

সিজারের রুগীদের জন্য লো ফ্যাট যুক্ত খাবার সবচেয়ে উপযুক্ত। কম ফ্যাট যুক্ত দুধ ও দই জাতীয় খাবারে রয়েছে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন বি যা রোগীর ফাস্ট রিকোভারীর জন্য প্রয়োজন।

২. ডাল:

প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ও মিনারেলসে সম্পূর্ণ ডাল একজন সিজারিয়ান রোগীর ডায়েট চার্টো রাখা আবশ্যক।

৩. ভিটামিন সি:

সিজারিয়ান রোগীর জন্য ভিটামিন সি আবশ্যক কারন এটি খা শুকাতে সাহায্য করে। 

৪. ডিম:

সিজারিয়ানের ডায়েট চার্টে অবশ্যই ডিম রাখবেন এটি আপনার শরীরে প্রোটিনের জোগান দিবে।

৫. হলুদ:

হুলুদ এ থাকে প্রচুর পরিমান ভিটামিন ও মিনারেলস যা শরীরের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।

সিজারের পর কি কি খাবার খাওয়া উচিত

সিজারের কতদিন পর বাচ্চা নেওয়া যায় এই প্রশ্নের উপর পেয়ে গেছেন । আর মনে রাখবেন স্বাস্থ্যহানী করে কখনোই আপনি ২ বছরের আগে বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা করবেন না। ধন্যবাদ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos
pornvideos
xxx sex